পুরনো আঘাতের চিহ্ন সামনে এনে বড় বার্তা, কী লিখলেন অভিষেক?

Published on:

Published on:

What Abhishek Banerjee is trying to convey by his recent post
Follow

বাংলা হান্ট ডেস্ক : সোশ্যাল মিডিয়ায় একটি ছবি পোস্ট করে ফের সমলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় (Abhishek Banerjee)। বিদেশে থাকাকালীন নিজের চোখের একটি ক্লোজ-আপ ছবি সমাজমাধ্যমে প্রকাশ করেছেন তিনি। ছবিতে বাঁ চোখের নীচে থাকা গভীর দাগটি বেশ স্পষ্ট। কিন্তু ছবির থেকেও বেশি নজর কেড়েছে তার সঙ্গে লেখা ক্যাপশন।

কী লিখেছেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় (Abhishek Banerjee) ?

জীবনের কঠিন সময়, পাওয়া আঘাত এবং সেই পরিস্থিতি পেরিয়ে সামনে এগিয়ে যাওয়ার মানসিকতার কথা, ইংরেজিতে ক্যাপশনে লিখেছেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। সেই ক্যাপশনের অর্থ, “আমার মুখের এই দাগ প্রমাণ করে আমি এক কঠিন সময়ের মধ্য দিয়ে গিয়েছি। কিন্তু আমার চোখ বলছে, লড়াইয়ে আমি হার মানিনি—আমি এগিয়ে যেতে প্রস্তুত, অনেক কিছু করা এখনও বাকি।”

অভিষেকের এই পোস্ট প্রকাশ্যে আসতেই রাজনৈতিক মহলে শুরু হয়েছে চর্চা। চোখের নীচের দাগটি তাঁর পুরনো দুর্ঘটনা ও পরবর্তী অস্ত্রোপচারের স্মৃতি বহন করছে, তা স্পষ্ট। সেই শারীরিক ক্ষতের ছবিকে সামনে এনে এবার তিনি নিজের জীবনের প্রতিকূল সময়ের সঙ্গে বর্তমান অবস্থার একটি যোগসূত্র তৈরি করেছেন বলেই মনে করছেন অনেকে।

তাঁর পোস্টের তাৎপর্য নিয়ে রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকদের মধ্যেও আলোচনা শুরু হয়েছে। তাঁদের একাংশের মতে, বার্তাটির মধ্যে অতীতের অভিজ্ঞতার পাশাপাশি ভবিষ্যৎ নিয়ে আত্মবিশ্বাসের ইঙ্গিত রয়েছে। তবে অভিষেক নিজে তাঁর পোস্টে কোনও নির্দিষ্ট রাজনৈতিক কর্মসূচি বা ঘটনার উল্লেখ করেননি।

What Abhishek Banerjee is trying to convey by his recent post

আরও পড়ুন : পুজোর সময়েও মিলছে না বেতন, পুরসভায় বিক্ষোভ অস্থায়ী কর্মীদের…

বর্তমান সময়ে রাজ্যের রাজনৈতিক পরিবেশ যথেষ্ট সরগরম। দলীয় রাজনীতি ইস্যুতে টানাপোড়েনের মধ্যেই বিদেশ থেকে অভিষেকের এই ছবি প্রকাশ্যে এসেছে। ফলে নিছক ব্যক্তিগত মুহূর্তের পোস্ট হিসেবেই বিষয়টিকে দেখছেন না অনেকেই। বিশেষ করে ‘কঠিন সময় পেরিয়ে সামনে এগিয়ে যাওয়া’ এবং ‘আরও অনেক কাজ বাকি’—এই বার্তাই নতুন করে কৌতূহল তৈরি করেছে। অতীতের আঘাত তাঁকে থামাতে পারেনি—এমন আত্মবিশ্বাসই তাঁর পোস্টে ফুটে উঠেছে বলে মনে করছেন তাঁর অনুগামীরা। আগামী দিনে এই বার্তার কোনও রাজনৈতিক তাৎপর্য সামনে আসে কি না, এখন সেদিকেই নজর থাকবে।