৩০, ৪০ নাকি ৫০, কোন বয়সে কত Health Insurance কভারেজ দরকার? জানালেন বিশেষজ্ঞরা

Published on:

Published on:

Health Insurance Coverage according to age
Follow

বাংলা হান্ট ডেস্কঃ কথাই বলে অসুখ বিসুখ কখনো বলে আসে না। তাই বর্তমান সময়ে দাঁড়িয়ে নিজের হোক কিংবা বাড়ির সদস্যদের জীবনের ঝুঁকি এড়াতে আগে থেকেই স্বাস্থ্যবীমা (Health Insurance) করে রাখা দরকার সকলেরই। তাছাড়া ভারতবর্ষে প্রত্যেক বছরেই একপ্রকার লাফিয়ে বাড়ছে চিকিৎসা খরচ। তবে একথাও ঠিক বয়সের সাথে সাথে প্রত্যেকেরই নানা ধরনের স্বাস্থ্য সংক্রান্ত সমস্যা তৈরি হয়। যার ফলে একজন ৩০ বছর বয়সী ব্যক্তির জন্য যে স্বাস্থ্য বীমা প্রযোজ্য তা হয়তো ৪০ কিংবা ৫০ বছর বয়সী ব্যক্তির ক্ষেত্রে প্রযোজ্য নাও হতে পারে।

জীবনের কোন পর্যায়ে কোন Health Insurance জরুরী?

বীমা বিশেষজ্ঞদের মতে, ভারতে চিকিৎসাক্ষেত্রে বার্ষিক মুদ্রাস্ফীতির হার প্রায় ১৪% থেকে ১৫% হারে বাড়ছে, তাই প্রতি বছর একই স্বাস্থ্য বীমা রিনিউ না করে নিয়মিত ওই স্বাস্থ্য বীমা পর্যালোচনা করা দরকার। আপনার বয়স অনুযায়ী কোন স্বাস্থ্যবীমা নেওয়াটা জরুরি? চলুন দেখে নেওয়া যাক।

তিরিশ বছর বয়সীদের জন্য

বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই দেখা যায় তিরিশের ব্যস্ত জীবনে বিশেষ করে বিয়ে, হোম লোন এবং সন্তান একের পর এক দায়িত্বের ভারে বাড়তে থাকে স্বাস্থ্যঝুঁকি। যদিও তুলনামূলকভাবে তা বেশ কম হয়, তাই বিশেষজ্ঞরা মনে করেন এটাই বীমার কভারেজ বাড়ানোর সেরা সময়। তাই এই বয়সেই বার্ষিক আয়ের ৫০% থেকে ১০০%-এর মধ্যে স্বাস্থ্য বীমা রাখতে বলা হয়। আয় বুঝে ৫ লক্ষ থেকে ১০ লক্ষ টাকার কভারেজ নেওয়া যেতে পারে। আর কেউ যদি ফ্যামিলি ফ্লোটার প্ল্যানে স্বাস্থ্য বীমা করাতে পারেন তাহলে সেটা তার এবং তার পরিবারের জন্যও অনেক বেশী উপকারী হবে।

আরও পড়ুনঃ ট্রাইবুনালে আবেদন না করে থাকলে কি হবে ভবিষৎ? সাফ জানালেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী

চল্লিশোর্ধদের জন্য স্বাস্থ্য বীমা

চল্লিশের কোঠায় এলেই রক্তচাপ, ডায়াবেটিস এবং থাইরয়েডের মতো সমস্যা দেখা দিতে শুরু করে ।বীমা বিশেষজ্ঞরা এক্ষেত্রেও বার্ষিক আয়ের প্রায় ওপর নির্ভর করে প্রায় ১৫০% পর্যন্ত স্বাস্থ্য বীমা কভারেজ বাড়ানোর পরামর্শ দেন। মেট্রো শহরাঞ্চলের অনেক পরিবারের জন্য ১৫ লক্ষ থেকে ২০ লক্ষ টাকার একটি পলিসি প্রায়শই উপযুক্ত বলে মনে করা হয়। এই পর্যায়ে বিশেষজ্ঞরা এমন পলিসি বেছে নেওয়ার পরামর্শ দেন যেখানে ঘর ভাড়ার কোনো সীমা নেই এবং ক্যান্সার বা হৃদরোগের মতো ব্যয়বহুল চিকিৎসার জন্য একটি ক্রিটিক্যাল ইলনেস কভার যোগ করার কথা বলেন।

পঞ্চাশের চিকিৎসার বীমা

বয়স বাড়ার সাথে সাথে চিকিৎসা খরচও বাড়তে থাকে। তাই স্বাস্থ্যকে অগ্রাধিকার দিয়ে এবং অবসরকালীন পরিকল্পনার উপর নির্ভর করে ২৫ লক্ষ থেকে ৫০ লক্ষ টাকার মোট স্বাস্থ্য বীমা করানোর পরামর্শ দেন বিশেষজ্ঞরা। তবে এক্ষেত্রেও ঝুঁকি এড়াতে বেশ কিছু সতর্কতা নেওয়া প্রয়োজন।

আসলে মজার বিষয় হল এমন কোনো পলিসি নেই যা সবার জন্য উপযুক্ত। এককথায় আদর্শ কভার নির্ভর করে কে কোথায় থাকেন? সেখানকার চিকিৎসার খরচ এবং পরিবারের অতীতের চিকিৎসার ইতিহাসের উপর। বিশেষজ্ঞদের মতে, সুপারিশকৃত কভারেজ = (বড় চিকিৎসার গড় খরচ × ২) + ভবিষ্যৎ চিকিৎসা খরচের জন্য সংরক্ষিত তহবিল। এইভাবেই স্বাস্থ্য সুরক্ষার বিষয়ে ধারণা করা যেতে পারে।