Durga Puja 2026 Live Updates

খারাপ রাস্তা নিয়ে ভোগান্তির দিন শেষ! ১০ই অক্টোবর ডেডলাইন বেঁধে বড় বার্তা মুখ্যমন্ত্রীর

Published on:

Published on:

₹25 crore allocated for repairing 100 roads in Howrah ahead of Puja.
Follow

বাংলা হান্ট ডেস্ক : রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্তে রাস্তার পরিস্থিতি নিয়ে দীর্ঘদিন ধরেই সাধারণ মানুষের অভিযোগ রয়েছে। কোথাও বড় বড় গর্ত, কোথাও আবার রাস্তার উপর জমে থাকা জল।রাস্তার এই দুর্বস্থা নিয়ে এবার প্রশাসনিক স্তরে পদক্ষেপের বার্তা দিলেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari)। বর্ষায় এই রাস্তায় কার্যত যান চলাচল বন্ধ হয়ে বসে, সমস্যায় পড়েন পথচারীরাও। দিনের আলোতেও অনেক সময় জলের নীচে থাকা গর্তের গভীরতা বোঝা সম্ভব না হওয়ায় দুর্ঘটনার আশঙ্কা বাড়ে।

বেহাল রাস্তার নিয়ে বড় পদক্ষেপ মুখ্যমন্ত্রীর (Suvendu Adhikari)

মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী জানান, দুর্গাপুজোর আগেই রাজ্যের ভাঙাচোরা রাস্তাগুলি সংস্কারের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। কাজ শেষ করার জন্য ১০ অক্টোবর পর্যন্ত সময়সীমা বেঁধে দেওয়া হয়েছে বলেও জানান তিনি। জানা গেছে, রাস্তা সংস্কারের দায়িত্ব শুধু একটি দফতরের হাতে রাখা হয়নি। পূর্ত দফতর, পঞ্চায়েত দফতর এবং নগরোন্নয়ন ও পৌর বিষয়ক দফতরকে নিজেদের এলাকার রাস্তা মেরামতের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।

মুখ্যমন্ত্রীর বক্তব্য অনুযায়ী, পূর্ত দফতরের সঙ্গে ইতিমধ্যেই বৈঠক হয়েছে। রাস্তা মেরামতের জন্য প্রয়োজনীয় অর্থও অনুমোদন করা হয়েছে। পাশাপাশি, পঞ্চায়েত দফতরকে ৩২০০টি রাস্তা সংস্কারের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। পুরসভা এলাকার ক্ষতিগ্রস্ত রাস্তাগুলির কাজ করবে নগরোন্নয়ন ও পৌর বিষয়ক দফতর।

উল্লেখ্য, লাগাতার বৃষ্টির কারণে এই মুহূর্তে সর্বত্র পিচের কাজ করা সম্ভব নয় বলে জানানো হয়। তাই প্রথম পর্যায়ে বড় গর্তগুলি বন্ধ করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। বৃষ্টির প্রকোপ কমলে শুরু হবে রাস্তার উপর পিচ দেওয়ার কাজ।রাস্তা সংস্কার নিয়ে মুখ্যমন্ত্রী জানিয়েছেন, “সব সারিয়ে দেব। ১০ অক্টোবরের মধ্যে সারিয়ে দেব। আমি আলাদা আলাদা ভাবে তিনটে গ্রুপ মিটিং করে নিয়েছি।সব এক্সিসটিং রোড, মোর অর লেস, মিটে যাবে। চিন্তা করবেন না। ভরসা রাখুন।”

CM Suvendu Adhikari's major message regarding repair of bad roads

আরও পড়ুন : দুর্গাপুজোর আগে নবান্নে বড় বৈঠক, অনুদান নিয়ে কী সিদ্ধান্ত নতুন সরকারের?

আপাতত বর্ষার মধ্যে জরুরি ভিত্তিতে গর্ত মেরামত এবং পরে পিচের কাজ—এই দুই ধাপে এগোতে চাইছে প্রশাসন। এখন দেখার, নির্ধারিত ১০ অক্টোবরের মধ্যে রাস্তার কাজ কতটা বাস্তবে শেষ হয় এবং পুজোর আগে রাজ্যের রাস্তাঘাটে সাধারণ মানুষের দুর্ভোগ কতটা কমে।