রাজ্যে ফের চিটফান্ড কেলেঙ্কারি! অভিনব কায়দায় আদায় প্রায় ২০০ কোটি, গ্রেফতার এজেন্ট

Published on:

Published on:

Chit fund scam in East Medinipur one arrested
Follow

বাংলা হান্ট ডেস্কঃ ভুয়ো প্রতিশ্রুতি দিয়ে কয়েকশো কোটি টাকার প্রতারণা। ফের এক চিটফান্ড কেলেঙ্কারির (Chit Fund Scam) সাক্ষী থাকল রাজ্য। হাওড়ার রাজাপুর থেকে এক প্রতারককে গ্রেফতার করেছে পূর্ব মেদিনীপুর জেলা পুলিশ। পুলিশের অনুমান, প্রাথমিকভাবে ওই চিটফান্ড (Chit Fund) সংস্থার মাধ্যমে গোটা জেলা জুড়ে প্রায় ২০০ কোটি টাকারও বেশি তোলা হয়ে থাকতে পারে।

মাসে ৮ শতাংশ হারে সুদের টোপ দিয়ে টাকা তোলার অভিযোগ | (Chit Fund Scam)

জানা গিয়েছে, পূর্ব মেদিনীপুরের মেচেদায় একটি চিটফান্ড কোম্পানির অফিস ছিল। অভিযোগ, তমলুকের বড়বড়িয়া গ্রাম নিবাসী শেখ আসলাম ওই সংস্থাটির এজেন্ট হিসেবে কর্মরত ছিলেন। তমলুকেরই বিশ্বাস এলাকা নিবাসী শাহাজান পাখিরার অভিযোগ, ২০২৪ সালের ৩০ এপ্রিল থেকে গত বছরের ৬ জুনের মধ্যে দু’দফায় আসলামকে মোট ৩০ লক্ষ টাকা দিয়েছিলেন তিনি। তাঁকে মাসে ৮ শতাংশ হারে সুদ দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দেওয়া হয়েছিল।

আরও পড়ুনঃ কংগ্রেসের জন্য দরজা বন্ধ! জোট প্রস্তাব প্রত্যাখান করতেই কড়া সিদ্ধান্ত মমতার

তবে শাহাজানের অভিযোগ, এরপর অনেকটা সময় পেরিয়ে যায়। অবশেষে চলতি বছরের ১৯ জুলাই লভ্যাংশ হিসেবে মাত্র দেড় লক্ষ টাকা পান তিনি। এরপর গত ৩১ অগাস্ট এই নিয়ে তমলুক থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন শাহাজান। সেই অভিযোগের ভিত্তিতে তদন্তে নামে পুলিশ। সম্প্রতি হাওড়া থেকে অভিযুক্ত আসলামকে গ্রেফতার করা হয়।

পুলিশ জানিয়েছে, বেশ কিছুদিন ধরেই নিজের বাড়ি ছেড়ে রাজাপুরে ভাড়া বাড়িতে গা ঢাকা দিয়েছিলেন আসলাম। গ্রেফতারির পর তাঁকে তমলুক আদালতে তোলা হলে পাঁচ দিনের পুলিশ হেফাজতের নির্দেশ দেন বিচারক।

এই ঘটনা প্রসঙ্গে নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক পুলিশ আধিকারিক বলেন, “আর্থিক প্রতারণার অভিযোগে হাওড়া থেকে এক ব্যক্তিকে গ্রেফতার করা হয়েছে। একাধিক থানায় তাঁর বিরুদ্ধে অভিযোগ জমা পড়েছে। সবকিছু খতিয়ে দেখা হচ্ছে। আরও কারা কারা এই চক্রের সঙ্গে জড়িত সেই বিষয়ে তদন্ত শুরু হয়েছে।“

Chit fund scam

পুলিশ জানিয়েছে, ধৃতকে হেফাজতে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদের সময় ওই চিটফান্ড সংস্থার কাজকর্ম ও টাকা তোলার পদ্ধতি নিয়ে বেশ কিছু তথ্য পাওয়া গিয়েছে। আসলামের অধীন আরও ২৭ জন এজেন্ট ছিলেন বলে দাবি তদন্তকারীদের। পাশাপাশি জানা গিয়েছে, জেলা জুড়ে ওই সংস্থার সঙ্গে যুক্ত প্রায় তিনজন ডিরেক্টর ছিলেন।