বাংলা হান্ট ডেস্কঃ মাত্র দেড় মাস হয়েছে পশ্চিমবঙ্গে প্রথমবার ক্ষমতায় এসেছে বিজেপি সরকার। এরই মধ্যে ৪২ জন শিল্পপতি বাংলায় বিনিয়োগের জন্য যোগাযোগ করছেন। হ্যাঁ এমনটাই দাবি করলেন নয়া শিল্প ও বাণিজ্যমন্ত্রী তাপস রায়। ফলে দশক পর শিল্প সমৃদ্ধ হতে পারে বাংলা (Business in Bengal)। জানা যাচ্ছে, মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর হস্তক্ষেপের পরেই বন্ধ হওয়া কারখানা পুনরুজ্জীবিত হতে চলেছে। শীঘ্রই বড় ঘোষণাও মিলতে পারে বাজেটে এমনটাই আশা করা হচ্ছে।
৪২ জন শিল্পপতি আসছেন বাংলায়?
সূত্র বলছে আসন্ন বাজেটে রাজ্যের শিল্প বড়সড় ঘোষণা করতে পারেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। রাজ্যের যুবক-যুবতীদের কর্মসংস্থান থেকে বেকারত্বের সমস্যা দূর করতে শিল্পক্ষেত্রকে আবারও চাঙ্গা করার প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন ভোটের আগেই। এবার কথা রাখার পালা। তাই নিজ হস্তক্ষেপে বাংলার শিল্প ও শিল্পনির্ভর অর্থনীতিকে পুনরায় উজ্জীবিত করার জন্য দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা শুরু কেন্দ্রের। নীতি আয়োগের এই কাজে নেতৃত্ব দিচ্ছেন উপাধ্যক্ষ অশোক লাহিড়ী।
ভারতের সর্বোচ্চ জিডিপির রাজ্য ছিল বাংলা!
ইতিহাসের পাতা উল্টে দেখলেই জানা যায়, স্বধীনতার সময় অবিভক্ত বাংলা GDP এর হিসাবে ভারতে প্রথম স্থানে ছিল। যদিও সেটা পরবর্তীতে সেটা দ্বিতীয় সবচেয়ে ধনী রাজ্য হয়ে ওঠে। কিন্তু বিগত কয়েক দশকে শিল্প ভেন্টিলেটরে পৌঁছেছে। বদলে বেড়েছে লাগামছাড়া দুর্নীতি, রাজনৈতিক অস্থিরতা, সাথে প্রশাসনিক ভুল সিদ্ধান্তের জেরে বর্তমান বাংলায় ধুঁকছে শিল্প। তবে এবার আর নয়, ‘ডাবল ইঞ্জিন’ সরকারই অক্সিজেন সাপোর্ট দিয়ে ফের চাঙ্গা করবে শিল্পকে।
আরও পড়ুনঃ মুখ্যমন্ত্রীর সাথে সৌজন্য বিনিময়ই হল কাল! সাংগঠনিক পদ হারালেন দেবাশিস কুমার
২২শে জুনের বাজেটে ঘোষণা হতে পারে পঞ্চবার্ষিকী পরিকল্পনা
আর মাত্র কয়েক দিন পর আগামী ২২শে জুন বিজেপি সরকারের বাংলার প্রথম পূর্ণাঙ্গ বাজেট ঘোষণা হতে চলেছে। অর্থমন্ত্রী স্বপন দাসগুপ্ত দুপুর ১২টায় বিধানসভায় পেশ করতে চলেছেন মেগা বাজেট ২৬-২৭। আশা করা হচ্ছে সেখানে রাজ্যের শিল্প বৃদ্ধি, কর্মসংস্থান, ক্রিস ও পরিকাঠামোগত উন্নয়ন থেকে শুরু করে সার্বিক অর্থনৈতিক পুনুরুদ্ধারে জোর দেওয়া হবে। এর জন্য পঞ্চবার্ষিকী পরিকল্পনাও ঘোষণা হতে পারে বলে মনে করছেন পর্যবেক্ষকেরা।
আরও পড়ুনঃ ‘মুঘল শাসক’ মমতার ক্লিনিক্যাল কনসাল্ট প্রয়োজন! তৃণমূলের অপশাসন নিয়ে বিস্ফোরক ইন্দ্রনীল
প্রসঙ্গত, তাপস রায় কিছুদিন আগেই অভিযোগ করেন, মমতার সরকার থাকাকালীন তোলাবাজি সহ একাধিক কারণে রাজ্য ছেড়ে চলে গিয়েছে শিল্পপতিরা। তাই বর্তমানে প্রধান কাজ হবে এই সুসি বিনিয়োগকারীদের পুনরায় ফিরিয়ে আনা।
















