বাংলাহান্ট ডেস্ক : রাত পোহালে ১ ফেব্রুয়ারি রয়েছে কেন্দ্রীয় বাজেট। তার আগে সোনার দাম (Gold Price) নিয়ে শুরু হয়েছে জল্পনা। দেশের জুয়েলারি শিল্পের সঙ্গে যুক্ত ব্যক্তিদের দাবি, এমন নীতি যাতে কর ছাড়ের সঙ্গে নিয়মের সরলীকরণ এবং ক্রেতাদের সুবিধাও হয়। সেক্টরে কর্মসংস্থান বৃদ্ধির সঙ্গে সঙ্গে বৈশ্বিক অনিশ্চয়তার কথা মাথায় রেখেও যাতে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয় তেমনটাই চাইছেন এই শিল্পের সঙ্গে ব্যক্তিরা।
সোনার দাম (Gold Price) নিয়ে কী পদক্ষেপ বাজেটে?
জুয়েলারি শিল্পের যুক্ত ব্যক্তিদের দাবি, এই সেক্টরে এমন সংস্কার প্রয়োজন যাতে ব্যবসার পরিবেশ ভালো হওয়ার সঙ্গে বৃদ্ধিও বজায় থাকে। এ বিষয়ে এক বিশেষজ্ঞের মতে, ব্যবসা এবং ক্রেতা দুই পক্ষকেই সাহায্য করে এমন নীতি প্রয়োজন। সোনার গয়নার উপর থেকে জিএসটি কমলে ক্রেতারা বড় সুবিধা পাবেন। সেই সঙ্গে সোনার গয়নার চাহিদাও বাড়বে, যা এই মুহূর্তে এক বড় চ্যালেঞ্জ।

কীভাবে সাশ্রয়ী হবে সোনা: বিশেষজ্ঞদের মতে, সোনার আমদানি শুল্ক যদি ৬ শতাংশ থেকে কমিয়ে ৪ শতাংশ করা যায় তাহলে আরও সাশ্রয়ী হবে সোনা। অন্যদিকে কম ট্যারিফ স্ল্যাব এবং স্পষ্ট নিয়মে কাস্টমস ও কর কাঠামো সরলীকরণ করারও দাবি উঠেছে।
আরও পড়ুন : ৬ বছর পর ছাড় ফিরছে রেলের টিকিটে? বাজেটে প্রবীণ নাগরিকদের জন্য বড় ঘোষণার সম্ভাবনা
কী বলছেন বিশেষজ্ঞরা: উল্লেখ্য, প্রায় ৫০ লক্ষ মানুষ যুক্ত রয়েছেন জুয়েলারি শিল্পের সঙ্গে। পাশাপাশি দেশের অর্থনীতিতেও বড় অবদান রয়েছে এই শিল্পের। বিশেষজ্ঞদের মতে, সোনা (Gold Price) বা রূপোর উপরে কর ছাড় পাওয়া গেলে রফতানিতে সহায়তা, কাঁচামালের যোগান থেকে মেকিং চার্জে কর সংস্কারের মতো সুবিধা মিললে প্রতিযোগিতা বাড়বে এই সেক্টরে।
আরও পড়ুন : ঢেলে সাজবে শহর, ৪২ কোটি খরচে গঙ্গার বুকে তৈরি হবে অত্যাধুনিক প্যাসেঞ্জার টার্মিনাল
আশা করা হচ্ছে, এবারের বাজেট ক্রেতাদের পক্ষেই থাকবে। করছাড়, ক্রেতাদের পক্ষে যদি পদক্ষেপ নেওয়া হয় তাহলে জুয়েলারি শিল্পে কর্মসংস্থান এবং রপ্তানি বজায় থাকবে।












