বাংলা হান্ট ডেস্কঃ বকেয়া ডিএ নিয়ে চিন্তার মাঝেই অবশেষে নবান্নে পৌঁছেছে গুরুত্বপূর্ণ ফাইল। সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশ মেনে বকেয়া ডিএ মেটাচ্ছে রাজ্য সরকার। সম্প্রতি শিক্ষকদের বকেয়া ডিএ (Dearness Allowance) মেটাতে স্কুলশিক্ষা ও উচ্চশিক্ষা দফতরে চিঠি দিয়েছে অর্থ দফতর (Government of West Bengal Finance Department)। এবার শিক্ষাদপ্তর থেকে বকেয়া মহার্ঘ ভাতা সংক্রান্ত ফাইল গেল নবান্নে (Nabanna)। খুব শীঘ্রই রি সকল কর্মীদের জন্য ভালো খবর আসতে পারে বলে মনে করা হচ্ছে।
ঠিক কী পদ্ধতিতে শিক্ষক, শিক্ষাকর্মীদের ডিএ মেটানো হবে তা জানতে চেয়ে সম্প্রতি স্কুলশিক্ষা ও উচ্চশিক্ষা দফতরে চিঠি দেয়। ‘স্ট্যান্ডার্ড অপারেটিং প্রসিডিওর’ (এসওপি) জানানোর কথা বলা হয়েছিল আগেই। এরই মধ্যে এবার শিক্ষাদপ্তর থেকে বকেয়া মহার্ঘ ভাতা সংক্রান্ত ফাইল গেল নবান্নে (Nabanna)। প্রশাসনিক মহলের মতে, রাজ্যের অধ্যাপক, আধিকারিক, শিক্ষক ও শিক্ষাকর্মীদের ডিএ পাওয়ার প্রক্রিয়া এই পদক্ষেপে গতি পাবে।
বকেয়া মহার্ঘ ভাতা সংক্রান্ত ফাইল নবান্নে | Nabanna
সূত্রের খবর মঙ্গলবার অধ্যাপক, আধিকারিক, শিক্ষক ও শিক্ষাকর্মীদের ফাইল বিকাশ ভবন থেকে নবান্নে পাঠানো হয়েছে। স্কুলশিক্ষা দপ্তর এবং উচ্চশিক্ষা দপ্তর পৃথকভাবেই বকেয়া ডিএ-র হিসেব শুরু করেছিল। এক্ষেত্রে বিশ্ববিদ্যালয়গুলির কাছে অধ্যাপক এবং অন্যান্য কর্মীদের তথ্য গ্রহণ করা হয়। এবার নবান্নে ফাইল পাঠানো হয়েছে।
উল্লেখ্য, গত পয়লা এপ্রিল রাজ্যের শিক্ষক ও অশিক্ষক কর্মীদের মহার্ঘভাতা বা ডিএ কীভাবে দেওয়া হবে, সেই নিয়ে আলোচনায় গুরুত্বপূর্ণ বৈঠক করে রাজ্যের অর্থ দফতর। ২০০৮ সালের এপ্রিল থেকে ২০১৯ সালের ডিসেম্বর পর্যন্ত বকেয়া ডিএ ও ডিআর সংক্রান্ত তথ্য সংগ্রহের অগ্রগতি খতিয়ে দেখতে গুরুত্বপূর্ণ বৈঠক হয়।

আরও পড়ুন: ভ্যাপসা গরমের মাঝেই ঝেঁপে আসছে বৃষ্টি, রবিতে কোন কোন জেলা ভিজবে? আবহাওয়ার আগাম খবর
এরপর উচ্চশিক্ষা দফতর তরফে রাজ্যের সব সরকার পোষিত বিশ্ববিদ্যালয়ের কাছে কর্মরত শিক্ষক ও শিক্ষাকর্মীদের বিস্তারিত তথ্য চাওয়া হয়। পাশাপাশি অর্থ দফতর এসওপি জানতে চেয়েছিল। এসওপি ও তালিকা তৈরির কাজ চলছে। সমস্যা হচ্ছে বর্তমানে ভোটের আবহে রাজ্য জুড়ে বহু আধিকারিকেরা নির্বাচনের কাজে ব্যস্ত থাকার কারণে। পাশাপাশি রয়েছে নির্বাচনি আদর্শ আচরণবিধি। তবে যেহেতু সরকার আদালতের নির্দেশ মতোই ডিএ মেটাচ্ছে এক্ষেত্রে আচরণবিধি নিয়ে সমস্যা হবে না বলেই মত ওয়াকিবহাল মহলের।













