বাংলা হান্ট ডেস্কঃ পশ্চিমবঙ্গের বিধানসভা নির্বাচনের আগে SIR এর জেরে প্রায় ৩২ লক্ষ মানুষের নাম বাদ পড়েছিল ভোটার তালিকা (Voter List) থেকে। তাদের মধ্যে অনেকেই ট্রাইব্যুনালে আপিল (Tribunal Appeal) করেছেন ঠিকই কিন্তু নাম ওঠেনি ভোটার তালিকায়। তাই আগামী নির্বাচন গুলিতেও তারা আদেও ভোট দিতে পারবেন কিনা তা নিয়ে চরম উদ্বেগের মধ্যে দিয়েই কাটছে সকলের। অন্যদিকে প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে ট্রাইব্যুনালের কাজের গতি নিয়েও। এই পরিস্থিতিতে বৃহস্পতিবার নবান্ন থেকে এই বিষয়ে বড় মন্তব্য করলেন রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari)।
Tribunal Appeal নিয়ে বড় ঘোষণা শুভেন্দু অধিকারীর
সাংবাদিক বৈঠক থেকে মুখ্যমন্ত্রী এদিন জানিয়েছেন, ‘২৭ লক্ষ লোক অ্যাডজুডিকেটেড হয়েছিল। সাত লক্ষ অ্যাপ্লাই করেছেন। ২০ লক্ষ লোক অ্যাপ্লাই-ই করেননি। এলোপি অ্যাসেম্বলি যিনি আছেন ওনাদের একটা টিম আগামীকাল দুটোর সময় আমাকে এই সংক্রান্ত একটা ডেপুটেশন জমা দিতে চেয়েছেন।’ এরপরেই রাজ্যের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী কে নিশানা করে শুভেন্দু বাবুর কটাক্ষ, ‘আমি তো আগের মুখ্যমন্ত্রীর মত নই, যে এমএলএ এমপি আসছে তাদের সাথে সচিবালয় দেখা করি। আগামীকাল দশজনের একটা টিমকে আমি ইনভাইট করেছি, ওরা কি বলে আগে শুনি। ‘
ট্রাইব্যুনাল প্রসঙ্গে মুখ্যমন্ত্রীর দাবী, ‘আমি তো ডেটা সবার সামনে রেখেছি। ইস্যুটা তো আমার নয়, ইস্যুটা হচ্ছে ট্রাইব্যুনাল কোর্টের। ২৭ লক্ষের মধ্যে ৭ লাখ ট্রাইব্যুনালে অ্যাপিল করেছে। সাত লক্ষ আন্ডার কনসিডারেশন আছে। আমরা বরাবরই, বলেছি সিএএ এবং এডজুডিকেটেড ট্রাইব্যুনালে অ্যাপিল লোকেদের আমরা কোথাও কোন কিছু থেকে বঞ্চিত আমরা করছি না। সে অন্নপূর্ণা ভাণ্ডার হোক বিকশিত ভারত হোক আয়ুষ্মান ভারত হোক, মুখ্যমন্ত্রী স্বাস্থ্য বীমা হোক কোথাও থেকে বঞ্চিত করছি না। কিন্তু যে ভোটার হিসেবে ক্লেইমই করেনি, আপনি যদি নিজেকে ভারতীয় হিসেবে ক্লেইমই না করেন আপনাকে কি করে আমি ভারতবর্ষের সরকারের ঘরের টাকা দেব? কেন দেব? আপনি যদি আমার এখানে থাকতেন দিতে পারতেন নাকি? এ তো বেআইনি কাজ।’
আরও পড়ুনঃ ভরা বর্ষায় ইলিশ-হীন কলকাতার বাজার, বাংলাদেশেও দাম চড়া, কিন্তু কেন?
আরও স্পষ্ট করে তিনি জানিয়ে দিয়েছেন, ‘দপ্তর পরীক্ষা করছে, আমি সব দপ্তরে ইন্টারফেয়ার করি না। ওখানে পঞ্চায়েত সচিব রয়েছে, পঞ্চায়েতের ক্যাবিনেট মিনিস্টার রয়েছে উনি দেখছেন। যা ল-ফুল হবে তাই করবে। সরকার সমস্ত নিয়ম মেনে চলে, সংবিধান মেনে চলে এখানে ব্যক্তি কেন্দ্রিক সরকার নয় সবাই মিলে কালেক্টিভ ডিসিশন হয় এবং আমাদের সব জিনিস আমরা আইন মেনে চলি।’
সবশেষে মুখ্যমন্ত্রী আরও একবার মনে করিয়ে দিয়ে বললেন,’ আমরা ট্রাইব্যুনালে যারা অ্যাপ্লিক্যান্ট এবং সিএএ তে যারা অ্যাপ্লিক্যান্ট ।মোট ২ লাখ ৩০ হজার সিএএ তে এপ্লাই করেছে ২৩ হাজার সার্টিফিকেট পেয়েছে। বাকি ২ লাখ ৭ হাজার আন্ডার কনসিডারেশন আছে। এই ৭ লাখ আর সি এতে ২ লাখ ৭ হাজার এদের সোশ্যাল বেনিফিটকে কন্টিনিউ করার জন্য বলেছি।’













