বাংলা হান্ট ডেস্কঃ মাসের পর মাস পেরিয়ে যাচ্ছে। জানুয়ারি মাসও শেষ। তবে এখনও ডিএ মামলার রায়দান হল না। গত ৮ সেপ্টেম্বর রাজ্যের সরকারি কর্মীদের মহার্ঘ ভাতা বা ডিএ মামলার (Dearness Allowance) চূড়ান্ত শুনানি সমাপ্ত হয় সুপ্রিম কোর্টে। তারপর থেকে রায়দানের অপেক্ষায় সরকারি কর্মীরা (State Government Employees)। প্রায় চার মাস অতিক্রান্ত হতে চললেও মামলার রায় সামনে না আশায় হতাশা বাড়ছে সরকারি কর্মীদের মধ্যে। তবে এরই মধ্যে আশার আলো।
ডিএ মামলার রায়দান কবে? Dearness Allowance
এই বিষয়ে রাজ্য সরকারি কর্মচারীদের সংগঠন ইউনিটি ফোরামের আহ্বায়ক দেবপ্রসাদ হালদার জানালেন, বকেয়া ডিএ মামলার রায় কবে, সেই খোঁজ নিতে তিঁনি সুপ্রিম কোর্টে গেছেন। তিঁনি বলেন, ‘ইউনিটি ফোরামের আইনজীবী করুণা নন্দী জানিয়েছেন খুব শীঘ্রই জাজমেন্ট ডেলিভারি হবে।’
যদিও খুব শীঘ্রই বলতে ঠিক কবে বা কতদিনের মধ্যে রায় ঘোষণা হবে, সে বিষয়ে কোনো মন্তব্য করেননি দেবপ্রসাদবাবু। সাধারণত সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশিকা অনুযায়ী, শুনানি শেষ হওয়ার তিন মাসের মধ্যে রায়দান হয়ে যাওয়ার কথা। এক্ষেত্রে তা না হওয়ায় অনেকের মনে প্রশ্ন উঠছে। আদালতের ভূমিকা নিয়েও প্রশ্ন তুলতে শুরু করেছে কর্মচারীমহল।
সুপ্রিম কোর্টের উপর আস্থা থাকলেও রায়দান এখনও না হওয়ায় সবমিলিয়ে হতাশা বাড়ছে সরকারি কর্মীদের (Government Employees) মধ্যে। সম্প্রতি এই রায়দানের বিষয়ে কনফেডারেশন অফ স্টেট গভর্মেন্ট এমপ্লয়স-এর সাধারণ সম্পাদক মলয় মুখোপাধ্যায় বলেন, “আইনজীবী বিকাশ রঞ্জন ভট্টাচার্য (Bikash Ranjan Bhattacharya) বলেছেন, সাধারণত একটা রিজার্ভ মামলা তিনমাসের মধ্যেই রায় ঘোষণা করার কথা। এখন বিচারকদের ব্যাপার, তাঁরা যদি বলেন আরও বেশি সময় লাগবে তো লাগবে। আমরা কিছু বলতে পারবো না।”

আরও পড়ুন: নিপা নিয়ে সতর্কতা জারি রাজ্যে, পরিস্থিতির উপর কড়া নজর, কী বার্তা দিল WHO?
আবার কনফেডারেশন অফ স্টেট গভর্নমেন্ট এমপ্লয়িজের আইনজীবী ফিরদৌস শামিম সম্প্রতি দাবি করেন, কবে বকেয়া ডিএ মামলার রায়দান করা হবে, তা নিয়ে প্রতিদিন, প্রতি মুহূর্তে প্রশ্ন করা হলেও উত্তর জানা নেই। ঠিক কোন সময় ডিএ মামলার রায়দান করা হবে, তা রাজ্য সরকারি কর্মচারী সমাজের কারওই জানা নেই বলে মন্তব্য করেন তিঁনি। আইনজীবী বলেন, এটা পুরোপুরি সুপ্রিম কোর্টের হাতে রয়েছে। সবমিলিয়ে মামলার রায়দান কবে হবে তা নিয়ে সংশয়ে সরকারি কর্মীরা।













