বাংলা হান্ট ডেস্ক:মাধ্যমিক (Madhyamik 2026) পরীক্ষার্থীদের টুকলিতে সাহায্য করা এবং উত্তর বলে দেওয়ার অভিযোগে এক শিক্ষককে সাসপেন্ড করল মধ্যশিক্ষা পর্ষদ। এটি মালদহের(Malda) মানিকচক ব্লকের মথুরাপুর বিএসএস উচ্চ বিদ্যালয়ের মাধ্যমিক পরীক্ষা কেন্দ্রের ঘটনা। শিক্ষকের নাম সানোয়ার আলী পারভেজ। তিনি মথুরাপুর বিএসএস উচ্চ বিদ্যালয়ে সহকারী শিক্ষক, শুধু তাই নয় তিনি একই সঙ্গে তৃণমূলের নেতা ও সাধারণ সম্পাদকও।
মাধ্যমিকে (Madhyamik 2026) উত্তর বলে দেওয়ার অভিযোগ তৃণমূল নেতা শিক্ষকের বিরুদ্ধে
৬ ফেব্রুয়ারি পরীক্ষার সময় তিনি একটি কাগজে উত্তর লিখে পরীক্ষার্থীদের নকল করতে সহযোগিতা করেন। সবথেকে আশ্চর্যের বিষয়, যেখানে তাঁর গার্ড দেওয়ার কথা ছিল, তিনি সেখানে গার্ড না দিয়ে পাশের রুমে চলে যান। টেবিলের উপর থেকে লুজ শিট নিয়ে প্রশ্ন দেখে উত্তর লিখে ফেলেন। কারণ ওই দিন ছিল তাঁর বিষয়-এরই পরীক্ষা।
তারপর সেই শিট দেখে তিনি পরীক্ষার্থীদের উত্তর বলতে শুরু করেন। তিনি প্রশ্ন ধরে ধরে উত্তর বলে দিতে থাকেন। এভাবেই গোটা পরীক্ষা চলছিল। গোটা বিষয়ের ছবি ভিডিও করেন স্কুলেরই কোনও এক কর্মী। সেটি পর্ষদের কাছে পৌঁছায় এবং কড়া পদক্ষেপ নেয় পর্ষদ। ওই অভিযুক্ত শিক্ষককে সাসপেন্ড করা হয়েছে। এই একই অভিযোগ উঠেছে আরও ৮ শিক্ষকের বিরুদ্ধে। তাদেরকেও সাসপেন্ড করা হয়েছে।
আরও পড়ুন:বেতন একলাফে ৫২,৩৮০ টাকা! ভোটের আগেই রাজ্য সরকারি কর্মীদের সপ্তম পে কমিশন নিয়ে ‘সুখবর’?
তদন্ত না হওয়া পর্যন্ত সাসপেন্ড থাকবে ওই শিক্ষক। এই ঘটনায় প্রধান শিক্ষক অতীন্দ্রনাথ দাস কিছু বলতে না চাইলেও তদন্ত হোক বলে তিনি জানিয়েছেন। এই অভিযুক্ত শিক্ষক মানিকচক ব্লক তৃণমূলের সাধারণ সম্পাদকের দায়িত্বে আছেন। বিজেপি ক্রমেই আক্রমণের সুর তীব্র করছে এই ঘটনা নিয়ে।
আরও পড়ুন:কলকাতায় পর পর অগ্নিকাণ্ড! আলিপুর ট্রেজারি বিল্ডিংয়ের পাঁচতলায় বিধ্বংসী আগুন

প্রধান শিক্ষক অতীন্দ্রনাথ দাস বলেন, ‘এই মুহূর্তে আমার পক্ষে কিছু বলা সম্ভব নয়, তদন্ত হচ্ছে’। বিজেপির মন্ডল সভাপতি সুভাষ যাদব বলেন, শিক্ষার বেহাল অবস্থা, বেকাররা চাকরি পাচ্ছে না, পড়াশোনার প্রতি ছেলেমেয়েদের অনীহা চলে এসেছে। এই সরকার শিক্ষাকে তলানিতে নিয়ে গেছে। এবার যা দেখলাম, সেই শিক্ষক যিনি আবার তৃণমূলের নেতা। কাগজে লিখে নকল করিয়ে দেওয়ার ব্যবস্থা করেছিলেন। ভেবেছিলেন তৃণমূল নেতা বলে যা করার তাই করব। পর্ষদ তাকে সাসপেন্ড করেছে।’












