চিন্তার মাঝেই বকেয়া নিয়ে এল ভালো খবর, কিছুটা স্বস্তিতে সরকারি কর্মীরা

Published on:

Published on:

government employees(39)
Follow

বাংলা হান্ট ডেস্কঃ ২০২৬ সাল কেন্দ্রীয় সরকারি কর্মীদের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ হতে চলেছে বলে মনে করা হচ্ছে। কারণ নতুন বছরেই কেন্দ্রীয় সরকারি কর্মীদের (Government Employees) জন্য অষ্টম পে কমিশন (8th Pay Commission) বাস্তবায়ন। তবে জানুয়ারি মাস শেষ হলেও নয়া পে কমিশন নিয়ে এখনও কোনো আনুষ্ঠানিক ঘোষণা সামনে আসেনি। যা নিয়ে উদ্বেগ বাড়ছে সরকারি কর্মীদের।

দেরি হলেও মিলবে বকেয়া, সম্ভাবনা এমনটাই | Government Employees Arrear

হিসেব মতো ১ জানুয়ারি ২০২৬ থেকে নতুন বেতন কাঠামো কার্যকর হওয়ার কথা। কিন্তু এখনও পর্যন্ত কোনো স্পষ্ট আপডেট সামনে না আসায় উঠছে প্রশ্ন। সরকারি কর্মীদের প্রশ্ন, বেতন সংশোধনে দেরি হলে তারা কী বকেয়া টাকা পাবেন? কবে বকেয়ার টাকা হাতে পাবেন কেন্দ্রীয় সরকারি কর্মীরা?

অষ্টম বেতন কমিশনের সুপারিশগুলি ১ জানুয়ারি, ২০২৬ থেকে কার্যকর হবে বলে বিবেচিত হচ্ছে। যদিও বাস্তবে, কর্মীদের বেতন বৃদ্ধির জন্য আরও কিছুটা অপেক্ষা করতে হবে বলেই বলছে একাধিক রিপোর্ট। তবে স্বস্তির খবর হল, বেতন সংশোধনে দেরি হলেও বকেয়া মিলবে।

১ জানুয়ারি ২০২৬ থেকেই অষ্টম পে কমিশন লাগু হওয়ার কথা। যদি সেক্ষেত্রে দেরিও হয়, তবুও কর্মচারীরা ওই মধ্যবর্তী সময়ের বকেয়া টাকা একলপ্তে পেতে পারেন। অর্থাৎ সরকার কোনোটাই বাকি রাখবে না, বকেয়া একবারে মিটিয়ে দেওয়া হতে পারে। অর্থাৎ, বেতন হাতে পেতে দেরি হলেও আর্থিক ক্ষতির সম্ভাবনা সেভাবে নেই।

যে কোনো পে কমিশনের ক্ষেত্রে বড় বিষয় হল ফিটমেন্ট ফ্যাক্টর। অষ্টম পে কমিশনে নতুন ফর্মুলায় ফিটমেন্ট ফ্যাক্টরের উপর ভিত্তি করে রিভাইজড স্যালারি হবে বেসিক পে × ফিটমেন্ট ফ্যাক্টর। চূড়ান্ত ফিটমেন্ট ফ্যাক্টর যত বেশি হবে, সরকারি কর্মীদের হাতে পাওয়া বেতনের পরিমাণও ততটাই বৃদ্ধি পাবে।

Government Employees

আরও পড়ুন: ২০২৬ বাজেটে নির্মলার মাস্টারস্ট্রোক! বাংলার বুক চিরে ছুটবে বুলেট ট্রেন? হয়ে গেল বড় ঘোষণা

অষ্টম বেতন কমিশনের প্রাথমিক অনুমান অনুসারে বেতন ২০ থেকে ৩৫ শতাংশ বৃদ্ধির ধারণা করা হচ্ছে। যদি তাই হয়ে তাহলে ন্যূনতম মূল বেতন ১৮,০০০ টাকা থেকে বেড়ে প্রায় ৩০,০০০- ৩২,০০০ টাকা হতে পারে। সপ্তম পে কমিশনের ফিটমেন্ট ফ্যাক্টর ছিল ২.৫৭। অ্যামবিট ইনস্টিটিউশনাল ইকুইটিজ-এর বিশ্লেষণ অনুযায়ী, এবার তা ১.৮৩ থেকে ২.৪৬-এর মধ্যে থাকতে পারে। অন্যদিকে, মণীশ মিশ্রের ধারণা, নয়া পে কমিশনে ফিটমেন্ট ফ্যাক্টর ১.৯ থেকে শুরু করে ২.৮ বা ৩.০ পর্যন্তও যেতে পারে।