কথা রাখলেন মুখ্যমন্ত্রী, তিনটি নতুন মেডিক্যাল কলেজ ও হাসপাতাল তৈরির নির্দেশ স্বাস্থ্য দফতরের

Published on:

Published on:

Government of West Bengal to Build 3 New Medical College & Hospital As promised by CM Suvendu Adhikari
Follow

বাংলা হান্ট ডেস্কঃ মুখ্যমন্ত্রী হিসাবে আগেই বড় ঘোষণা করেছিলেন শুভেন্দু অধিকারীর (CM Suvendu Adhikari)। জানালেন রাজ্যের যে সমস্ত জেলায় মেডিক্যাল কলেজ এখনও নেই সেখানে যতটা দ্রুত সম্ভব নতুন মেডিক্যাল কলেজ ও হাসপাতাল (Medical College & Hospital) তৈরী করা হবে। ফলে পশ্চিমবঙ্গের স্বাস্থ্য ব্যবস্থা যেমন উন্নত হবে তেমনি নিম্ন ও মধ্যবিত্ত মানুষ উপকৃত হবে। এবার সেই প্রতিশ্রুতি পালন করেই তিনটি মেডিক্যাল কলেজ তৈরিতে উদ্যোগী স্বাস্থ্য দফতর।

বাংলায় তৈরী হবে ৩টি নতুন Medical College & Hospital

যেমনটা জানা যাচ্ছে, আলিপুরদুয়ার, পশ্চিম বর্ধমান ও দক্ষিণ দিনাজপুর জেলায় মেডিক্যাল কলেজ ও হাসপাতাল তৈরী করবে পশ্চিমবঙ্গ সরকারের স্বাস্থ্য দফতর। ইতিমধ্যেই এই কাজের জন্য জমি খোঁজার কাজ শুরুর নির্দেশ দিয়েছে ওয়েস্ট বেঙ্গল মেডিক্যাল সার্ভিস কর্পোরেশন (WBMSCL)। সেই মত কোথায় কলেজ ও হাসপাতাল তৈরির মত জায়গা ও পরিকাঠামো রয়েছে তা খতিয়ে দেখতে শুরু করেছেন তিন জেলার মুখ্য স্বাস্থ্য আধিকারিকেরা।

নতুন কলেজ ও হাসপাতালগুলিতে ৪২০ বেডের জন্য পর্যাপ্ত জায়গার পাশাপাশি চিকিৎসক থেকে অধ্যাপক ও ছাত্রছাত্রীদের জন্য আলাদা থাকার ক্যাম্পাস থাকাটা বাধ্যতামূলক। তবে এক্ষেত্রে আরও একটি বিষয় মাথায় রাখতে হবে, সেটা হল কলেজ ও হাসপাতালের ক্যাম্পাস দুটি আলাদা হলেও তার মধ্যে দূরত্ব ১০ কিমির মধ্যে হতে হবে। এর জন্য হসপিটাল থেকে ১০ কিমির মধ্যে প্রায় ২০ একর জমি খুঁজতে হবে।

আরও পড়ুনঃ পুণ্যার্থীদের উদেশ্যে সুখবর! রথের আগে নবদ্বীপ-পুরী স্পেশাল ট্রেন চালাবে ভারতীয় রেল

বাড়ছে ডাক্তারি পড়ার সিট সংখ্যাও

সরকারের এই সিদ্ধান্তের ফলে স্বাস্থ্য পরিকাঠামো যেমন উন্নত হবে তেমনি প্রতিবছর ডাক্তারি পড়াশোনার জন্য না নির্দিষ্ট সিট রয়েছে সেটাও ৩০০টি বেড়ে যাবে। প্রতিটি মেডিকেল কলেজে ১০০টি  অর্থাৎ মোট তিনশো জন ডাক্তারি পড়ার সুযোগ পাবে।

প্রসঙ্গত, শুভেন্দু অধিকারী মুখ্যমন্ত্রী হওয়ার পর থেকেই স্বাস্থ্য দফতরের উপর বিশেষ নজর দেওয়া হয়েছে। নিজেই এসএসকেএমন হাসপাতাল পরিদর্শন করে স্বাস্থ্য দফতরের আধিকারিকদের উদ্দেশ্যে বেশ কিছু নির্দেশ দিয়ে এসেছিলেন তিনি। যার মধ্যে প্রধান ছিল রেফার বন্ধ করা ও রাজনৈতিক নেতাদের কথাই রোগী ভর্তি। অবশ্য এখানেই শেষ নয়, সরকারের হাসপাতালের পাশাপাশি সাধারণ মানুষকে ন্যায্য মূল্যে ওষুধ পাইয়ে দিতে রাজ্যে আরও ৪০০ এরও বেশি প্রধানমন্ত্রী জন ঔষধি কেন্দ্র খোলার জন্য কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্য মন্ত্রকের কাছে অনুরোধ করা হয়েছে। এই দোকানগুলিতে বাজারের থেকে অনেকটাই কমে ওষুধ কিনতে পাওয়া যাবে।