বাংলা হান্ট ডেস্কঃ আরজি কর কাণ্ডের (RG Kar Case) পর কেটে গিয়েছে প্রায় ২ বছর। সম্প্রতি কলকাতা হাইকোর্টের নির্দেশ মতো তরুণী চিকিৎসক ধর্ষণ-খুনের ঘটনায় পুনরায় তদন্ত শুরু হয়েছে। এরপরেই সামনে আসছে নয়া আপডেট। জানা যাচ্ছে, আরজি কর ধর্ষণ-খুন কাণ্ডে যুক্ত তদন্তকারী অফিসারদের ভূমিকা নিয়ে নতুন করে তদন্ত শুরু হয়েছে।
আরজি কর কাণ্ডে নয়া মোড় | (RG Kar Case)
সূত্র মারফৎ জানা যাচ্ছে, স্বরাষ্ট্র দফতর এই বিষয়ে প্রাসঙ্গিক নথি চেয়ে কলকাতা পুলিশের কাছে আবেদন জানিয়েছিল। ইতিমধ্যেই কলকাতা পুলিশের তরফে সকল নথি তাঁদের হাতে তুলে দেওয়া হয়েছে। সংশ্লিষ্ট নথিগুলির ভিত্তিতেই এই ঘটনার সঙ্গে যুক্ত তদন্তকারী অফিসারদের ভূমিকা খতিয়ে দেখা হবে বলে খবর।
আরও পড়ুনঃ নাসিরহাটি থেকে বারাসাত যাওয়া আরও সহজ! পুরনো রুটে আবার চালু হয়ে গেল বাস
এদিকে সোমবার আরজি করে হাজির হয় সিবিআইয়ের (CBI) ৭ সদস্যের এক প্রতিনিধি দল। তাঁরা ঘটনাস্থল ঘুরে দেখার পাশাপাশি ঘটনার সময় দায়িত্বে থাকা হাসপাতালের কর্মী ও নিরাপত্তারক্ষীদের সঙ্গেও কথা বলেন। এছাড়া জানা গিয়েছে, গতকাল তদন্তকারীরা বেশ কয়েকজনের বয়ান রেকর্ড করেছেন। সেই সঙ্গেই ডিজিটাল ও ফরেন্সিক তথ্যপ্রমাণও সংগ্রহ করা হয়।
সূত্রের খবর, গতকাল আরজি করে পৌঁছে হাসপাতালের এমএসভিপি অধ্যাপক ডাঃ সপ্তর্ষি চট্টোপাধ্যায়ের সঙ্গে বৈঠক করেন সিবিআই আধিকারিক দল। সেখানে হাসপাতালের প্রশাসনিক নথি, তদন্ত সংক্রান্ত নানা বিষয়, ঘটনার সময়কার পরিস্থিতি নিয়ে চর্চা-আলোচনা হয় বলে খবর।

২০২৪ সালের আগস্ট মাসে আরজি কর হাসপাতালে এক তরুণী চিকিৎসকের অস্বাভাবিক মৃত্যু ঘিরে চাঞ্চল্য ছড়ায়। তাঁকে ধর্ষণ করে খুন করা হয়েছে বলে অভিযোগ ওঠে। এই ঘটনায় প্রথমে কলকাতা পুলিশ তদন্ত করলেও পরবর্তীতে সিবিআইয়ের হাতে তদন্তভার যায়। বিচারপ্রক্রিয়া শেষে অভিযুক্ত সিভিক ভলেন্টিয়ার সঞ্জয় রায়কে আমৃত্যু কারাদণ্ডের সাজা দেয় শিয়ালদহ আদালত।
নির্যাতিতার মা-বাবা অবশ্য তদন্তের ফলাফলে সন্তুষ্ট ছিলেন না। এই ঘটনার সব দিক এখনও স্পষ্ট হয়নি বলে দাবি করেন তাঁরা। সেই কারণে আদালতে নতুন সিট গঠনের মাধ্যমে ফের তদন্তের আবেদন জানানো হয়। সেই আবেদন বিবেচনা করে সম্প্রতি নতুন করে তদন্তের নির্দেশ দেয় কলকাতা হাইকোর্টের ডিভিশন বেঞ্চ। এরপরেই জোরকদমে তদন্ত শুরু করে দিলেন সিবিআই আধিকারিকরা।














