৭ ফেব্রুয়ারিতে শেষ নয়, ভোটার তালিকা সংশোধনে বাড়তি সময় চাইল রাজ্য নির্বাচন দপ্তর

Published on:

Published on:

Follow

বাংলা হান্ট ডেস্কঃ ভোটার তালিকা সংশোধনের গুরুত্বপূর্ণ প্রক্রিয়া স্পেশাল ইন্টেন্সিভ রিভিশন (SIR) নিয়ে রাজ্যে কাজ এখনও পুরোপুরি শেষ হয়নি। নির্ধারিত সময়সীমার মধ্যে বহু জেলায় শুনানি ও নথি যাচাইয়ের কাজ শেষ করা সম্ভব হচ্ছে না বলে জানিয়েছে রাজ্য নির্বাচন দপ্তর। এই পরিস্থিতিতে সময়সীমা বাড়ানোর জন্য নির্বাচন কমিশনের কাছে আনুষ্ঠানিকভাবে আবেদন করেছেন রাজ্যের মুখ্য নির্বাচন কর্মকর্তা (CEO) মনোজ কুমার আগরওয়াল।

কমিশনের নির্ধারিত সূচি অনুযায়ী ৭ ফেব্রুয়ারির মধ্যেই সমস্ত শুনানি ও সংশ্লিষ্ট কাজ (SIR) শেষ করার কথা ছিল। কিন্তু বাস্তবে দেখা যাচ্ছে, রাজ্যের বেশ কিছু বিধানসভা কেন্দ্র ও জেলায় এই কাজ নির্ধারিত সময়ের মধ্যে শেষ করা সম্ভব হচ্ছে না। অতিরিক্ত চাপ, নথি যাচাইয়ের জটিলতা এবং মাঠপর্যায়ের কাজের কারণে প্রক্রিয়া ধীরগতিতে চলছে বলে জানিয়েছে রাজ্য নির্বাচন দপ্তর। বিশেষ করে মালদা, দক্ষিণ ২৪ পরগনা এবং কলকাতা উত্তর অংশের মতো এলাকায় শুনানি প্রক্রিয়া সময়মতো শেষ করা কঠিন হয়ে পড়েছে। বহু আবেদন এখনও যাচাই-বাছাইয়ের পর্যায়ে রয়েছে। ফলে নির্ধারিত সময়সীমার মধ্যে সব কাজ সম্পন্ন করা কার্যত অসম্ভব হয়ে উঠেছে।

১৪ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত বাড়ানো হল এসআইআর (SIR) শুনানির সময়

মনোজ আগরওয়ালের এই আবেদনের মূল লক্ষ্য হল ভোটাররা যাতে নিজেদের নাম সংযোজন, সংশোধন বা বাদ দেওয়ার জন্য পর্যাপ্ত সুযোগ পান। সময় বাড়ানো হলে ফর্ম জমা দেওয়া, অভিযোগ দাখিল এবং প্রয়োজনীয় নথি আপলোডের মতো গুরুত্বপূর্ণ কাজগুলো আরও ভালোভাবে সম্পন্ন করা সম্ভব হবে বলে মনে করছে নির্বাচন দফতর।

নির্বাচন কমিশনের পরিকল্পনা অনুযায়ী ১৪ ফেব্রুয়ারি চূড়ান্ত ভোটার তালিকা প্রকাশের কথা রয়েছে। তবে শুনানির সময়সীমা বাড়ানো হলে আরও বেশি সংখ্যক ভোটারের আবেদন গ্রহণ করা যাবে এবং তালিকাকে আরও নিখুঁত করা সম্ভব হবে।

CEO Manoj Agarwal Meets Agitating BLOs After 30 Hour Protest

আরও পড়ুনঃ যুবসাথী চালু হলে কি বন্ধ হয়ে যাবে রাজ্য সরকারের যুবশ্রী প্রকল্প? জানালেন মমতার মন্ত্রী

যদিও কমিশন আশা করেছিল যে ৭ ফেব্রুয়ারির মধ্যেই প্রায় সমস্ত কাজ (SIR) শেষ হয়ে যাবে, বাস্তব পরিস্থিতি বিবেচনা করে রাজ্যের পক্ষ থেকে সময়সীমা বৃদ্ধির অনুরোধ জানানো হয়েছে। এখন পর্যন্ত নির্বাচন কমিশন এই বিষয়ে চূড়ান্ত কোনও সিদ্ধান্ত জানায়নি। কমিশনের আনুষ্ঠানিক ঘোষণার দিকেই তাকিয়ে রয়েছে রাজ্য নির্বাচন দপ্তর ও সাধারণ ভোটাররা।