বাংলা হান্ট ডেস্কঃ আয়ুষ্মান ভারত যোজনার (Ayushman Bharat Yojana) অধীন উপভোক্তাদের বছরে ৫ লক্ষ টাকার বিনামূল্যে ও ক্যাশলেস চিকিৎসার সুবিধা দেওয়া হয়। এই কভারেজ সম্পূর্ণ পরিবারের জন্য বরাদ্দ থাকে। এবার কোনও পরিবারের যদি একটি নির্দিষ্ট অর্থবর্ষে ৫ লক্ষের সীমা পেরিয়ে যায়, তাহলে কি এই প্রকল্পের (Central Government) সুবিধা বন্ধ হয়ে যাবে? এক্ষেত্রে নিয়ম কী বলছে জেনে নিন।
আয়ুষ্মান ভারত যোজনার গুরুত্বপূর্ণ নিয়ম | (Ayushman Bharat Yojana)
আয়ুষ্মান ভারত যোজনার নিয়ম অনুযায়ী, প্রত্যেকটি পরিবার বছরে ৫ লক্ষ টাকার স্বাস্থ্যবিমা কভারেজ পায়। এবার কোনও পরিবারের যদি একটি নির্দিষ্ট অর্থবর্ষে এক বা একাধিক সদস্যের চিকিৎসা করাতে গিয়ে এই সীমা পেরিয়ে যায়, তাহলে সেই অর্থবর্ষের বাকি সময়ের জন্য এই প্রকল্পের মাধ্যমে বিনামূল্যে চিকিৎসার সুবিধা বন্ধ হয়ে যাবে।

যদিও এই ৫ লক্ষ টাকার সীমা স্থায়ী নয়। নতুন অর্থবর্ষ শুরু হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে এটি নিজে থেকেই পুনরায় কার্যকর তথা রিসেট হয়ে যায়। অর্থাৎ ফের আয়ুষ্মান ভারত যোজনার অধীন বিনামূল্যে ও ক্যাশলেস চিকিৎসার সুবিধা পাওয়া যায়।
আরও পড়ুনঃ তারাপীঠ থানার বিরাট সাফল্য! কান্দি থেকে উদ্ধার চুরি যাওয়া মোটরবাইক, গ্রেফতার ১
কোনও পরিবারের যদি আয়ুষ্মান ভারত যোজনার ৫ লক্ষ টাকার সীমা শেষ হয়ে যায় ও রোগীর আরও জরুরি চিকিৎসা ও অস্ত্রোপচারের দরকার থাকে, তাহলে অঙ্গ প্রতিস্থাপন, ক্যানসার, হৃদরোগের মতো গুরুতর শারীরিক অবস্থার ক্ষেত্রে রাজ্য স্বাস্থ্য সংস্থা বা জেলা স্বাস্থ্য বিভাগের থেকে বিশেষ অনুমতির আবেদন জানানো যেতে পারে। সিএমও পর্যায়ে আলোচনার পর সরকারের তরফে অতিরিক্ত সহায়তা মঞ্জুর করা হতে পারে।
পাশাপাশি আয়ুষ্মান কার্ডের সীমা ফুরিয়ে গেলে উপভোক্তারা রাষ্ট্রীয় আরোগ্য নিধি থেকে আর্থিক সহায়তার জন্য আবেদন করতে পারেন। পাশাপাশি সংশ্লিষ্ট রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী ত্রাণ তহবিল থেকেও আবেদন জানানো যেতে পারে।
আয়ুষ্মান ভারত যোজনার ৫ লক্ষ টাকার ব্যালেন্স যতদিন রয়েছে, ততদিন যতবার ইচ্ছা রেজিস্টার্ড হাসপাতালে ভর্তি হয়ে চিকিৎসা করাতে পারেন উপভোক্তারা। কেউ চাইলে হাসপাতালে আয়ুষ্মান হেল্পডেস্কে গিয়ে কার্ডের ব্যালেন্স চেক করে নিতে পারেন।
বাংলায় বিজেপি ক্ষমতায় আসার পর এখানে আয়ুষ্মান ভারত প্রধানমন্ত্রী জন আরোগ্য যোজনা তথা আয়ুষ্মান ভারত যোজনা চালু হয়েছে। এখনও অবধি এই প্রকল্পের অধীন মোট ২৯১ কোটি টাকার চিকিৎসা পেয়েছেন রাজ্যের মানুষ। সম্পূর্ণ চিকিৎসা পরিষেবা পেয়েছেন বা চিকিৎসাধীন হয়েছেন প্রায় ১ লক্ষ ৮০ হাজার জন।












