রাজ্যের শিক্ষক ও অশিক্ষক কর্মীদের বকেয়া DA কীভাবে মেটানো হবে? জানুন

Published on:

Published on:

dearness allowance(123)
Follow

বাংলা হান্ট ডেস্কঃ চর্চা চলছিল, এরই মধ্যে রাজ্যের শিক্ষক ও অশিক্ষক কর্মীদের মহার্ঘভাতা বা ডিএ (Dearness Allowance) কীভাবে দেওয়া হবে, সেই নিয়ে আলোচনায় গুরুত্বপূর্ণ বৈঠকে বসছে রাজ্যের অর্থ দফতর (Government of West Bengal Finance Department)। সোমবার সরকারি সাহায্যপ্রাপ্ত প্রতিষ্ঠানের কর্মী ও অবসরপ্রাপ্ত কর্মীদের মহার্ঘ ভাতার হিসেব-নিকেশ নিয়ে বৈঠকের সূচি ঘোষণা করেছে অর্থ দপ্তর।

শিক্ষক ও অশিক্ষক কর্মীদের ডিএ সংক্রান্ত আপডেট | Dearness Allowance

বুধবার বিকের চারটেয় বৈঠক হতে চলেছে। বিজ্ঞপ্তি জারি করে জানানো হয়েছে, ১২ মার্চের নির্দেশিকা অনুযায়ী, কর্মীদের প্রতি মাসে ডিএ এবং ডিআর সংক্রান্ত তথ্য সংকলনের যে কাজ চলছে তার অগ্রগতি খতিয়ে দেখতে আগামী ১ এপ্রিল অর্থ দপ্তরের বৈঠক। অর্থ দপ্তরের অতিরিক্ত মুখ্যসচিবও সেই বৈঠকে উপস্থিত থাকবেন।

বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, ২০০৮ সালের এপ্রিল থেকে ২০১৯ সালের ডিসেম্বর পর্যন্ত বকেয়া ডিএ ও ডিআর সংক্রান্ত তথ্য সংগ্রহের অগ্রগতি খতিয়ে দেখতে এই গুরুত্বপূর্ণ বৈঠক। সরকারি সাহায্যপ্রাপ্ত প্রতিষ্ঠানের অ্যাকাউন্টস ডিপার্টমেন্টের কর্মী, ফাইন্যান্সিয়াল অ্যাডভাইজার কিংবা অন্য কর্তাদের বৈঠকে উপস্থিত থাকার জন্য বলা হয়েছে।

উক্ত বৈঠকে সভাপতিত্ব করবেন অর্থ দফতরের অতিরিক্ত মুখ্যসচিব। প্রতিটি দফতরকে, সংশ্লিষ্ট বিভাগের প্রধান বা হিসাব শাখার দায়িত্বপ্রাপ্ত আধিকারিকের পাশাপাশি আর্থিক উপদেষ্টাকেও সঙ্গে নিয়ে বৈঠকে যোগ দেওয়ার কথা বলা হয়েছে। প্রয়োজনে অন্য আধিকারিকদেরও উপস্থিত থাকার কথা বলা হয়েছে।

আরও পড়ুন: শুভেন্দু-শমীককে ফোন ট্র্যাপ? জাভেদ শামিম, বিনীত গোয়েলের বিরুদ্ধে বিস্ফোরক অভিযোগ

সম্প্রতি মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় (Mamata Banerjee) খোদ ঘোষণা করেছেন, সরকারি কর্মচারী, পেনশনভোগী, শিক্ষক-শিক্ষিকা এবং অনুদানপ্রাপ্ত সংস্থার কর্মীরাও ডিএ পাওয়ার অধিকারী। গত ১৫ মার্চ ডিএ-র বিষয়ে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় সোশ্যাল মিডিয়া পোস্টে শিক্ষক, শিক্ষাকর্মী, পঞ্চায়েত, পুরসভা, সরকার অনুমোদিত স্বশাসিত সংস্থা এবং সরকারি অনুদানপ্রাপ্ত সংস্থাগুলিও ডিএ পাবেন বলে উল্লেখ করেছিলেন।

dearness allowance(134)

রোপা-২০০৯ অনুযায়ী বকেয়া ডিএ মার্চ ২০২৬ থেকে দেওয়া শুরু হবে বলে জানিয়েছিলেন মমতা। সেই সময় রাজ্য সরকারি কর্মচারী ও পেনশনভোগীদের পাশাপাশি শিক্ষক-শিক্ষিকা এবং বিভিন্ন অনুদানপ্রাপ্ত প্রতিষ্ঠানের কর্মীরাও বকেয়া পাওয়ার তালিকায় রয়েছেন বলে উল্লেখ করেছিলেন মুখ্যমন্ত্রী।