বকরি ইদের আগে পশুবলি নিয়ে কলকাতা হাইকোর্টে ৮ মামলা, বৃহস্পতিতে শুনবেন চিফ জাস্টিস

Published on:

Published on:

8 cases in Calcutta High Court regarding animal sacrifice before Eid
Follow

বাংলা হান্ট ডেস্ক : ইদ-উল-আজহা বা বকরি ইদকে সামনে রেখে ফের আলোচনায় উঠে এল ১৯৫০ সালের পশ্চিমবঙ্গ পশুবলি নিয়ন্ত্রণ আইন। প্রতি বছরের মতো এবারও প্রকাশ্যে পশুবলি সংক্রান্ত বিধিনিষেধ কঠোর ভাবে মেনে চলার নির্দেশ জারি হয়েছে। তবে সেই নির্দেশ ঘিরেই বিভিন্ন জেলায় তৈরি হয়েছে বিভ্রান্তি ও বিতর্ক। ইতিমধ্যেই এই ইস্যুতে কলকাতা হাইকোর্টে (Calcutta High Court) মোট আটটি মামলা দায়ের হয়েছে।

হাইকোর্টের (Calcutta High Court) রায়ের আশায় পশুবলি আইন

আগামী ২১ মে, বৃহস্পতিবার পশুবলি সংক্রান্ত সব মামলার একসঙ্গে শুনানি হওয়ার কথা। বুধবার মামলাগুলি শুনানির জন্য কলকাতা হাইকোর্টের প্রধান বিচারপতির ডিভিশন বেঞ্চে যায়। এ দিন রাজ্যের তরফে আদালতের কাছে কিছুটা সময় চাওয়া হয়। সেই প্রেক্ষিতে প্রধান বিচারপতি সুজয় পাল নির্দেশ দেন, বৃহস্পতিবারের মধ্যে প্রতিটি মামলায় আলাদা করে রাজ্যের জবাব জমা দিতে হবে।

আইন মেনে সরকারি কসাইখানা পরিচালনার জন্য কী ধরনের পরিকাঠামো রয়েছে, সেই তথ্যও আদালতে পেশ করতে হবে বলে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। পুরনো সরকারি নির্দেশিকা অনুযায়ী,গোরু, ষাঁড়, বলদ ও মোষের উপযুক্ত শংসাপত্র বা ‘ফিটনেস সার্টিফিকেট’ ছাড়া কোনও গবাদি পশু বলি দেওয়া যাবে না। কোনও পশুকে বলি দিতে হলে তার বয়স অন্তত ১৪ বছর এবং সেই পশু প্রজননে সম্পূর্ণ অনুপযুক্ত হতে হবে।

উল্লেখ্য, সংশ্লিষ্ট পুরসভার মেয়র, চেয়ারপার্সন বা পঞ্চায়েত সমিতির সভাপতি এবং একজন পশু চিকিৎসকের যৌথ ভাবে সই থাকা শংসাপত্র থাকলেই তবে সেই পশুকে নির্দিষ্ট কসাইখানায় নিয়ে যাওয়া যাবে। এই নির্দেশ কার্যকর হওয়াকে কেন্দ্র করে ইতিমধ্যেই বিভিন্ন জেলায় প্রভাব পড়তে শুরু করেছে।

8 cases in Calcutta High Court regarding animal sacrifice before Eid

আরও পড়ুন : অভিষেকের বাড়ি নিয়ে নোটিশ বিতর্কের মাঝেই, বোরো পদ ছাড়লেন ফিরহাদ ঘনিষ্ঠ তৃণমূল চেয়ারম্যান দেবলীনা

প্রসঙ্গত, হাওড়া, হুগলি-সহ একাধিক জেলায় বকরি ইদের আগে নিয়মিত পশুহাট বসে, যেখানে গোরু কেনাবেচা হয়। কিন্তু নতুন করে আইন প্রয়োগ নিয়ে অনিশ্চয়তার জেরে বহু জায়গায় গোরু বিক্রি কার্যত বন্ধ হয়ে গিয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে। এই পরিস্থিতিতে
বৃহস্পতিবার হাইকোর্টের শুনানির দিকে নজর রয়েছে সংশ্লিষ্ট সব পক্ষের।