বাংলা হান্ট ডেস্ক : এলপিজি কানেকশনের ই-কেওয়াইসি (e-KYC) করাতে গিয়ে গ্রাহকদের কাছ থেকে টাকা চাওয়ার অভিযোগকে কেন্দ্র করে শুরু হয়েছে নতুন করে উদ্বেগ। অনেক জায়গায় পরিষেবা দেওয়ার নাম করে গ্রাহকদের কাছ থেকে টাকা নেওয়ার অভিযোগ উঠছে। এই পরিস্থিতিতে গ্রাহকদের সতর্ক করে দিয়েছে এলপিজি ডিস্ট্রিবিউটরদের সংগঠন।
এলপিজির ই-কেওয়াইসি (e-KYC) করতে কী টাকা লাগছে ?
ডিস্ট্রিবিউটরদের তরফে জানা গেছে, e-KYC করার জন্য গ্রাহককে কোনও টাকা দিতে হয় না। ফলে এই কাজের জন্য কেউ অর্থ দাবি করলে সরাসরি টাকা না দিয়ে আগে বিষয়টি যাচাই করে নেওয়া জরুরি। অল ইন্ডিয়া এলপিজি ডিস্ট্রিবিউটর ফেডারেশনের ভাইস প্রেসিডেন্ট বিজন বিশ্বাস জানিয়েছেন, অনলাইন পদ্ধতিতে e-KYC করা হোক কিংবা সংশ্লিষ্ট ডিস্ট্রিবিউটরের মাধ্যমে করা হোক, এর জন্য আলাদা কোনও চার্জ নেই।
বর্তমানে বহু গ্রাহক ডিস্ট্রিবিউটরের অফিসে গিয়ে e-KYC করাচ্ছেন। সেখানে নিয়ম মেনেই প্রক্রিয়াটি সম্পন্ন করা হচ্ছে। কিন্তু e-KYC-র জন্য কোনও টাকা নেওয়ার বিধান নেই। তবে সব ধরনের পরিষেবাকে এক করে দেখলে চলবে না। এলপিজি কানেকশনের মালিকানা বদলের ক্ষেত্রে নির্দিষ্ট পরিস্থিতিতে কিছু টাকা দিতে হতে পারে।
কোনও গ্রাহকের মৃত্যুর পরে তাঁর নামে থাকা গ্যাসের সংযোগ পরিবারের অন্য কোনও সদস্য বা অন্য ব্যক্তির নামে স্থানান্তর করার প্রয়োজন হলে সেক্ষেত্রে সামান্য চার্জ প্রযোজ্য হতে পারে বলে জানিয়েছে ডিস্ট্রিবিউটর সংগঠন। এই ধরনের পরিষেবার ক্ষেত্রে টাকা দিলে তার প্রমাণ হিসেবে রশিদ নেওয়া অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। ডিস্ট্রিবিউটরের কাছ থেকে পাওয়া রশিদে কেন টাকা নেওয়া হচ্ছে, সেই কারণটিও পরিষ্কারভাবে লেখা থাকা উচিত। একইসঙ্গে এলপিজি কানেকশনের ঠিকানা পরিবর্তনের জন্য কোনও টাকা লাগে না বলেও জানিয়েছেন ফেডারেশনের ভাইস প্রেসিডেন্ট।
অফলাইনে e-KYC করার সিদ্ধান্ত নিলে আরও একটি বিষয় মাথায় রাখতে হবে। যে ডিস্ট্রিবিউটরের কাছ থেকে গ্রাহক এলপিজি পরিষেবা পান, e-KYC-র জন্য তাঁকেই সংশ্লিষ্ট ডিস্ট্রিবিউটরের অফিসে যেতে হবে। অন্য কোনও ডিস্ট্রিবিউটরের অফিসে গিয়ে এই কাজ করানো যাবে না। ফলে বাইরের কোনও ব্যক্তি বা অন্য কোনও ডিস্ট্রিবিউটরের মাধ্যমে e-KYC করিয়ে দেওয়ার প্রস্তাব এলে সতর্ক হওয়াই বুদ্ধিমানের কাজ।

আরও পড়ুন : বিতর্কের জেরে বদলে গেল রামপুরহাটের রাস্তার নাম! ফিরল নেতাজি সুভাষ চন্দ্র বসু রোড
তাই শুধুমাত্র e-KYC করানোর জন্য কাউকে টাকা দেওয়ার প্রয়োজন নেই। আর কোনও পরিষেবার ক্ষেত্রে সত্যিই চার্জ প্রযোজ্য হলে টাকা দেওয়ার আগে কারণ জেনে নিন এবং অবশ্যই রশিদ সংগ্রহ করুন। e-KYC-র মতো গুরুত্বপূর্ণ পরিষেবাকে ঘিরে প্রতারণার ফাঁদে পা না দিয়ে সচেতন থাকাই এখন গ্রাহকদের সবচেয়ে বড় সুরক্ষা।













