বাংলা হান্ট ডেস্কঃ চূড়ান্ত রায়দানের পরও চর্চায় রাজ্য সরকারি কর্মচারীদের (Government Employees) ডিএ মামলা (Dearness Allowance)। সুপ্রিম কোর্টে জয় মিলেছে ঠিকই কিন্তু ডিএ নিয়ে এখনও নীরব সরকার। ইতিমধ্যেই রাজ্য সরকারের বিরুদ্ধে আদালত অবমাননার মামলা দায়ের করেছে সংগ্রামী যৌথ মঞ্চ (Sangrami Joutha Mancha)। এবার লড়াই আরও জোরদার করতে মাঠে নামছেন সরকারি কর্মীরা।
রাজ্য সরকারের উপর জোড়া চাপ বাড়াতে সংগ্রামী যৌথ মঞ্চের তরফে সরাসরি প্রশাসনিক প্রধানের বাসভবন অর্থাৎ কালীঘাট অভিযানের ডাক দেওয়া হয়েছে। রাস্তায় নেমে আন্দোলনের ঝাঁঝ বাড়াতে চাইছে সংগঠন। আগামী ২৬ ফেব্রুয়ারি দুপুর ১২:৩০ মিনিট হতে ‘কালীঘাট চলো’ অভিযানের ডাক দিয়েছে যৌথ মঞ্চ।
বকেয়া ডিএ ইস্যুতে আরও চাপে রাজ্য | Dearness Allowance
উল্লেখ্য, গত ১৯ ফেব্রুয়ারি সুপ্রিম কোর্টে ‘কনটেম্পট অফ কোর্ট’ বা আদালত অবমাননার পিটিশন দাখিল করা হয়েছে সংগ্রামী যৌথ মঞ্চের তরফে। এবার অবিলম্বে সুপ্রিম কোর্টের রায় মেনে বকেয়া ডিএ প্রদান করা সহ রাজ্য সরকারের বিভিন্ন দপ্তরে দীর্ঘ দিন ধরে কাজ করা যোগ্য অনিয়মিত কর্মীদের স্থায়ীকরণ এবং শূন্যপদ পূরণের দাবিতে তারা পথে নামবেন। তাঁদের দাবি, রাজ্যে প্রায় ৬ লক্ষ শূন্যপদে স্বচ্ছতার সঙ্গে স্থায়ী নিয়োগ করতে হবে।
আরও পড়ুন: ভুয়ো বোমা মেলের পর বড় আশ্বাস! সব বিচারকের নিরাপত্তা নিশ্চিত করবে রাজ্য, আশ্বাস নবান্নের
সংগঠনের কথায়, সুপ্রিম কোর্ট রায় দানের পর এত গুলো দিন কেটে গেলেও সরকার কোনো উচ্চবাচ্য না করায় এবার সরাসরি মুখ্যমন্ত্রীর পাড়ায় গিয়ে নিজেদের দাবি জানানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছেন তারা। সম্প্রতি বকেয়া ডিএ ইস্যুতে রাজ্য সরকারের বিরুদ্ধে ক্ষোভ উগরে দিয়ে যৌথ মঞ্চের আহ্বায়ক ভাস্কর ঘোষ বলেছিলেন, ‘আমরা আদালত অবমাননার মামলা করেছি। এই মামলা হয়তো তাড়াতাড়ি উঠবে এবং আইনি দিক থেকে যেভাবে চেপে ধরা সেই চেপে ধরার কাজ হবে। আগামীদিনে বৃহত্তর কর্মচারী ঐক্য এই দাবিতে পথে নামবে। সেই বিষয়েও আমরা খুব তাড়াতাড়ি ঘোষণা করব। অর্থাৎ চারিদিক থেকে রাজ্য সরকারকে আমরা চেপে ধরার চেষ্টা করছি।’

আরও পড়ুন: বাজার থেকে কিনে আনা পনিরের স্বাদ আর গুণ বজায় রাখতে ফ্রিজে রাখার সঠিক পদ্ধতি জানুন
উল্লেখ্য, বকেয়া ডিএ মামলার চূড়ান্ত রায়দান করে সুপ্রিম কোর্ট স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছিল রাজ্য সরকারি কর্মচারীদের বকেয়ার ১০০ শতাংশই মেটাতে হবে। ডিএ–র ২৫ শতাংশ অবিলম্বে মিটিয়ে দিতে হবে। বাকিটা কীভাবে মেটানো হবে তা নিয়ে সিদ্ধান্ত নিতে হবে আগামী ৬ই মার্চের মধ্যে। তবে এরই মধ্যে ডিএ নিয়ে মুখ্যসচিব ও অর্থসচিবকে দেওয়া আইনি নোটিসের উত্তর না মেলায় ফের একবার সুপ্রিম কোর্টে গিয়েছেন সরকারি কর্মীরা।












