বাংলা হান্ট ডেস্কঃ এখনও জট আটকে বকেয়া ডিএ (Dearness Allowance) মামলার। পঞ্চম পে কমিশনের রাজ্য সরকারি কর্মীদের বকেয়া মহার্ঘ ভাতা মামলার শেষ শুনানিতে আট সপ্তাহ পরে মামলার পরবর্তী শুনানি হবে বলে জানিয়েছিল শীর্ষ আদালত। যাতে পুজোর আগে কিছুটা হলেও বকেয়া মিটিয়ে দেওয়া হয়, বারংবার সেই দাবি তুলছেন গ্রান্ট ইন এইড-রা। কবে হচ্ছে পরবর্তী শুনানির তারিখ? পুজোর আগেই কী বকেয়া মহার্ঘ ভাতা নিয়ে সমস্ত সমস্যার সমাধান হবে?
DA মামলার পরবর্তী শুনানি সংক্রান্ত আপডেট | Dearness Allowance
অগাস্ট মাসে মামলার শেষ শুনানিতে সর্বোচ্চ জানিয়ে দেয় পশ্চিমবঙ্গ সরকারের কর্মচারীদের বকেয়া ডিএ সংক্রান্ত সব অভিযোগ শুনবে সুপ্রিম কোর্ট নিযুক্ত অবসরপ্রাপ্ত বিচারপতি ইন্দু মালহোত্রার নেতৃত্বাধীন উচ্চ পর্যায়ের কমিটি৷ ৮ সপ্তাহের মধ্যে মনিটরিং কমিটি যে পরিপূরক রিপোর্ট দেবে, তার ওপর নির্ভর করে আদালত পরবর্তী সিদ্ধান্ত নেবে।
বকেয়া ডিএ মামলাটি ফের সুপ্রিম কোর্টে শুনানির জন্য উঠবে আগামী ২৭শে অক্টোবর ২০২৬ তারিখে। অর্থাৎ দুর্গাপুজোর পর। তবে ততদিনে বেঞ্চে বদল আসবে। নতুন বেঞ্চ তৈরি হবে, সেই বেঞ্চের কাছে এই মামলা যাবে। কারণ মামলা যেই স্পেশাল বেঞ্চে চলছিল তার বর্তমান সদস্য বিচারপতি সঞ্জয় ক্যারল গত মাসেই অবসর নিয়েছেন। সেই কারণে এরপর নয়া বেঞ্চে উঠবে ডিএ মামলা।
মাননীয় বিচারপতি সঞ্জয় ক্যারল এবং মাননীয় বিচারপতি প্রশান্ত কুমার মিশ্রর স্পেশাল বেঞ্চে এতদিন ডিএ মামলার শুনানি হয়েছে। এবারে তা নয়া বেঞ্চে। উল্লেখ্য, রাজ্য সরকারি কর্মীদের ডিএ মেটানোর প্রক্রিয়া নিয়ে আলোচনা করতে, বকেয়া কত কিস্তিতে কীভাবে মেটানো হবে, এসব বিষয়ে সিদ্ধান্ত নিতে সুপ্রিম কোর্ট দ্বারা গঠিত বিশেষ মনিটরিং কমিটি কমিটিতে কর্মচারী ইউনিয়নের ১০জনকে অনুমোদন দিয়েছে সুপ্রিম কোর্ট।
আরও পড়ুন: এখনই শেষ নয়! দক্ষিণবঙ্গে ফের বৃষ্টি বৃহস্পতিবার থেকে, সতর্কতা জারি জেলায় জেলায়
মনিটরিং কমিটির চেয়ারপার্সন এবং এই কর্মচারীদের প্রতিনিধিরা বৈঠকে বসবে। আগামী আট সপ্তাহ পরে সুপ্রিম কোর্টে রিপোর্ট জমা দেওয়া হবে। সেই পরিপূরক রিপোর্টের ওপর নির্ভর করবে আদালতের পরবর্তী সিদ্ধান্ত। এদিকে সেই বৈঠকের দিনক্ষণ পিছিয়ে যাওয়ায় রিপোর্ট পেশে বিলম্ব হতে পারে বলে আশঙ্কা করছেন সরকারি কর্মীরা।

প্রসঙ্গত, বকেয়া ডিএ (Dearness Allowance) সংক্রান্ত যে বৈঠক দিল্লিতে হওয়ার কথা ছিল, তা বাতিল হয়ে যায় সম্প্রতি। ১২ সেপ্টেম্বর বৈঠকটি না হওয়ায় রাজ্য অর্থদপ্তর তরফে চিঠি দিয়ে জানানো হয়েছিল বিশেষ কারণে বৈঠকটি হচ্ছে। শেষমুহূর্তে এভাবে বৈঠক বাতিল হওয়ায় ক্ষোভপ্রকাশ করেছেন সরকারি কর্মচারীরা।













