‘গ্ৰান্ট-ইন-এইড কর্মচারীদের বকেয়া..,’ চিন্তার মাঝেই DA নিয়ে বড় বার্তা দিলেন ভাস্কর ঘোষ

Published on:

Published on:

dearness allowance(307)
Follow

বাংলা হান্ট ডেস্কঃ আশঙ্কা সত্যি করে পশ্চিমবঙ্গের সরকারি কর্মচারীদের (Government Employees) পঞ্চম পে কমিশন সংক্রান্ত বকেয়া ডিএ (Dearness Allowance) সংক্রান্ত বৈঠক বাতিল হয়েছে। রাজ্য অর্থদপ্তরের উদ্যোগে আগামী ১২ সেপ্টেম্বর দিল্লিতে এই বৈঠক হওয়ার কথা ছিল। তবে শেষ মুহূর্তে তা বাতিল হওয়ায় স্বাভাবিকভাবেই ক্ষোভ সরকারি কর্মচারীদের মধ্যে। আগে এই নিয়ে অবসরপ্রাপ্ত বিচারপতি ইন্দু মালহোত্রার নেতৃত্বাধীন মনিটরিং কমিটিকে দোষারোপ করেছে কনফেডারেশন অফ স্টেট গভঃ এমপ্লয়িজ। এবার ক্ষোভ উগরে দিলেন সংগ্রামী যৌথ মঞ্চের আহ্বায়ক ভাস্কর ঘোষও।

গ্রান্ট ইন কর্মীদের উদ্দেশে বড় বার্তা ভাস্কর ঘোষের | Dearness Allowance

সমাজমাধ্যমে ভাস্করবাবু লিখেছেন, ‘বহুবার প্রচেষ্টা করেও যখন সুপ্রিম কোর্ট নির্ধারিত মালহোত্রা কমিটির সাথে বৈঠক করে আমাদের সমস্যাগুলোর ফলপ্রসূ সমাধান যখন বের হচ্ছিল না তখন বাধ্য হয়ে সুপ্রিম কোর্টের শুনানিতে পূর্ণাঙ্গ কমিটির সাথে আমাদের সরাসরি বৈঠক করে আমাদের বক্তব্য সরাসরি শোনানোর কথা রেখেছিলাম। কোর্টও আমাদের আবেদনকে মান্যতা দিয়ে কমিটিকে নির্দেশ দেয় আমাদের বক্তব্য শোনার।’

ভাস্করবাবু লিখেছেন, ‘সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশের পরে কমিটি তৎপর হয় এবং বৈঠক ঠিক হয়। BRICS গোষ্ঠীভুক্ত দেশগুলোর রাষ্ট্রপ্রধানদের মিটিং বহু পূর্বেই ঠিক হয়েছিল। এই মিটিং এর গুরুত্বও আশা করি সকলেই বোঝেন। এত এত দেশের এত এত রাষ্ট্রপ্রধান আসবেন,সাথে অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ নেতৃবর্গ আসবেন সে অবস্থায় ওই বৈঠকের সময় আমাদের বৈঠক এর দিন ঠিক করার যৌক্তিকতা খুঁজে পাইনি।’

একইসাথে তিনি লিখেছেন, ‘যাই হোক বিচার বিভাগীয় কমিটি তাদের সম্পর্কে খুব বেশি কিছু প্রকাশ্যে বলাও যায় না। যদিও কোন পরিস্থিতিতেই হতাশই না বরং নতুন করে লড়াইয়ের জন্য প্রস্তুত হচ্ছি। গ্ৰান্ট-ইন-এইড কর্মচারীদের বকেয়া নিয়ে টালবাহানা চললে পথে নামবো, তবে এবার নামলে নতুন ইতিহাস সৃষ্টি করার জন্য নামবো।’

dearness allowance(302)

আরও পড়ুন: উত্তরবঙ্গগামী ট্রেনে নতুন রুটের ভাবনা, আজিমগঞ্জ-কাটোয়া লাইনে বাড়ছে গুরুত্ব

উল্লেখ্য, এর আগে এই বৈঠক নিয়ে ভাস্করবাবু লিখেছিলেন, “গ্ৰান্ট ইন এইড কর্মচারীদের সমস্যা সমাধান এখন আমাদের পাখির চোখ।” মামলার শেষ শুনানিতে সংগ্রামী যৌথ মঞ্চের তরফে, রাজ্যের গ্র্যান্ট-ইন-এইড আওতাভুক্ত শিক্ষক-শিক্ষিকা ও কর্মীরা বকেয়া ডিএ-র বিষয় নিয়ে প্রশ্ন করা হয়। সরকারি পোষিত কর্মীরা এখনও বকেয়ার কোনো অংশ পাননি। বহু কর্মচারীদের বকেয়া মেটানো হলেও কেন, গ্র্যান্ট-ইন-এইড প্রতিষ্ঠানের কর্মচারীরা সম্পূর্ণরূপে বাদ পড়লেন সেই প্রশ্ন আদালতেও তোলা হয় সংগ্রামী যৌথ মঞ্চের তরফে। মনিটরিং কমিটির ১২ তারিখের এই বিষয় নিয়ে আলোচনার মাধ্যমে জট খোলার জোরালো সম্ভাবনা ছিল। গ্র্যান্ট-ইন-এইডভুক্ত কর্মীরা এই নিয়ে আশায় ছিলেন। তবে শেষ মুহূর্তে তা বাতিল হওয়ায় আশাহত সরকারি কর্মচারীরা।