আর নয় বেশি অপেক্ষা! আমেরিকা-চিনকে টেক্কা দিয়ে কবে বিশ্বের বৃহত্তম অর্থনীতিতে পরিণত হবে ভারত?

Published on:

Published on:

When will India become the world's largest economy?
Follow

বাংলা হান্ট ডেস্ক: সাম্প্রতিক সময়ে ভারতের (India) অর্থনীতি ক্রমশ এগিয়ে চলেছে। শুধু তাই নয়, ভারত বিশ্বের দ্রুততম বর্ধনশীল অর্থনীতি হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে। এমতাবস্থায় আমেরিকার কার্লাইল গ্রুপের কো-ফাউন্ডার ডেভিড রুবেনস্টাইন বিশ্বাস করেন যে, ভারত কয়েক দশকের মধ্যেই আমেরিকা এবং চিনকে টেক্কা দিয়ে বিশ্বের বৃহত্তম অর্থনীতিতে পরিণত হতে পারে। জানিয়ে রাখি যে, বর্তমানে বিশ্বের বৃহত্তম অর্থনীতির অধিকারী হল আমেরিকা। তারপরেই এই তালিকায় রয়েছে চিন। সুইজারল্যান্ডের দাভোসে চলমান বিশ্ব অর্থনৈতিক ফোরামে ET-র সঙ্গে একান্ত সাক্ষাৎকারে ডেভিড রুবেনস্টাইন এই বিষয়ে প্রতিক্রিয়া দিয়েছেন।

ভারতের (India) অর্থনীতির প্রসঙ্গে কী জানিয়েছেন ডেভিড রুবেনস্টাইন?

তাঁর মতে, ‘আমি মনে করি ভারত আগামী ২০-৩০ বছরের মধ্যে বিশ্বের বৃহত্তম অর্থনীতিতে পরিণত হতে পারে’। তিনি আরও বলেন, ‘মার্কিন-ভারত সম্পর্ক নিয়ে কোনও উদ্বেগ নেই। রাষ্ট্রপতি ট্রাম্প সাধারণত ভারতের সঙ্গে আমেরিকার সম্পর্ক প্রসঙ্গে অত্যন্ত ইতিবাচক। তিনি তার খুব ঘনিষ্ঠ সহযোগীদের একজনকে রাষ্ট্রদূত হিসেবে পাঠিয়েছেন।’

When will India become the world's largest economy?
ডেভিড রুবেনস্টাইন

কেমন হওয়া উচিত নীতি: তিনি ভারতীয় নীতিনির্ধারকদের বিশ্বব্যাপী প্রাইভেট ক্রেডিট থেকে শুরু করে, প্রাইভেট ইকুইটি (PE) এবং প্রাইভেট ইনভেস্টমেন্টকে পশ্চিমী ধাঁচের বিনিয়োগ হিসেবে বিবেচনা না করার আহ্বান জানান। ডেভিড রুবেনস্টাইন বলেন, যখন PE এবং প্রাইভেট ক্রেডিট বাজারগুলি বিকশিত হতে দেওয়া হবে, তখন ভালো পুঁজিপ্রাপ্ত ভারতীয় উদ্যোক্তারাও এই সেক্টরে আসবেন। এই ধরণের নীতিগুলি সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের অনেককে ভারতে থাকতে উৎসাহিত করবে।

রুবেনস্টাইন জানান যে, প্রাইভেট ইকুইটি (PE) বলতে বোঝায় কোম্পানিগুলি তাদের অর্থ এমন কোম্পানিতে বিনিয়োগ করে যেগুলি এখনও স্টক মার্কেটে তালিকাভুক্ত নয়। প্রাইভেট ক্রেডিটের অর্থ হল কোম্পানিগুলি ব্যাঙ্কের মাধ্যমে নয় বরং সরাসরি ঋণ দেয়। এগুলি নতুন বিনিয়োগ পদ্ধতি। উল্লেখ্য যে, ভারতে, কার্লাইল গ্রুপ বিভিন্ন ক্ষেত্রের কোম্পানিগুলিতে ৮ বিলিয়ন ডলারেরও বেশি বিনিয়োগ করেছে।

আরও পড়ুন: বারংবার একই ভুল! T20 বিশ্বকাপের আগে সামনে আসছে টিম ইন্ডিয়ার সবথেকে বড় দুর্বলতা

চিন-মার্কিন সম্পর্ক: তিনি আরও উল্লেখ করেন যে ট্রাম্পের চিন নীতির লক্ষ্য চিনের ক্ষতি করা নয়, বরং বাণিজ্য ভারসাম্যহীনতা সংশোধন করা।’ তাঁর মতে, ‘যখন চিন বুঝতে পারল যে আমেরিকার সঙ্গে কিছু চ্যালেঞ্জ রয়েছে, তখন তারা অন্যান্য বাজারে পণ্য বিক্রি শুরু করে। এমতাবস্থায়, তাদের বার্ষিক উদ্বৃত্ত এক ট্রিলিয়ন ডলারেরও বেশি। আর এর কারণ হল তারা অন্যত্র তাদের বিক্রি বাড়িয়েছে।’

আরও পড়ুন: মোক্ষম ঝটকা পাবে বাংলাদেশ! ভারতের এই পদক্ষেপে সরাসরি প্রভাবিত হবে পড়শি দেশের অর্থনীতি

এদিকে, রুবেনস্টাইনের মতে, রাশিয়া-ইউক্রেন ইস্যুর মতো ট্রাম্পের কাছে চিন এত বড় ইস্যু নয়। তিনি বলেন, “ট্রাম্প মনে করেন প্রেসিডেন্ট শি জিনপিংয়ের সঙ্গে তাঁর ভালো সম্পর্ক রয়েছে এবং তাবটা এই বছর কমপক্ষে ২ বার দেখা করবেন। হয়তো তাঁরা একটা সিদ্ধান্তে আসতে পারেন।’