বকেয়া DA মেটাতে বড় পদক্ষেপ! ১৫ দিনের মধ্যে বিল প্রস্তুতের নির্দেশ অর্থ দপ্তরের

Published on:

Published on:

Good news for government employeesabout DA
Follow

বাংলা হান্ট ডেস্ক : সরকারি সাহায্যপ্রাপ্ত কর্মীদের জন্য স্বস্তির খবর। দীর্ঘদিনের অপেক্ষার পর অবশেষে বকেয়া মহার্ঘভাতা (DA) মেটানোর প্রক্রিয়ায় গতি আনতে উদ্যোগী হল রাজ্য সরকার (West Bengal Government)। অর্থ দপ্তরের নির্দেশে সংশ্লিষ্ট দপ্তরগুলিকে আগামী ১৫ দিনের মধ্যে বকেয়া ডিএ-র বিল প্রস্তুত রাখার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে বলে প্রশাসনিক সূত্রে জানা গিয়েছে।

সরকারি কর্মীদের বকেয়া মহার্ঘভাতাতে (DA) স্বস্তি

সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশ অনুসারে বকেয়া মহার্ঘভাতা সংক্রান্ত মামলায় চলতি বছরের মার্চ মাসেই সরকারি কর্মীদের বকেয়া ডিএ-র একটি অংশ প্রভিডেন্ট ফান্ডে জমা করা হয়েছিল। একই সময়ে অবসরপ্রাপ্ত পেনশনভোগীদের ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টেও সেই অর্থ পৌঁছে যায়। কিন্তু সরকারি সাহায্যপ্রাপ্ত বা গ্রান্ট-ইন-এইড প্রতিষ্ঠানের শিক্ষক, শিক্ষাকর্মী, পঞ্চায়েত এবং পুরসভার বহু কর্মী এখনও সেই বকেয়া পাননি।

সরকার পরিবর্তনের পর একাধিকবার বিষয়টি আলোচনায় এলেও বাস্তবে অর্থ মেলেনি। এবার সেই জট কাটার ইঙ্গিত মিলছে।প্রশাসনিক সূত্রের দাবি, বিভিন্ন সরকারি দপ্তরের অধীনে কর্মরত তথ্যপ্রযুক্তি কর্মীদের বিশেষ নির্দেশ দেওয়া হয়েছে, যাঁরা বেতন এবং প্রশাসনিক পোর্টালে বিল আপলোডের দায়িত্বে রয়েছেন, তাঁরা আপাতত অন্য কোনও আর্থিক বকেয়ার বিল জমা দেবেন না। পরিবর্তে বকেয়া ডিএ-র বিল দ্রুত প্রস্তুত করে নির্ধারিত সময়ের মধ্যে জমা দেওয়ার উপর জোর দেওয়া হয়েছে।

অর্থ দপ্তর সূত্রে জানা গিয়েছে, যাঁরা সরকারি কোষাগার থেকে সরাসরি স্থায়ী বেতন পান না, সেই সমস্ত অনুদানপ্রাপ্ত প্রতিষ্ঠানের কর্মীদের বকেয়া ডিএ নিষ্পত্তিকেই এখন অগ্রাধিকার দেওয়া হচ্ছে। তাঁদের ‘রোপা ২০০৯’ অনুযায়ী দীর্ঘদিনের বকেয়া মহার্ঘভাতার অর্থ মিটিয়ে দেওয়ার লক্ষ্যে প্রয়োজনীয় প্রশাসনিক প্রস্তুতি শুরু হয়েছে।

Good news for government employeesabout DA

আরও পড়ুন : লক্ষ্মীবারে সোনার বাজারে আগুন! একনজরে আজকের সোনা রুপোর দাম

দীর্ঘদিন ধরে বকেয়া ডিএ-র দাবিতে অপেক্ষায় থাকা সরকারি সাহায্যপ্রাপ্ত কর্মীদের কাছে এই পদক্ষেপ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করা হচ্ছে। আগামী ১৫ দিনের মধ্যে বিল প্রস্তুতির কাজ শেষ হলে বকেয়া অর্থ মেটানোর প্রক্রিয়াও দ্রুত এগোবে বলেই প্রশাসনিক মহলের আশা।