বাংলা হান্ট ডেস্ক: ২০১৯ সাল শুরু হওয়ার এই প্রকল্পের মূল উদ্দেশ্য ছিল ছোট ও প্রান্তিক কৃষকদের আর্থিকভাবে সাহায্য করা। পাশাপাশি যাদের জীবিকা অর্জনের জন্য কোন উপায় নেই তারা এই প্রকল্পের আওতায় ১৮ থেকে ৪০ বছর বয়সের মধ্যে যে কোন কৃষক প্রধানমন্ত্রী মানধন যোজনা (Kisan Maandhan Yojana) রেজিস্ট্রেশন করতে পারবেন। আর এই প্রকল্পের সবচেয়ে বড় সুবিধা হল বিনিয়োগের পরিমাণ অত্যন্ত কম।
কৃষকদের আর্থিক সুরক্ষা, মাসিক ৩০০০ টাকার পেনশন (Kisan Maandhan Yojana)
প্রধাষত প্রধানমন্ত্রী কিষান মানধন যোজনা (Kisan Maandhan Yojana) একটি পেনশন স্কিম। এতে প্রতি মাসে ৫৫ টাকা থেকে শুরু করে সর্বোচ্চ ২০০ টাকা পর্যন্ত বিনিয়োগ করতে হয়। যদি কোনও কৃষক ১৮ বছর বয়সে এই প্রকল্পে যুক্ত হন, তাহলে তাকে মাত্র ৫৫ টাকা প্রিমিয়াম দিতে হবে, যা তার বাজেটে কোনও বোঝা সৃষ্টি করে না।

আরও পড়ুন: ১৫ মিনিটেই কড়াইতে জাদু, ডিমের আফগানি কোর্মায় জমুক দুপুরের খাওয়া, রেসিপি রইল
এছাড়াও এটি শুধুমাত্র কৃষকের মধ্যেই সীমাবদ্ধ নয়, বরং তার পরিবার এবং বিশেষ করে কৃষকের স্ত্রীকেও সুরক্ষা প্রদান করে। যদি কোনও কারণে সুবিধাভোগী কৃষকের মৃত্যু হয়, তাহলে তার স্ত্রীকে পেনশনের ৫০ শতাংশ অংশ ১,৫০০ টাকা ফ্যামিলি পেনশন হিসেবে প্রদান করা হবে।
এই প্রকল্পের সুবিধা ১৮ থেকে ৪০ বছর বয়সী কৃষকেরা নিতে পারেন। ২ হেক্টরের বেশি জমি থাকলে এই সুবিধা মিলবে না । যদি কোনও কৃষক ইতিমধ্যেই EPFO, NPS বা ESIC-এর মতো কোনও সরকারি পেনশন বা সামাজিক নিরাপত্তা প্রকল্পের সদস্য হয়ে থাকেন।
কৃষকরা তাদের নিকটবর্তী কমন সার্ভিস সেন্টার (CSC)-এ গিয়ে প্রধানমন্ত্রী কিষান মানধন যোজনার জন্য রেজিস্ট্রেশন করতে পারেন। রেজিস্ট্রেশনের জন্য কৃষকের নিজের পরিচয়পত্র, ব্যাঙ্ক পাসবুক এবং জমির নথি যেমন খসরার কপি সঙ্গে নিয়ে যেতে হয়।













