বাংলা হান্ট ডেস্কঃ ২০২৬ সালে দাঁড়িয়েও এমন অনেক গ্রাম রয়েছে যেগুলো বাকি গ্রাম কিংবা শহরের থেকে একপ্রকার বিচ্ছিন্ন। কিন্তু এবার আর সেটা থাকবে না, বরং আরও কাছে আনা হবে সীমান্তবর্তী এই গ্রামের মানুষদের। সেই কারণেই আমার গ্রাম আমার কল্পনা (Amar Gram Amar Kalpana) কর্মসূচি দিয়ে আর পাঁচটা ভারতীয়দের মত নাগরিক পরিষেবা দিতে কেন্দ্রের তরফ থেকে চালু হল ভাইব্র্যান্ট ভিলেজেস পোগ্রাম ২. ০ (Vibrant Villages Programme 2.0)। এই প্রকল্পের আওতায় থাকছে মালদার ২৯টি গ্রাম।
আমার গ্রাম আমার কল্পনা কর্মসূচির আয়োজন মালদায়
সম্প্রতি তিন দিন যাবৎ একটি ‘আমার গ্রাম আমার কল্পনা’ কর্মসূচির আয়োজন করা হয়েছিল। যেখানে সীমান্তবর্তী গ্রামগুলিতে স্থানীয় সংসদ ঠেকস হারুয়া করে বিধায়ক ও জেলাশাসকের স্থানীয় সাধারণ মানুষের সাথে আলোচনায় সামিল হয়েছিলেন। তাদের প্রতিদিনের সমস্যা ও কি কি প্রয়োজন সেই বিষয়ে আলোচনা হয়। এরপর কিভাবে সমস্যার সমাধান ও উন্নয়ন করা যেতে পারে সেই বিষয়েও কথা হয়।

বিগত ১২ই জুলাই থেকে ১৪ই জুলাই অবধি এই কর্মসূচি চলেছে। এই কর্মসূচিতে অংশ নিয়েছিল মালদার মুচিয়া গ্রাম পঞ্চায়েতের অন্তর্গত আদমপুর সীমান্ত গ্রাম। সেখানে উপরে জানানো পদ্ধতিতেই জেলাশাসক, বিধায়ক ও সাংসদ এসেছিলেন সাধারণ মানুষের সমস্যার কথা শুনতে। এরপর সমাধান ও উন্নয়ন কিভাবে সম্ভব সেই সম্পৰ্কে আলোচনা হয়।
গ্রামের উন্নয়নের পথ দেখবেন গ্রামবাসীরাই
এই উদ্যোগের মাধ্যমে সরকারের পরিকল্পনা ভিলেজ অ্যাকশন প্ল্যান তৈরি করা। যেটা একদিকে যেমন নাগরিক হিসাবে মৌলিক পরিষেবা সুনিশ্চিত করবে তেমনি জীবিকা ও আয়ের উৎসও বাড়িয়ে তুলবে। যে সমস্ত গ্রামে ইকো-ট্যুরিজম সম্ভব সেখানে সেই ব্যবস্থা করার পাশাপাশি যোগাযোগ ব্যবস্থার উন্নয়ন করতে হবে। এছাড়াও বর্তমান সময়ের সাথে তাল মিলিয়ে ডিজিটাল সংযোগ বাড়ানো ও প্রচার করাকে অগ্রাধিকার দেওয়া হবে বলে জানা যাচ্ছে।
মালদার জেলাশাসক শ্রী রাজ্যবির কাপুর এই উদ্যোগ প্রসঙ্গে জানান, জনগণের অংশগ্রহণের ভিত্তিতে প্রকল্পগুলির বাস্তবায়ন ও একেবারে গ্রাস লেভেল থেকে ফলাফল নিশ্চিত করছি। মালদা জেলা প্রশাসনের এই বিশেষ উদ্যোগ প্রধানমন্ত্রীর ভাব ধারার সাথে মিল রেখে ভাইব্র্যান্ট ভিজিলেন্স প্রোগ্রামের লক্ষ্যে এগিয়ে নিয়ে যাওয়া হচ্ছে। এক্ষেত্রে গ্রামগুলিকে দেশের শেষ না বরং প্রবেশ বা প্রথম হিসাবে দেখা হচ্ছে।













