বাংলা হান্ট নিউজ ডেস্কঃ শ্রীলঙ্কার বিরুদ্ধে (Sri Lanka vs India) বৃষ্টিবিঘ্নিত চলমান টেস্টে ভারতীয় দল (Indian Cricket Team) পুরোপুরি চালকের আসনে। আর তার মূল কারণ হলো নবাগত ব্যাটার দেবদত্ত পাডিকল (Devdutt Padikkal)। তার অসাধারণ শতরানে ভর করে দ্বিতীয় দিনের শেষে ৯ উইকেট খুঁইয়ে ৪৬০ রান করেছে ভারত।
ব্যাট হাতে অসাধারণ ব্যাটিং করেছেন দেবদত্ত পাডিকল। তিনি ২৩০ বল খেলে ১৫টি চার ও একটি ছক্কা সহ ১৬৭ রান করে জয়সূর্যর বলে স্টাম্পড হন। তিনি হয়েছেন স্বাধীনতা দিবসে টেস্ট শতরান করা প্রথম ভারতীয় ক্রিকেটার। ভারতের মিডল অর্ডারকে নতুন করে ভরসা জুগিয়েছেন তিনি।

স্পিনের বিরুদ্ধে এই দুইদিনে অত্যন্ত সাবলীল দেখিয়েছে দেবদত্তকে। শচীন, লক্ষ্মণ, দ্রাবিড়রা ভারতীয় দল থেকে বিদায় নেওয়ার পরে স্পিনের বিরুদ্ধে অত্যন্ত সাবলীল কোনও ক্রিকেটারকে পাওয়া যায়নি। অত্যন্ত প্রাথমিক পর্যায় হলেও অনেক ক্রিকেট বিশেষজ্ঞই মনে করছেন যে দেবদত্ত সেই তারকা হতে পারেন যার অভাব ভারতীয় দল গত ১২-১৩ বছর ধরে ভুগছিল।
আরও পড়ুন: এই কারণে ভারতীয় দলে কোহলি বা রোহিতকে ছুঁতে পারবেন না বৈভব সূর্যবংশী! কড়া মন্তব্য হরভজনের
এই ব্যাপারে বাঁ-হাতি এই তরুণ ভারতীয় ব্যাটারকে সার্টিফিকেট দিচ্ছেন সঞ্জয় মাঞ্জরেকর। তিনি বলেছেন, “ভারতীয় দলে দেবদত্ত পাডিকলের অন্তর্ভুক্তি ছিল এক বড় পরিবর্তন। তাকে যখন ক্রিজে এসে স্পিন বোলিংয়ের বিপক্ষে স্বাচ্ছন্দ্যে খেলতে দেখা যায়, তখন তা ক্রিকেটপ্রেমীদের মুগ্ধ করে। স্পিনের বিরুদ্ধে রক্ষণাত্মক খেলায় তিনি যেমন দক্ষ, তেমনি ফিল্ডাররা কিছুটা দূরে থাকলে অনায়াসেই এক বা দুই রান বার নিতে পারেন। আবার আক্রমণাত্মক শট খেলতেও তিনি সমান পারদর্শী। বিশেষ করে মন্থর ও বল টার্ন করছে এমন পিচে ব্যাকফুটে গিয়ে তার শট খেলার ক্ষমতাটি অসাধারণ।”
আরও পড়ুন: রোহিত শর্মাকে নিয়ে দুই ভাগে বিভক্ত BCCI! খুব তাড়াতাড়ি হবে জরুরি বৈঠক
তিনি আরও যোগ করে বলেছেন, “ধীরগতির ও স্পিন-সহায়ক পিচে সোজা ব্যাটে ব্যাকফুটে শট খেলা কিংবা পুল শট মারার বিষয়টি প্রমাণ করে যে তিনি ব্যাকফুটে খেলাই পছন্দ করেন। এমন স্বভাবের পিচে স্পিন খেলার সেরা উপায় হলো নিজেকে আরও বেশি সময় দেওয়ার জন্য অধিকাংশ বল ব্যাকফুটে খেলা। সাই সুদর্শন দলে ফিরলেও ভারতীয় টিম ম্যানেজমেন্টের দেবদত্তকেই ৩ নম্বরে ব্যাট করানো উচিত। কারণ স্পিন বোলিংয়ের বিপক্ষে তাঁকে অত্যন্ত শক্তিশালী ও নির্ভরযোগ্য খেলোয়াড় মনে হয়। আমার মতে, ভারতের জন্য তিনি যেন এক আশীর্বাদস্বরূপ।”













