আরজি কর কাণ্ডে নতুন মোড়! মুখ্যমন্ত্রীর নির্দেশের পর বড় পদক্ষেপ সন্দীপ ঘোষের

Published on:

Published on:

Sandip Ghosh takes major step after CM's directive in the RG Kar case
Follow

বাংলা হান্ট ডেস্ক : রাজ্যে সরকার বদলের পর আরজি কর মেডিক্যাল কলেজ মামলায় (RG Kar Case) ফের তৎপরতা শুরু হয়েছে। একদিকে আরজি কর-কাণ্ডের তদন্ত নতুন করে এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার নির্দেশ দিয়েছে রাজ্য সরকার। অন্যদিকে, আর্থিক দুর্নীতির মামলায় জামিন পেতে এবার সুপ্রিম কোর্টের দরজায় কড়া নাড়লেন হাসপাতালের প্রাক্তন অধ্যক্ষ সন্দীপ ঘোষ (Sandip Ghosh)।

আর জি কর মামলায় (RG Kar Case) সুপ্রিমের দ্বারস্থ সন্দীপ

সন্দীপ ঘোষের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা সিবিআইয়ের কাছে জবাব চেয়েছে শীর্ষ আদালত। সুপ্রিম কোর্টে সন্দীপ ঘোষের জামিনের আবেদন গ্রহণ করে সিবিআইকে নোটিস পাঠানো হয়েছে। সূত্রের খবর, আগামী সপ্তাহে বিচারপতি এম এম সুন্দ্রেশ এবং বিচারপতি পি বি ভারালের বেঞ্চে এই আবেদনের শুনানি হতে পারে। ফলে শীর্ষ আদালতে তাঁর জামিনের আবেদন কোন দিকে এগোয়, এখন সেটাই গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে।

প্রসঙ্গত, রাজ্যে বিজেপি সরকার ক্ষমতায় আসার পর আরজি কর-কাণ্ডের তদন্ত নিয়ে নতুন করে সক্রিয় হয়েছে প্রশাসন। মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী নতুন করে মামলার বিষয়ে কড়া নির্দেশ দেন। এরপরই অভয়ার পরিবারের তরফে পানিহাটির প্রাক্তন তৃণমূল বিধায়ক নির্মল ঘোষ-সহ তিনজনের বিরুদ্ধে লিখিত অভিযোগ দায়ের করা হয়। সেই অভিযোগের ভিত্তিতে ইতিমধ্যেই নির্মল ঘোষকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।

উল্লেখ্য, ২০২৪ সালের আরজি কর মেডিক্যাল কলেজে তরুণী চিকিৎসককে ধর্ষণ ও খুনের ঘটনা গোটা দেশে ব্যাপক আলোড়ন তৈরি করেছিল। তদন্ত যত এগিয়েছে, ততই সামনে এসেছে হাসপাতালের প্রশাসনিক ব্যবস্থাপনা নিয়ে একাধিক প্রশ্ন। তৎকালীন অধ্যক্ষ সন্দীপ ঘোষের ভূমিকা খতিয়ে দেখার পাশাপাশি তাঁর সময়ে প্রায় তিন বছর ধরে হাসপাতালে চলা কথিত প্রাতিষ্ঠানিক আর্থিক অনিয়মের অভিযোগও তদন্তের অংশ হয়ে উঠেছে।

Sandip Ghosh takes major step after CM's directive in the RG Kar case

আরও পড়ুন : সরকারি জমিতে মায়ের নামে বৃদ্ধাশ্রম, তৃণমূল বিধায়ককে ১৫ দিনের ‘ডেডলাইন’ প্রশাসনের

সন্দীপ ঘোষের বিরুদ্ধে হাসপাতাল সংক্রান্ত একাধিক অভিযোগ রয়েছে। এই অভিযোগের তদন্তে নেমে তাঁকে গ্রেপ্তার করে সিবিআই। পরবর্তী সময়ে ধর্ষণ ও খুনের মামলায় জামিন পেলেও আর্থিক দুর্নীতির মামলায় তিনি জামিন পাননি। সেই মামলাতেই জামিন চেয়ে এবার শীর্ষ আদালতের দ্বারস্থ হয়েছেন তিনি।