অপেক্ষার অবসান! শুরু হতে চলেছে ঘাটাল মাস্টার প্ল্যানের কাজ, বিরাট ঘোষণা সেচমন্ত্রীর

Published on:

Published on:

Ghatal Master Plan work will start after monsoon says irrigation minister Arup Kumar Das
Follow

বাংলা হান্ট ডেস্কঃ প্রত্যেক বছর বর্ষা এলেই ঘাটালবাসীর (Ghatal) দুর্ভোগ চরমে ওঠে। জলযন্ত্রণায় স্তব্ধ হয়ে যায় জনজীবন। তবে এবার সেই দীর্ঘদিনের সমস্যার সমাধান হতে চলেছে। কারণ শীঘ্রই শুরু হতে চলেছে ঘাটাল মাস্টার প্ল্যানের (Ghatal Master Plan) মূল পর্বের কাজ। কবে থেকে শুরু হবে তা জানিয়েছেন রাজ্যের সেচমন্ত্রী নিজে।

ঘাটাল মাস্টার প্ল্যানের কাজ কবে থেকে শুরু? | (Ghatal Master Plan)

রবিবার ঘাটাল টাউন হলে ঘাটাল মাস্টার প্ল্যান ও প্রাক বন্যা পরিস্থিতি নিয়ে একটি প্রশাসনিক বৈঠক হয়েছে। সেখানে উপস্থিত ছিলেন রাজ্যের সেচমন্ত্রী অরূপ কুমার দাস, সেচ দফতরের মুখ্যসচিব রাজেশ কুমার সিনহা, স্থানীয় জেলাশাসক, পুলিশ সুপার প্রমুখরা। সেখানে বন্যা পরিস্থিতি নিয়ে আলোচনা হয়েছে। সেই সঙ্গেই বন্যা পরিস্থিতিতে কীভাবে দ্রুত খাবার, পানীয় জল, ত্রাণ, উদ্ধারকাজ ও চিকিৎসা হবে সেই নিয়েও কথা হয়।

আরও পড়ুনঃ ‘কাউকে ছাড়ব না, ক্যাপিটাল পানিশমেন্ট দেব’! বারুইপুর কাণ্ডে সর্বোচ্চ শাস্তির ঘোষণা মুখ্যমন্ত্রীর

রাজ্যের সেচমন্ত্রী জানান, ঘাটাল মাস্টার প্ল্যানের জন্য বর্তমান রাজ্য সরকার ১২৩২ কোটি টাকা বরাদ্দ করেছে। লক্ষ্যমাত্রা নেওয়া হয়েছে, আগামী চার বছরের মধ্যে ধাপে ধাপে প্রকল্পের সব কাজ শেষ করা হবে। বর্ষা মিটলেই প্রকল্পের মূল পর্বের কাজ শুরু হয়ে যাবে বলে জানিয়েছেন তিনি।

অরূপ জানান, ঘাটাল মাস্টার প্ল্যানের আওতাভুক্ত বেশ কিছু সুইস গেট মেরামতি ও সংস্কারের কাজ শুরু হয়ে গিয়েছে। তবে বর্ষায় বড় ধরণের নির্মাণকাজ করা যায় না। সেই কারণে বর্ষা মিটলেই মাস্টার প্ল্যানের মূল পর্বের কাজ শুরু হয়ে যাবে।

Ghatal Master plan meeting

এই মেগা বৈঠকে জানানো হয়, বাস্তব পরিস্থিতির নিরিখে বিশেষজ্ঞদের বানানো ডিপিআর-এ কিছু সংশোধন করা হয়েছে। এছাড়া বৈঠকে উপস্থিত বিধায়করা নিজেদের এলাকার নদীভাঙন, বাঁধের সমস্যা সহ বন্যা বিষয়ক নানা সমস্যার কথা তুলে ধরেন।

বর্ষা মানেই ঘাটালের মানুষের কাছে দুর্ভোগের সময়। প্রত্যেক বছর দেখা যায় এই ছবি। সেই সমস্যা থেকে মুক্তি পেতেই দীর্ঘদিন ধরে ঘাটাল মাস্টার প্ল্যানের অপেক্ষা করছেন তাঁরা। এবার এই প্রকল্প বাস্তবায়নে আরও একধাপ এগোল রাজ্য প্রশাসন।