‘সরকার ক্যালকুলেশন করে ব্যাঙ্কগুলোকে পাঠিয়েছে..,’ কবে কেএমসি এলাকায় বসবাসকারীদের DA?

Published on:

Published on:

dearness allowance(269)
Follow

বাংলাহান্ট ডেস্ক: বকেয়া ডিএ (Dearness Allowance) মামলার সঙ্গে যুক্ত সব পক্ষকে আদালত গঠিত মনিটরিং কমিটিকে রিপোর্ট দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছিল সুপ্রিম কোর্ট। সেই রিপোর্ট ইতিমধ্যে জমা পড়েছে। পঞ্চম পে কমিশনের বকেয়া ডিএ মামলার মূল মামলাকারী সংগঠন কনফেডারেশন অব স্টেট গভঃ এমপ্লয়িজ-এর সাধারণ সম্পাদক মলয় মুখোপাধ্যায় কর্মীদের জানিয়েছেন যে তারাও সুপ্রিম কোর্টের গড়ে দেওয়া ইন্দু মালহোত্রা কমিটির মোট তিনটে রিপোর্ট পেয়েছেন।

আপাতত রিপোর্টের প্রেক্ষিতে মন্তব্য নয় | Dearness Allowance

মলয়বাবু জানিয়েছেন, মনিটরিং কমিটির দেওয়া রিপোর্টের পরিপ্রেক্ষিতে তাঁদের উত্তর তৈরি করতে হবে এবং সেই উত্তর সুপ্রিম কোর্টে জমা দিতে হবে। ১৮ অগাস্ট মামলার পরবর্তী শুনানির আগে সেই রিপোর্ট নিয়ে সরাসরি কোনও বক্তব্য তাঁদের তরফে রাখা হবে না বলে জানিয়েছেন মলয় মুখোপাধ্যায়। একইসাথে কেএমসি এলাকায় বসবাসকারী অবসরপ্রাপ্ত কর্মচারীদের বকেয়ার প্রসঙ্গ উঠে এসেছে মলয়বাবুর মুখে।

KMC এলাকার পেনশনারদের বকেয়া নিয়ে প্রশ্ন | DA

সমাজমাধ্যমে দেওয়া এক ভিডিওবার্তায় মলয়বাবু বলেন, “KMC এলাকায় যাঁরা পেনশন হোল্ডার আজকের আমরা বলছি যে এতটা দুর্ভাগ্যজনক, দুঃখজনক, সরকার একটিবারও চিন্তা করছে না। আমরা সেই পয়লা জুন মাননীয় মুখ্যমন্ত্রীকে বলেছি, এইভাবে বলেছি আমি, এই যে কলকাতা পৌর কর্পোরেশন (কেএমসি) এলাকায় বসবাসকারী অবসরপ্রাপ্ত রাজ্য সরকারি কর্মচারীরা ২০০৮ সালের আগে তারা অবসর নিয়েছে। কারও বয়স ৮০, ৮৫, ৯০ এমনকি ১০০ ছুঁইছুঁই। বারবার বলছি। এখনও তারা একটি পয়সাও বকেয়া ডিএ পেল না।”

dearness allowance(227)

আরও পড়ুন: পেনশনভোগীদের জন্য বড় সতর্কবার্তা! এই কাজ বাকি থাকলে পরের মাসে মিলবে না পেনশনের টাকা

হতাশা নিয়ে মলয়বাবু বলেন, “এখন আবার শুনছি যে, সরকার ক্যালকুলেশন করে ব্যাঙ্কগুলোকে পাঠিয়ে দিয়েছে। ব্যাঙ্কগুলো এখন আবার পাঠাচ্ছে না। বিভিন্ন ব্যাঙ্কগুলোর মধ্যে যাতে সমন্বয়ের অভাব না দেখা যায় তাই তারা একসঙ্গে ক্রেডিট মেসেজ পাঠাবে। জানি না কতটা সত্যি কথা। কেএমসি এলাকায় যে কবে বকেয়া পাবে সেটা আমরা এখনও জানি না।”