বাংলা হান্ট ডেস্কঃ এখন অনেকেই ভ্রমণের সময় ট্রাভেল ইন্সুরেন্স (Insurance) করান। তবে অনেকেরই জানা নেই, ট্রেনে যাত্রার সময়ও খুব কম খরচে বড় অঙ্কের বিমা পাওয়া যায়। IRCTC-র মাধ্যমে টিকিট বুক করার সময় একটি অপশন বেছে নিলেই মাত্র ৪৫ পয়সায় ১০ লক্ষ টাকা পর্যন্ত বিমার সুবিধা মিলতে পারে।
মাত্র ৪৫ পয়সায় ১০ লক্ষ টাকার কভার (Insurance)
ট্রেনের টিকিট বুক করার সময় IRCTC-র ওয়েবসাইট বা অ্যাপে একটি অপশন আসে, যেখানে জিজ্ঞাসা করা হয় যাত্রী ভ্রমণ বিমা নিতে চান কি না। অনেকেই এই অপশনটি এড়িয়ে যান। কিন্তু এই অপশনে টিক দিলেই মাত্র ৪৫ পয়সা খরচে বিমার (Insurance) সুবিধা পাওয়া যায়। এই বিমার আওতায় কোনও ট্রেন দুর্ঘটনায় যাত্রীর মৃত্যু হলে বা তিনি স্থায়ীভাবে পঙ্গু হয়ে গেলে ১০ লক্ষ টাকা পর্যন্ত ক্ষতিপূরণ দেওয়া হয়। বিমার টাকা পান যাত্রী বা তাঁর পরিবার।
যদি দুর্ঘটনায় কোনও যাত্রী আংশিকভাবে পঙ্গু হন, তাহলে সাড়ে ৭ লক্ষ টাকা পর্যন্ত বিমার সুবিধা পাওয়া যায়। এছাড়া দুর্ঘটনার পর হাসপাতালে চিকিৎসার প্রয়োজন হলে ২ লক্ষ টাকা পর্যন্ত চিকিৎসার খরচও এই বিমার (Insurance) আওতায় মেটানো হতে পারে।
কোনও দুর্ঘটনায় যাত্রীর মৃত্যু হলে মৃতদেহ বাড়ি পৌঁছে দেওয়ার জন্য অতিরিক্ত ১০ হাজার টাকাও দেওয়া হয়। এই ধরনের বিমাকে বলা হয় এমবেডেড ইন্সুরেন্স (Insurance)। অর্থাৎ কোনও পরিষেবা নেওয়ার সময়ই বিমার সুবিধা যুক্ত থাকে। আলাদা করে এজেন্টের কাছে যেতে বা দীর্ঘ প্রক্রিয়ার মধ্য দিয়ে যেতে হয় না।
বর্তমানে প্রযুক্তির সাহায্যে বিমা সংস্থা ও বিভিন্ন ডিজিটাল প্ল্যাটফর্ম একে অপরের সঙ্গে যুক্ত থাকায় খুব সহজেই এই সুবিধা দেওয়া সম্ভব হচ্ছে। এমবেডেড ইন্সুরেন্স সাধারণত দুই ধরনের হয়। এক ক্ষেত্রে বিমার (Insurance) খরচ পণ্যের দামের মধ্যেই থাকে। অন্য ক্ষেত্রে গ্রাহক চাইলে অল্প টাকা দিয়ে বিমা নিতে পারেন। IRCTC-র ট্রাভেল ইন্সুরেন্স এই দ্বিতীয় ধরনের।

আরও পড়ুনঃ অভিষেকের ‘ডিজে’ মন্তব্য মামলা নতুন মোড়! এবার বিজেপি বিধায়কের বয়ান নিতে তলব করল CID
শুধু ট্রেন ভ্রমণ নয়, এখন স্মার্টফোন, ল্যাপটপ, ট্যাবলেট বা স্মার্টওয়াচ কেনার সময়ও অনেক সংস্থা এমন বিমার সুবিধা দিয়ে থাকে। এই বিমার (Insurance) সবচেয়ে বড় সুবিধা হল, এর জন্য আলাদা কোনও আবেদন করতে হয় না। খরচও খুব কম। আবার কোনও দুর্ঘটনা বা বিপদের সময় আর্থিক সুরক্ষাও পাওয়া যায়।
















