বাংলাহান্ট ডেস্ক : রাজ্যে আসন্ন বিধানসভা ভোটের দামামা বেজে গিয়েছে। শাসক এবং বিরোধী দুই শিবিরই নিজেদের সর্বশক্তি দিয়ে ঝাঁপিয়ে পড়তে প্রস্তুত। এবারের নির্বাচনে যেকটি কেন্দ্র রাজনৈতিক মহলে আলোচনায় রয়েছে তার মধ্যে অন্যতম বাঁকুড়ার শালতোড়া। ২০১১ সাল থেকে তৃণমূলের ঘাঁটি হিসেবে পরিচিত এই কেন্দ্র রঙ বদলায় এক দশক পর ২০২১ এ। বিজেপির (BJP) প্রার্থী চন্দনা বাউড়ি বিধায়ক হয়ে বসেন শালতোড়া কেন্দ্রে। এবারও কি পদ ধরে রাখতে পারবেন তিনি? এখন সবথেকে গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন এটাই।
২০২১ এ শালতোড়ার বিধায়ক হন বিজেপির (BJP) চন্দনা বাউড়ি
দিনমজুর থেকে বিধায়ক, বিজেপির হাত ধরে চন্দনা বাউড়ির উত্থানটা ছিল স্বপ্নের মতোই। একটা সময় মাথার উপরে ছাদ বলতে ছিল একটি টালির চাদা ঘর। সেখানে শৌচালয় পর্যন্ত ছিল না। ২০২১ থেকে দিন ঘোরা শুরু চন্দনা বাউড়ির। সেই সঙ্গে পালাবদল শালতোড়া কেন্দ্রে।

কেন্দ্র দখলে ছিল তৃণমূলের: ২০১১ এবং ২০১৬ সালে পরপর এই কেন্দ্রে জয় লাভ করেন তৃণমূলের স্বপন বাউড়ি। ৫০.৬০ শতাংশ ভোট পেয়ে প্রথম স্থানে ছিল তৃণমূল। সেখানে মাত্র ৬.৫৮ শতাংশ ভোট নিয়ে তৃতীয় স্থানে জায়গা পেয়েছিল বিজেপি। ২০১৬ তে ভোট কিছুটা কমলেও এই কেন্দ্র নিজেদের দখলেই রেখেছিল তৃণমূল। বিজেপি (BJP) সেই তৃতীয় স্থানে।
আরও পড়ুন : গণ্ডগোলের আঁচ পেলেই কড়া ব্যবস্থা, বুথে সিসিটিভি নিয়ে নয়া নির্দেশ কমিশনের
শালতোড়ার ভোল বদলান চন্দনা: ২০২১ এ হঠাৎ করেই ঘুরে যায় খেলা। ৪৫.২৮ শতাংশ ভোট নিয়ে তৃতীয় স্থান থেকে এক লাফে প্রথম স্থানে উঠে আসে বিজেপি। বিধায়ক হন চন্দনা। একসময় স্বামীর সঙ্গে দিনমজুরি করতেন তিনি। বাড়ি তৈরির জোগাড়ের কাজ করতেন চন্দনা। সেখান থেকে বিধায়ক হয়ে প্রথম বার ভাতা পেয়ে রীতিমতো অবাক হয়েছিলেন তিনি। টালির চালাঘর হয়েছে দোতলা বাড়ি।
আরও পড়ুন : অশান্ত মধ্যপ্রাচ্য, আকাশসীমা এড়াচ্ছে বিমান সংস্থা, পরপর বাতিল ফ্লাইট
এই চার বছরে রাজনীতিতেও অনেকটা পোক্ত হয়েছেন চন্দনা বাউড়ি। বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ দলীয় সাংগঠনিক দায়িত্ব সামলেছেন তিনি। ছাব্বিশের নির্বাচনকে পাখির চোখ করে ঝাঁপিয়ে পড়েছে বিজেপি। শালতোড়া কেন্দ্রে কি ফের ফুটবে পদ্মফুল? বড়সড় চ্যালেঞ্জের মুখে চন্দনা বাউড়ি।












