বাংলা হান্ট ডেস্কঃ পশ্চিম মেদিনীপুরের দাসপুরে সরকারি ভাতা নিয়ে অদ্ভুত অভিযোগ। বার্ধক্য ভাতার জন্য আবেদন করেছিলেন ৭১ বছরের এক বৃদ্ধ। কিন্তু তাঁর অ্যাকাউন্টে ঢুকেছে বিধবা ভাতার (Widow Allowance) টাকা। ২০২১ সাল থেকে এই টাকা ঢুকছে বলে জানা গিয়েছে। বিষয়টি সামনে আসতেই পরিবারের তরফে ব্লক প্রশাসনের কাছে অভিযোগ জানানো হয়েছে।
বার্ধক্য ভাতা চেয়ে আবেদন, এল বিধবা ভাতার (Widow Allowance) টাকা
ঘটনাটি দাসপুর থানার গোছাতি এলাকার। স্থানীয় বাসিন্দা কেশব ঘোড়ই বার্ধক্য ভাতার জন্য পঞ্চায়েত সদস্যের কাছে কাগজ জমা দিয়েছিলেন। এরপর থেকেই তাঁর অ্যাকাউন্টে টাকা আসতে শুরু করে। তিনি ভেবেছিলেন, বার্ধক্য ভাতার টাকাই পাচ্ছেন। পরে তাঁর ছেলে বিষয়টি দেখতে গিয়ে জানতে পারেন, সেটি আসলে বিধবা ভাতার (Widow Allowance) টাকা। কেশববাবু জানিয়েছেন, তিনি পড়াশোনা জানেন না। তাই এতদিন টাকা কোন খাতে আসছে, তা বুঝতে পারেননি।
বিষয়টি জানার পরেই ভাতা বন্ধ করে ভুল সংশোধনের জন্য ব্লক প্রশাসনের কাছে আবেদন করা হয়েছে। ঘটনা নিয়ে বিজেপি নেতা প্রশান্ত বেরা প্রশাসনিক তদন্তের দাবি করেছেন। তাঁর প্রশ্ন, একজন পুরুষের অ্যাকাউন্টে কীভাবে বিধবা ভাতার (Widow Allowance) টাকা ঢুকল? দোষী আধিকারিকদের শাস্তির দাবিও জানিয়েছেন তিনি।
তৃণমূল নেতা সৌমিত্র সিংহ রায়ের দাবি, কম্পিউটারে তথ্য তোলার সময় ভুল হয়ে থাকতে পারে। এটি কোনও রাজনৈতিক বিষয় নয় বলেই তাঁর দাবি। তাঁর আরও বক্তব্য, শুভেন্দু অধিকারীর সরকারের সময়েও পুরুষদের অ্যাকাউন্টে অন্নপূর্ণা যোজনার টাকা ঢোকার ঘটনা ঘটছে।
আরও পড়ুনঃ TET নিয়ে বড় স্বস্তির ইঙ্গিত! ২০১০-এর আগে নিয়োগ শিক্ষকদের জন্য বড় সিদ্ধান্ত
অন্যদিকে, সিপিএম নেতা লক্ষ্মীকান্ত ভৌমিকের অভিযোগ, যোগ্য মানুষ ভাতা না পেলেও অযোগ্যদের মধ্যে কেউ কেউ ভুলভাবে এই টাকা (Widow Allowance) পেয়েছেন। এই নিয়ে বিডিও অফিসে অভিযোগও জানানো হয়েছে। দাসপুর ব্লক প্রশাসনের এক আধিকারিক জানিয়েছেন, অভিযোগটি জেলাস্তরে জানানো হয়েছে। বিষয়টি খতিয়ে দেখে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।













