বাংলা হান্ট ডেস্কঃ ফের ডিএ মামলা (Dearness Allowance) সুপ্রিম কোর্টে (Supreme Court)। আদালতে রাজ্য সরকার জানাল, ইতিমধ্যেই প্রথম দফায় সরকারি কর্মীদের বকেয়া ডিএ বাবদ ৬০০০ হাজার কোটি টাকা প্রদান করেছে রাজ্য। বাকি ডিএ মেটাতে এদিন সর্বোচ্চ আদালতের কাছে কিছুটা সময় চায় রাজ্য। তাতে সম্মতি মিলেছে। ফলত আপাতত স্বস্তিতে রাজ্য সরকার (Government Of West Bengal)।
ডিএ মামলার শুনানি ভোটের ফলাফলের পর | Dearness Allowance
সুপ্রিম কোর্টে পিছিয়ে গিয়েছে মহার্ঘ ভাতা সংক্রান্ত মামলার শুনানি। জানা যাচ্ছে পরবর্তী শুনানি ৬ মে। বাংলার বিধানসভা নির্বাচনের ফলপ্রকাশ ৪ মে। অর্থাৎ সুপ্রিম কোর্টে ফের ডিএ মামলা উঠবে একেবারে ফলাফল সামনে আসার পর। এদিন সুপ্রিম কোর্টে রাজ্য জানায় ডিএ ইস্যুতে অবসরপ্রাপ্ত বিচারপতি ইন্দু মালহোত্রার নেতৃত্বাধীন কমিটি সমস্ত সুপারিশ মানবে রাজ্য।
রাজ্য সরকার আদালতে জানায়, তাঁদের কাছে যে পরিমাণ কর্মীদের তালিকা ও হিসেব ছিল তাঁদের বকেয়া টাকা ইতিমধ্যেই মেটানো হয়েছে। বকেয়া বাবদ খরচ হয়েছে ৬০০০ কোটি টাকা। রাজ্যের আইনজীবী কপিল সিব্বল জানান কেন্দ্রের গঠন করা কমিটির সুপারিশ মতোই রাজ্য কাজ করছে।
আদালতে আইনজীবী বলেন, কেন্দ্রের কমিটি পরবর্তী রিপোর্ট এপ্রিলের শেষভাগে পেশ করবে। সেই সময় পর্যন্ত ডিএ মামলা মুলতুবি করা হোক। রাজ্যের আবেদনে সাড়া দিয়েছে সুপ্রিম কোর্ট। ফের একবার পিছল সুপ্রিম শুনানি।
উল্লেখ্য, গত ৫ ফেব্রুয়ারী পঞ্চম পে কমিশনের বকেয়া ডিএ মামলায় সুপ্রিম কোর্ট ২৫ শতাংশ মিটিয়ে দিতে বলেছিল চলতি অর্থবর্ষ শেষ হওয়ার আগে, ৩১ মার্চের মধ্যে। প্রথম কিস্তি ৬ মার্চের মধ্যে দিতে হবে বলে নির্দেশ ছিল। একইসাথে গোটা প্রক্রিয়াটি কতটা কার্যকর হল সেই নিয়ে ‘কমপ্লায়েন্স রিপোর্ট’ ১৫ এপ্রিলের মধ্যে রাজ্যকে সুপ্রিম কোর্টে জমা দিতে হবে বলা হয়েছিল।
পাশাপাশি বকেয়া ডিএ দেওয়ার বিষয়ে নতুন কমিটি গঠনের সিদ্ধান্ত নেয় সুপ্রিম কোর্ট। অবসরপ্রাপ্ত বিচারপতির নেতৃত্বে তিন সদস্যের কমিটি গঠন করা হয়। সুপ্রিম নির্দেশ ছিল, ২৫ শতাংশ দেওয়ার পরেও বাকি ৭৫% বকেয়া ডিএ-র কীভাবে, কত কিস্তিতে দেওয়া হবে, সেই সিদ্ধান্ত নেবে ওই চার সদস্যের কমিটি।

আরও পড়ুন: পোলাওয়ের সঙ্গে কী বানাবেন ভাবছেন? ভেটকি কোর্মাই হতে পারে পারফেক্ট ডিশ, রেসিপি রইল
নির্দেশ ছিল ওই ৭৫ শতাংশেরও প্রথম কিস্তির অর্থ ৩১ মার্চের মধ্যে দিতে হবে। সেই সময়সীমা বৃদ্ধির আবেদন জানিয়েই সর্বোচ্চ আদালতের দ্বারস্থ হয় রাজ্য। এই সময়সীমা চলতি বছরের ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত বৃদ্ধি করার জন্য আবেদন জানায় রাজ্য সরকার। বুধবার রাজ্যের সেই আবেদনের প্রেক্ষিতেই সুপ্রিম শুনানির কথা ছিল। তবে রাজ্যের আবেদনে এদিন শুনানি পিছিয়ে গিয়েছে।












