বাংলা হান্ট ডেস্ক : পুজোর আগে খাবার নিয়ে বড় সতর্কবার্তা দিলেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী (Health Minister)। বাজারে চোখধাঁধানো রংয়ের মিষ্টি কিংবা উজ্জ্বল রঙের সবজি দেখলেই তা ভালো মানের, এমনটা ধরে নেওয়া যাবে না। খাবার আকর্ষণীয় করতে ক্ষতিকর রাসায়নিক ব্যবহারের অভিযোগ ঘিরে এবার কড়া অবস্থানের কথা জানালেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী শারদ্বত মুখোপাধ্যায়।
রংযুক্ত খাবার নিয়ে সতর্ক করলেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী (Health Minister)
স্বাস্থ্যমন্ত্রীর কথায়, মানুষের শরীরের জন্য বিপজ্জনক এবং ক্যানসারের ঝুঁকি বাড়াতে পারে এমন কারসিনোজেনিক রং খাবারে মেশানো কোনওভাবেই বরদাস্ত করা হবে না। বিশেষ নজরে রয়েছে মিষ্টির দোকান ও বাজারের খোলা মশলায়। স্বাস্থ্যমন্ত্রীর কথায়, জিলিপি, বিভিন্ন ধরনের রঙিন মিষ্টি এবং হলুদ রঙের মিষ্টিতে কৃত্রিম রং ব্যবহারের প্রবণতা দেখা যাচ্ছে। একই অভিযোগ রয়েছে খোলা হলুদ গুঁড়ো ও লঙ্কার গুঁড়ো নিয়েও। বিষয়টি যাচাই করতে ইতিমধ্যেই মাঠে নেমেছেন প্রশাসনের আধিকারিকরা। ঘটনাস্থলেই খাবারের নমুনা পরীক্ষা করছেন তারা।
শুধু মিষ্টি নয়, মাছ, চিকেন এবং পানীয় জল নিয়েও সতর্ক করেছেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী। খাবারের ক্ষেত্রে অস্বাভাবিক উজ্জ্বল রং দেখলে সতর্ক হওয়ার পরামর্শ দিয়েছেন তিনি। বাজার থেকে সবজি কেনার সময়ও নজর রাখার কথা বলা হয়েছে। কিছু নির্দিষ্ট সবজি নিয়েও বিশেষ সাবধান করেছেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী। তাঁর কথায়, আলু, রাঙা আলু এবং পটলের মতো সবজিতে কৃত্রিম রং মেশানোর প্রবণতা রয়েছে। ফলে শুধুমাত্র দেখতে সুন্দর বা টাটকা মনে হচ্ছে বলেই সেগুলি কিনে ফেলা উচিত নয়। খাবারের স্বাভাবিক রং এবং গুণমান সম্পর্কে সচেতন হওয়ার পরামর্শই দেওয়া হয়েছে।
স্বাস্থ্যমন্ত্রী ব্যবসায়ীদের সতর্ক করে জানিয়েছেন, পুজোর মরসুমে বিক্রি বাড়লেও খাদ্যের মানের ক্ষেত্রে যেন কোনওরকম অনিয়ম না হয়। সাধারণ মানুষের স্বাস্থ্যের কথা মাথায় রেখে নিরাপদ খাবার পরিবেশন করার কথাও বলেছেন তিনি।

আরও পড়ুন : ৯০% পর্যন্ত সস্তা হবে ওষুধ! কলকাতা-হাওড়া-সহ কোথায় কত জন ঔষধি কেন্দ্র?
উল্লেখ্য, বাইরে খাবার খাওয়ার সময় সস ব্যবহারের ক্ষেত্রে সাবধান হওয়ার পরামর্শ দিয়েছেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী। খাদ্য নিরাপত্তার ক্ষেত্রে FSSAI-এর অনুমোদন যুক্ত খাবার বেছে নেওয়ার আবেদন জানানো হয়েছে। পুজোর আনন্দে রঙিন খাবারের আকর্ষণে যেন স্বাস্থ্যের সঙ্গে আপস না হয়, সেটিই এখন প্রশাসনের মূল বার্তা।













