মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধে আমজনতার পকেটে টান? দাম বাড়বে রান্নার গ্যাসের?

Published on:

Published on:

LPG Price Hike Ahead of Union Budget
Follow

বাংলাহান্ট ডেস্ক : মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধ পরিস্থিতির জেরে ভারতে জ্বালানি সঙ্কট তৈরি হবে কিনা তা নিয়ে রয়েছে আশঙ্কা। কেন্দ্রীয় সরকার ইতিমধ্যেই জানিয়েছে, ভারতের কাছে দিন ২৫ এর মতো জ্বালানি তেল মজুত রয়েছে। এমতাবস্থায় পরিস্থিতি দ্রুত স্বাভাবিক না হলে তার প্রভাব পড়তে পারে আমজনতার জীবনেও, এমনই আশঙ্কা করা হচ্ছে। বিশেষ করে হরমুজ প্রণালী বন্ধ থাকলে রান্নার গ্যাস (Liquefied petroleum gas) সরবরাহে বড়সড় প্রভাব পড়তে পারে বলে মনে করা হচ্ছে।

ভারতে কি এলপিজি গ্যাসের (Liquefied petroleum gas) দাম বাড়বে?

বর্তমানে মনে করা হচ্ছে, ঘরে ঘরে এলপিজি গ্যাস সরবরাহ করাই সবথেকে বড় চিন্তার বিষয় হয়ে উঠতে পারে। আসলে অপরিশোধিত তেলের তুলনায় এলপিজির বিকল্প উৎস যেমন সীমিত তেমনই মজুত থাকা পরিমাণও অনেকটা কম। বিশেষজ্ঞরা জানান, ভারতের মোট এলপিজি গ্যাস চাহিদার প্রায় ৮০-৮৫ শতাংশ আমদানি করা হয়। এর বেশিরভাগটাই উপসাগরীয় দেশগুলি থেকে হরমুজ প্রণালী পেরিয়ে ভারতে ঢোকে।

Will liquefied petroleum gas price hike

কমতে পারে ভাণ্ডার: সরকারি সূত্রে পাওয়া খবর অনুযায়ী, এই মুহূর্তে দেশে প্রায় ৩০ দিনের মতো এলপিজি গ্যাস মজুত রয়েছে। তবে জাহাজ যদি নির্দিষ্ট সময়ের থেকে দেরিতে পৌঁছায় এবং মানুষ আগেভাগে এলপিজি (Liquefied petroleum gas) সিলিন্ডার মজুত করা শুরু করেন তবে দ্রুত কমে আসতে পারে ভাণ্ডার।

আরও পড়ুন : যুদ্ধের আবহে ১৬ লক্ষ কোটি টাকার মোক্ষম ঝটকা খেলেন ট্রাম্প! এবার কী করবেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট?

বিকল্প ব্যবস্থা কী: ইতিমধ্যেই বিভিন্ন শহরে অনেক মানুষ অতিরিক্ত সিলিন্ডার বুক করে মজুত করার চেষ্টা করছেন বলে জানান ডিস্ট্রিবিউটররা। ওয়াকিবহাল মহল সূত্রে জানা যাচ্ছে, বিকল্প ব্যবস্থা হিসেবে আমেরিকা, রাশিয়া কিংবা আর্জেন্টিনা থেকে অতিরিক্ত এলপিজি আনানো যেতে পারে, তবে তাও সীমিত পরিমাণে।

আরও পড়ুন : মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধ পরিস্থিতি, বাংলায় পেট্রোল পাম্পগুলিতে তেলের আকাল

প্রসঙ্গত, মধ্যপ্রাচ্যে পরিস্থিতি জটিল হওয়ায় আন্তর্জাতিক বাজারেও পড়ছে তার প্রভাব। ব্রেন্ট অপরিশোধিত তেলের দাম ব্যারেল প্রতি ৮৫ ডলারেরও বেশি হয়ে গিয়েছে। দ্রুত পরিস্থিতির উন্নতি না হলে গ্যাসের দাম বাড়লেও বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।