২০৩৫ সালের মধ্যে Indian Navy-তে যুক্ত হবে ২০০ টি জাহাজ! জানুন চিন ও পাকিস্তানের নৌবাহিনীর ক্ষমতা

Published on:

Published on:

200 ships to be added to Indian Navy by 2035.
Follow

বাংলা হান্ট ডেস্ক: এবার একটি অত্যন্ত বড় আপডেট সামনে এসেছে। প্রাপ্ত তথ্য অনুযায়ী জানা গিয়েছে যে,
ভারতীয় নৌবাহিনী (Indian Navy) ২০৩৫ সালের মধ্যে ২০০ টিরও বেশি জাহাজের একটি নৌবহর তৈরির লক্ষ্যে কাজ করছে। এর সর্বশেষ প্রমাণ হল দুই সপ্তাহের মধ্যে ২ টি যুদ্ধজাহাজের নৌবহরে যোগদান। বর্তমানে, ভারতীয় নৌবাহিনী প্রায় ১৫০ টি জাহাজ ও সাবমেরিন পরিচালনা করে। বর্তমানে ভারতীয় জাহাজ নির্মাণ কেন্দ্রগুলিতে ৫০ টিরও বেশি যুদ্ধজাহাজ ও সাবমেরিনের নির্মাণ চলছে। ভারতীয় নৌবাহিনী হল ব্লু-ওয়াটার নেভি। এর অর্থ হল, ভারতীয় নৌবাহিনী শুধু তার উপকূল রক্ষা করতেই সক্ষম নয়, বরং গভীর সমুদ্রেও নিজেদের শক্তি প্রদর্শন করতে পারে। এদিকে, চিন (China) ও পাকিস্তানকে (Pakistan) ভারতের জন্য হুমকি হিসাবে বিবেচনা করা হয়। বর্তমান প্রতিবেদনে চিন ও পাকিস্তানের নৌবাহিনী সম্পর্কেও বিস্তারিত তথ্য ও স্থাপিত করা হল।

২০৩৫ সালের মধ্যে Indian Navy-তে যুক্ত হবে ২০০ টি জাহাজ:

চিনের নৌবাহিনী: জানিয়ে রাখি যে, বিশ্বের বৃহত্তম নৌবাহিনী রয়েছে চিনের। চিনা নৌবাহিনীতে ৮০০ টিরও বেশি নৌযান (ডেস্ট্রয়ার, ফ্রিগেট এবং করভেট), ৩ টি এয়ারক্রাফ কেরিয়ার এবং পারমাণবিক ও ডিজেল-ইলেকট্রিক সাবমেরিন রয়েছে। এই বিপুল যুদ্ধজাহাজ থাকা সত্ত্বেও, চিন এখনও প্রচুর সংখ্যক যুদ্ধজাহাজ এবং সাবমেরিন নির্মাণ করছে।

200 ships to be added to Indian Navy by 2035.

গ্লোবাল ফায়ারপাওয়ার ইনডেক্স ২০২৬ অনুসারে, চিনের প্রায় ৮৪১ টি ছোট-বড় যুদ্ধজাহাজ ও ব্যাটলশিপ রয়েছে। যা সংখ্যায় আমেরিকা ও রাশিয়া উভয়কেই ছাড়িয়ে গেছে। বর্তমানে চিনের কাছে ৩ টি এয়ারক্রাফ কেরিয়ার রয়েছে। সেগুলি হল লিয়াওনিং, শানডং এবং আধুনিক ফুজিয়ান। চিনা নৌবাহিনী ৬১ থেকে ৬৮ টি সাবমেরিন পরিচালনা করে।

আরও পড়ুন: পরীক্ষা সংস্কারে হাই পাওয়ার্ড টাস্ক ফোর্স গঠনের ঘোষণা প্রধানমন্ত্রীর! নেতৃত্বে নন্দন নিলেকানি, চমকে দেবে তাঁর পরিচয়

উল্লেখ্য যে, চিনা নৌবাহিনীতে ৫৩ টি ডেস্ট্রয়ার এবং ৪৬ টি ফ্রিগেট রয়েছে। এই নৌবাহিনীতে আড়াই লক্ষেরও বেশি সক্রিয় নাবিক ও সামরিক কর্মী রয়েছেন। কম্বোডিয়ার রিম নৌঘাঁটি এবং জিবুতিতেও চিনা নৌবাহিনীর সামরিক ঘাঁটি রয়েছে। এদিকে, পড়শি দেশ চিনের ৬১ থেকে ৬৮ টি সাবমেরিনের একটি বিশাল নৌবহর রয়েছে। এছাড়াও, ৩ টি এয়ারক্রাফ কেরিয়ার সক্রিয়ভাবে পরিষেবায় নিযুক্ত রয়েছে।

আরও পড়ুন: ‘দেশপ্রেম প্রজন্মকে অনুপ্রাণিত করে যাবে’, কার্গিল বিজয় দিবসে বীর সেনাদের প্রতি শ্রদ্ধা জানালেন প্রধানমন্ত্রী মোদী

পাকিস্তানের নৌবাহিনী: চিনের তুলনায় পাকিস্তানের নৌবাহিনী বেশ দুর্বল। এটি উপকূলীয় নিরাপত্তার জন্য তৈরি। এই কারণে পাকিস্তানি নৌবাহিনীকে গ্রিন-ওয়াটার নেভি বলা হয়। বাজেটের সীমাবদ্ধতা থাকা সত্ত্বেও, পাকিস্তান তুরস্ক ও চিনের সহায়তায় তার নৌবাহিনীকে আধুনিকীকরণ করেছে। গ্লোবাল ফায়ারপাওয়ার এবং WDMMW-র মতে, পাকিস্তানের ছোট-বড় মিলিয়ে মোট ১২১ থেকে ১৪৮ টি নৌযান রয়েছে। এর মধ্যে প্রায় ৩৬ টি হল ফ্রন্টলাইন লড়াকু যুদ্ধজাহাজ। চিন থেকে কেনা হ্যাঙ্গর ক্লাসের সাবমেরিনসহ পাকিস্তানের বর্তমানে ৮ থেকে ৯ টি সক্রিয় সাবমেরিন রয়েছে। জানিয়ে রাখি যে পাকিস্তান নৌবাহিনীর কাছে এয়ারক্রাফট কেরিয়ার বা গাইডেড মিসাইল ডেস্ট্রয়ারের মতো কোনও বড় যুদ্ধজাহাজ নেই।