বাংলা হান্ট ডেস্ক : অসম তৃণমূল কংগ্রেসে (Trinamool Congress) আচমকাই বড়সড় ভাঙনের ইঙ্গিত। দলের রাজ্য সভাপতি অভিজিৎ মজুমদারের পদত্যাগ ঘিরে রাজনৈতিক মহলে শুরু হয়েছে তুমুল আলোচনা। শুধু পদত্যগ নয়, দল সম্পর্কে তাঁর বিস্ফোরক মন্তব্য নতুন করে অস্বস্তিতে ফেলেছে তৃণমূল নেতৃত্বকে।
তৃণমূলের (Trinamool Congress) বিরুদ্ধে কী অভিযোগ অভিজিতের ?
বিশেষ করে অসমের তৃণমূল সভাপতির একটি নির্দিষ্ট সম্প্রদায়কে কেন্দ্র করে দলের রাজনীতি পরিচালনার অভিযোগ সামনে আসতেই বিতর্ক আরও তীব্র হয়েছে। ২০২৬ সালের পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভা নির্বাচনের ফল প্রকাশের পর থেকেই তৃণমূল কংগ্রেসের ভিতরে অসন্তোষ ক্রমশ জোরালো হচ্ছে। দলের একাধিক নেতা-কর্মীর ক্ষোভ, দূরত্ব এবং পদত্যাগের ঘটনায় সাংগঠনিক পরিস্থিতি নিয়ে প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে। এই আবহেই অসম প্রদেশ তৃণমূল কংগ্রেসের সভাপতি পদ থেকে সরে দাঁড়ালেন অভিজিৎ মজুমদার।
জানা গিয়েছে, তিনি ইমেলের মাধ্যমে সরাসরি তৃণমূল সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের কাছে নিজের ইস্তফাপত্র পাঠান। সেই চিঠিতে দলের বর্তমান রাজনৈতিক অবস্থান এবং জনমানসে তৈরি হওয়া ভাবমূর্তি নিয়ে একাধিক কড়া মন্তব্য করেন তিনি। পদত্যাগপত্রে অভিজিৎ মজুমদার দাবি করেছেন, তৃণমূল কংগ্রেসকে ঘিরে সাধারণ মানুষের মধ্যে এমন একটি ধারণা দ্রুত শক্তিশালী হচ্ছে যে দলটি ‘শুধুমাত্র মুসলমানদের জন্য কাজ করে’।
অভিজিতের বক্তব্য, অসমের পাশাপাশি পশ্চিমবঙ্গেও একই ধরনের বার্তা মানুষের মধ্যে পৌঁছে গিয়েছে। এই পরিস্থিতিতে দলের সঙ্গে আর নিজেকে একাত্ম করতে পারছেন না বলেই তিনি স্পষ্ট জানিয়ে দেন। নির্বাচনে ভরাডুবির পর থেকেই তৃণমূলের অন্দরে ভাঙনের ছবি ধীরে ধীরে সামনে আসছে।

আরও পড়ুন :এবার মিলবে ২০০ ইউনিট ফ্রি, বড় সিদ্ধান্ত রাজ্য সরকারের
কেউ সক্রিয় রাজনীতি থেকে দূরে সরে যাচ্ছেন, আবার কেউ সরাসরি দলত্যাগ করছেন। ফলে সংগঠনের ভিত নিয়ে নতুন করে চাপ তৈরি হয়েছে বলে মনে করছেন রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকদের একাংশ। অভিজিৎ মজুমদারের পদত্যাগের পাশাপাশি তার এই মন্তব্যকে ঘিরে দলের অন্দরে অস্বস্তি তৈরি হয়েছে।













