বাংলা হান্ট ডেস্কঃ বার্থ সার্টিফিকেট (Birth Certificate) ও ডেথ সার্টিফিকেট (Death Certificate) নিয়ে কড়াকড়ি শুরু করেছে রাজ্য সরকার। এবার এই সার্টিফিকেটগুলি ইস্যুর ক্ষেত্রে বিরাট প্রশাসনিক বদলের কথা ঘোষণা করলেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari)। শুক্রবার স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ দফতরের দেওয়া একটি বিজ্ঞপ্তি শেয়ার করে একথা জানান তিনি।
বার্থ সার্টিফিকেট-ডেথ সার্টিফিকেট নিয়ে বড় ঘোষণা | (Suvendu Adhikari)
মুখ্যমন্ত্রী এদিন জানান, জনসেবার মান আরও উন্নত করতে রাজ্য জুড়ে জন্ম ও মৃত্যু নিবন্ধন ব্যবস্থায় গুরুত্বপূর্ণ কাঠামোগত সংস্কার সাধন করেছে সরকার। পঞ্চায়েত প্রধান, পুরপ্রধান ও এক্সিকিউটিভ অফিসারদের জন্ম-মৃত্যু রেজিস্ট্রারের দায়িত্ব থেকে সরানো হচ্ছে।
আরও পড়ুনঃ AC বাসে চেপে রানাঘাট থেকে দিঘা! নতুন বাসের ভাড়া, স্টপেজ, টাইমটেবিল জানুন
শুভেন্দু জানান, নতুন নিয়ম অনুযায়ী প্রত্যেকটি জেলার জেলাশাসক ও কালেক্টর বার্থ সার্টিফিকেট ও ডেথ সার্টিফিকেটের ‘ডিস্ট্রিক্ট রেজিস্ট্রার’ হিসেবে কাজ করবেন। এর ফলে জেলা স্তরে সমন্বয় বজায় থাকবে বলে জানান তিনি। একইসঙ্গে ঘোষণা করেছেন, হাসপাতাল ও স্বাস্থ্যকেন্দ্রগুলির জন্ম ও মৃত্যু নিবন্ধনের ক্ষেত্রে প্রাতিষ্ঠানিক ক্ষমতা আরও বৃদ্ধি করা হচ্ছে।
মুখ্যমন্ত্রী জানিয়েছেন, এবার থেকে BMOH, মেডিক্যাল কলেজের প্রধান ও গ্রামীণ হাসপাতালের সুপারিনটেনডেন্টরা তাঁদের নিজ নিজ স্বাস্থ্যকেন্দ্রের জন্ম ও মৃত্যুর রেজিস্ট্রার হিসেবে কাজ করবেন। এছাড়া নথিপত্র সংরক্ষণ ও প্রশাসনিক কাজকে সুসংহত করতে এবার থেকে প্রত্যেকটি গ্রাম পঞ্চায়েত ও পুরসভায় সরকারি অফিসারদের রেজিস্ট্রার হিসেবে নিয়োগ করা হবে।

ভোটার তালিকায় বিশেষ নিবিড় সংশোধন তথা এসআইআরের সময় বার্থ সার্টিফিকেট ইস্যু করার ক্ষেত্রে রাজ্যের নানা এলাকায় অনিয়মের অভিযোগ উঠেছিল। এরপরেই কড়াকড়ি শুরু করে নতুন রাজ্য সরকার। কয়েকদিন আগেই রেজিস্ট্রেশন অফ বার্থস অ্যান্ড ডেথস (অ্যামেডমেন্ট) রুলস, ২০২৬ গেজেট নোটিফিকেশন জারি করা হয়। এবার জন্ম-মৃত্যু রেজিস্ট্রারের দায়িত্ব থেকে পুরপ্রধান ও পঞ্চায়েত প্রধানদের সরানোর ঘোষণা করলেন মুখ্যমন্ত্রী নিজে।













