বাংলা হান্ট ডেস্কঃ সরকারি হোক বা বেসরকারি, বর্তমানে কোনও চাকরি পাওয়াই সহজ নয়। রোজ চাকরির আশায় হন্যে হয়ে ঘোরেন বহু যুবক-যুবতী। এবার তাঁদের জন্যই খুশির খবর। বিভিন্ন লাইব্রেরিতে লাইব্রেরিয়ান নিয়োগ (Job Recruitment) সংক্রান্ত বড় ইঙ্গিত দিলেন রাজ্যের গ্রন্থাগারমন্ত্রী গৌরীশঙ্কর ঘোষ (Gouri Sankar Ghosh)।
নিয়োগ নিয়ে কী বললেন গ্রন্থাগারমন্ত্রী? | (Job Recruitment)
বিগত কয়েক বছরে রাজ্যের বিভিন্ন গ্রন্থাগারের বেহাল ছবি সামনে এসেছে। পর্যাপ্ত পরিমাণ লোকের অভাবে ধুঁকছে বহু লাইব্রেরি। এই বিষয়ে প্রশ্ন করা হলে লাইব্রেরিয়ান নিয়োগের বিষয়ে সরকার ভাবনাচিন্তা করছে বলে জানান গৌরীশঙ্কর।
আরও পড়ুনঃ ‘দিদি’র হাত ছাড়লেও সম্পর্ক অটুট থাকবে! মমতাকে নিয়ে আর কী বললেন রচনা?
একটি সর্বভারতীয় সংবাদমাধ্যমের প্রশ্নের উত্তরে তিনি বলেন, “রাজ্যে যে পরিমাণ লাইব্রেরি রয়েছে, সেখানে দু’জন করে থাকলেও ৫ হাজার কর্মী থাকত। সেখানে ২৪০০ জন মতো রয়েছে। পর্যাপ্ত পরিমাণে কর্মী নেই বলে অনেক লাইব্রেরি খোলা হয় না। একেকটি লাইব্রেরিতে বইয়ের উপর ধুলো জমে গিয়েছে। একজন লাইব্রেরিয়ান হয়তো ৭টি লাইব্রেরি যাচ্ছে, তাই তাঁকে তো দোষ দেওয়া যায় না। সেই কারণে যত তাড়াতাড়ি সম্ভব আমরা লাইব্রেরিয়ান দিতে পারি কিনা সেই বিষয়ে সরকার ভাবনাচিন্তা করছে”।
এদিন গৌরীশঙ্কর জানান, রাজ্যের লাইব্রেরিগুলিতে আমূল পরিবর্তন আনা হবে। গ্রন্থাগার থেকে সকল অপ্রয়োজনীয় বই সরিয়ে ফেলা হবে। যেসব বই পড়ে ছাত্র-যুবরা কোনও জ্ঞান অর্জন করতে পারবে না, সেগুলি আর রাখা হবে না।

গ্রন্থাগারমন্ত্রীর কথায়, যেসব বই পড়লে জ্ঞানের বিকাশ ঘটবে, ছাত্র-যুবদের ভবিষ্যৎ উজ্জ্বল হবে, জাতীয়তাবাদী চিন্তাধারার বিকাশ ঘটবে, সেই ধরনের বই গ্রন্থাগারগুলিতে থাকবে। এপাং ওপাং ঝপাং মার্কা সকল বই লাইব্রেরি থেকে সরিয়ে দেওয়া হবে বলে জানান তিনি।
গৌরীশঙ্কর বলেন, “মাননীয় মুখ্যমন্ত্রীর সঙ্গে এই বিষয়ে আমি কথা বলেছি। উনি বলেছেন, ভাল সিদ্ধান্ত। খুব তাড়াতাড়ি আমি নতুন বই আনব। আর ওইসব বই লাইব্রেরি থেকে বের করে ফেলে দেওয়া হবে”।













