বাংলা হান্ট ডেস্ক: এবার একটি অত্যন্ত বড় আপডেট সামনে এসেছে। প্রাপ্ত তথ্য অনুযায়ী জানা গিয়েছে যে,
রবিবার ভিয়েনায় ওপেক+ দেশের মন্ত্রীরা আগামী জুলাই মাসের জন্য তেলের (Crude Oil) কোটা বাড়িয়ে মোট দৈনিক ১,৮৮,০০০ ব্যারেল করার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। তবে, বিশেষজ্ঞরা বলছেন এই পদক্ষেপের ফলে তেলের দামে উল্লেখযোগ্য প্রভাব পড়ার সম্ভাবনা নেই। মূলত, মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধের কারণে এই দামে বিপুল বৃদ্ধি দেখা গেছে।
ভারতের ওপর কী প্রভাব পড়বে (Crude Oil)?
জানিয়ে রাখি যে, ওপেক+-এর এই পদক্ষেপ ভারতকে জ্বালানির উচ্চমূল্য থেকে কোনও স্বস্তি দেবে না। কারণ, এটি তেলের দাম কমাবে না। এদিকে, এর ফলে দেশের তেল আমদানির খরচ এবং চলতি হিসাবের ঘাটতি (CAD) বেশিই থাকবে। এছাড়াও, ডলারের ক্রমবর্ধমান চাহিদার কারণে রুপির ওপর চাপ বজায় থাকবে। পাশাপাশি, পরিবহণ খরচ কমাতে ব্যর্থ হলেও দেশের বাজারে নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের মুদ্রাস্ফীতির আশঙ্কা এড়ানো যাবে না। উল্লেখ্য যে, ভারত তার প্রয়োজনীয় অপরিশোধিত তেলের প্রায় ৮৫ শতাংশ বিদেশ থেকে আমদানি করে।

ইতিমধ্যেই রাইস্ট্যাড এনার্জির বিশ্লেষক জর্জ লায়ন্স প্রত্যাশিত বৃদ্ধির আগেই বলেছিলেন যে, যতদিন হরমুজ প্রণালী বন্ধ থাকবে, ততদিন এহেন সিদ্ধান্ত অর্থহীন থাকবে। তিনি আরও বলেন, ‘বাজারে কোটা ঘোষণার কোনও অভাব নেই। অভাবটা হল মূলত চালানযোগ্য ব্যারেলের। এই প্রেক্ষাপটে, দৈনিক ১,৮৮,০০০ ব্যারেল বৃদ্ধি প্রকৃত সরবরাহ বৃদ্ধির চেয়ে একটি নীতিগত সংকেত হিসেবেই বেশি কাজ করবে।’
আরও পড়ুন: অধিনায়কত্ব হারানোর পর অবসর নিচ্ছেন সূর্যকুমার যাদব? নেটমাধ্যমে ভাইরাল পোস্ট ঘিরে শুরু হইচই
এক বিবৃতি অনুসারে, সৌদি আরব, রাশিয়া, ইরাক, কুয়েত, কাজাখস্তান, আলজেরিয়া এবং ওমানসহ প্রধান ওপেক+ দেশগুলির তেলমন্ত্রীরা রবিবার একটি ভিডিও বৈঠকে উৎপাদন বৃদ্ধির বিষয়ে সম্মত হয়েছেন। জানিয়ে রাখি যে, ওপেক+ ২২ টি দেশ নিয়ে গঠিত। ওপেক+-এর বিবৃতিতে বলা হয়েছে, তেলের বাজারে স্থিতিশীলতা বজায় রাখার লক্ষ্যেই সাম্প্রতিক এই বৃদ্ধি করা হয়েছে।
আরও পড়ুন: আরও বাড়বে ভারতীয় সেনার শক্তি! দুর্গম অঞ্চলেও শত্রুদের ঘুম ওড়াবে নতুন MSV, চমকে দেবে ক্ষমতা
এতে আরও বলা হয়েছে যে, মন্ত্রীরা ভলেন্ট্রি প্রোডাকশন অ্যাডজাস্টমেন্টস পর্যায়ক্রমে প্রত্যাহারের প্রক্রিয়াকে ত্বরান্বিত, স্থগিত বা উল্টে দেওয়ার ক্ষেত্রে সতর্কতা অবলম্বন এবং পূর্ণ নমনীয়তা বজায় রাখার গুরুত্বের ওপর পুনর্ব্যক্ত করেছেন। এর মধ্যে ২০২৩ সালের নভেম্বরে ঘোষিত এবং পূর্বে বাস্তবায়িত ভলেন্ট্রি প্রোডাকশন অ্যাডজাস্টমেন্টস প্রত্যাহার করাও অন্তর্ভুক্ত রয়েছে।













