e-KYC না করা থাকলে বন্ধ হতে পারে বিনামূল্যে রেশন! কীভাবে করতে হয়, কী কী নথি দরকার জানুন

Published on:

Published on:

Which documents needed for ration card e-KYC process explained
Follow

বাংলা হান্ট ডেস্কঃ রেশন (Ration) ব্যবস্থার উপর নির্ভরশীল রাজ্যের হাজার হাজার পরিবার। অতীতে এই রেশন নিয়েই দুর্নীতির অভিযোগ সামনে এসেছিল। এবার সেটা আটকাতে কড়াকড়ির পথে রাজ্য সরকার। সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে, ই-কেওয়াইসি না করা থাকলে রেশন পাওয়া যাবে না। এই পরিস্থিতিতে অনেকের প্রশ্ন, রেশন কার্ডে (Ration Card) ই-কেওয়াইসি কীভাবে করাতে হয়, এর জন্য কোথায় যেতে হবে, কী কী নথি দরকার।

রেশন কার্ডের ই-কেওয়াইসি নিয়ে জরুরি আপডেট | (Ration Card)

সরকারের দাবি, বর্তমানে অনেক ডুপ্লিকেট অথবা ভুয়ো রেশন কার্ড রয়েছে। সেগুলি ব্যবহার করে রেশন তোলা হচ্ছে। সেই কারণে রেশন কার্ড হোল্ডারদের ই-কেওয়াইসি সেরে ফেলার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। জানা গিয়েছে, এই কাজ না করা থাকলে ভবিষ্যতে রেশন পেতে সমস্যা হতে পারে।

আরও পড়ুনঃ DA নিয়ে চর্চার মাঝেই রাজ্য সরকারি কর্মীদের বড় ‘উপহার’ দিল নবান্ন, চালু হচ্ছে নয়া অ্যাপ

রেশন কার্ডে ই-কেওয়াইসি কীভাবে করাতে হয়?

অনেকেই ভাবেন রেশন কার্ডে ই-কেওয়াইসি করানো হয়তো ভীষণ জটিল প্রক্রিয়া। যদিও বাস্তবে এমনটা নয়। এর জন্য শুধু দু’টি নথি দরকার, রেশন কার্ড ও আধার কার্ড। এই দু’টি নথি নিয়ে রেশন দোকানে যেতে হবে। সেখান থেকেই ই-কেওয়াইসি করে দেওয়া হবে। কেউ চাইলে বাড়ি বসে অনলাইনে রেশনের ওয়েবসাইটে গিয়েও এই কাজ করতে পারেন।

Ration Card

পরিবারের সবার ই-কেওয়াইসি করতে হয়?

অনেকে ভাবেন, শুধুমাত্র পরিবারের প্রধানের ই-কেওয়াইসি করে রাখলেই হবে। তবে বাস্তবে এমনটা নয়। পরিবারের সব সদস্যের রেশন কার্ডে ই-কেওয়াইসি করার প্রয়োজন পড়তে পারে। এর দ্বারা পরিবারের সকল সদস্যের তথ্য একেবারে যাচাই হয়ে যাবে।

ই-কেওয়াইসি প্রক্রিয়ার মাধ্যমে রেশন কার্ড হোল্ডারের পরিচয় যাচাই করা হয়। এর ফলে প্রকৃত উপভোক্তাই রেশন পাচ্ছেন, এই বিষয়টি নিশ্চিত হয়। ফলে ভুয়ো অথবা ডুপ্লিকেট রেশন কার্ড ব্যবহার করে অনৈতিকভাবে রেশন তোলার সম্ভাবনা অনেকটা কমে যায়।