১০০০, ১৫০০ অতীত, এই সরকারি প্রকল্পে মিলবে ২০০০ টাকা! কারা পাবেন?

Published on:

Published on:

Government Scheme
Follow

বাংলা হান্ট ডেস্কঃ বাংলায় বিজেপি সরকার ক্ষমতায় আসতেই রাজ্যে চালু হচ্ছে একের পর এক দারুণ প্রকল্প (Government Scheme)। লক্ষ্মীর ভাণ্ডারের পরিবর্তে এসেছে অন্নপূর্ণা ভাণ্ডার, যুবসাথীর বদলে যুবশক্তি। রাজ্য সরকারের এই সমস্ত প্রকল্প নিয়ে বর্তমানে চর্চার শেষ নেই। একইসাথে পালাবদলের পর রাজ্যে আসছে একাধিক কেন্দ্রীয় প্রকল্পও (Central Government Scheme)।

রাজ্যের সাধারণ মানুষের জন্য কেন্দ্রের একটি জনপ্ৰিয় প্রকল্প চালু হওয়ায় জোর চর্চা শুরু হয়েছে। এই প্রকল্পের মাধ্যমে উপভোক্তাদের ৬,০০০ টাকা পর্যন্ত আর্থিক সহায়তা দেওয়া হবে বলে। তবে সকলে এই প্রকল্পের সুবিধা মোটেও পাবেন না। জানিয়ে রাখি, এই প্রকল্পের নাম হল পিএম কিসান বা প্রধানমন্ত্রী কিসান সম্মান নিধি যোজনা (PM Kishan scheme)। বাংলার চাষিদের জন্য এ এক দুর্দান্ত স্কিম। প্রকল্প সম্পর্কে বিস্তারে জেনে নিন।

কেন্দ্রীয় প্রকল্পের সুবিধা পাবেন কৃষকরা | Government Scheme

পিএম কিসান বা প্রধানমন্ত্রী কিসান সম্মান নিধি যোজনার আওতায় তিন কিস্তিতে বছরে মিলবে ৬,০০০ টাকা। ২,০০০ টাকা করে মোট তিনটি কিস্তিতে মিলবে টাকা। চাষিদের অ্যাকাউন্টে সরাসরি টাকা ঢুকে যাবে। তিন কিস্তি এপ্রিল থেকে জুলাই, অগস্ট থেকে নভেম্বর এবং ডিসেম্বর থেকে মার্চ সময়সীমার মধ্যে দেওয়া হয়ে থাকে।

উল্লেখ্য, কৃষকদের স্বার্থে ২০১৮ সালের ১ ডিসেম্বর এই পিএম কিসান বা প্রধানমন্ত্রী কিসান সম্মান নিধি যোজনা চালু করে কেন্দ্র সরকার। কৃষকদের সুবিধা প্রদানই এর মূল উদ্দেশ্য। তবে এই প্রকল্পের সুবিধা পেতে গেলে বেশ কিছু শর্ত পূরণ করতে হবে। নয়তো সুবিধা মিলবে না।

শর্তসমূহ :

১) আবেদনকারীর সরকারের ভূমি রাজস্ব দফতরের রেকর্ড অনুযায়ী চাষযোগ্য জমি থাকতে হবে।

২) কোনও প্রাতিষ্ঠানিক ভূমিমালিক এই প্রকল্পের সুবিধা পাবেন না।

৩) উচ্চ আয়ের আওতায় থাকা কৃষকেরা এর যোগ্য নন।

৪) আবেদনকারী চাষি কর্মরত বা অবসরপ্রাপ্ত সরকারি কর্মচারী হলেও এর সুবিধা মিলবে তবে মাসিক বেতন বা পেনশনের ১০,০০০ টাকা বা অধিক হলে চলবে না।

Government scheme

আরও পড়ুন: যোগ দিবসের অনুষ্ঠানে কড়া ট্র্যাফিক নিয়ন্ত্রণ, রেড রোড সংলগ্ন এলাকায় রুট বদলের নির্দেশ

৫) পেশাদার করদাতারা এই প্রকল্পের সুবিধা পাবেন না।

৬) আবেদনকারীর ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট ও আধার কার্ড থাকতে হবে।

৬) আবেদনের সময় বায়োমেট্রিক যাচাই প্রক্রিয়ার মাধ্যমে ই-কেওয়াইসি বাধ্যতামূলক।

৭) জমির মালিকানার যাবতীয় নথি জমা করতে হবে।

৮) আবেদনকারীকে ভারতের নাগরিক হতে হবে।