বাংলা হান্ট ডেস্কঃ তৃণমূলের দুই শিবিরের মধ্যে দড়ি টানাটানির জেরে ইতিমধ্যেই ‘সর্বভারতীয় তৃণমূল কংগ্রেস’ নাম ও ‘জোড়াফুল’ প্রতীক হারিয়েছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। শুক্রবার বিকল্প নাম, প্রতীক জানিয়েছে নির্বাচন কমিশন। সেই ঘোষণা হওয়ার কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই জোর ধাক্কা খেল মমতা সর্বভারতীয় তৃণমূল কংগ্রেস (Mamata All India Trinamool Congress)। মনোনয়ন প্রত্যাহার করে নিলেন মমতা শিবিরের নন্দীগ্রামের প্রার্থী সঞ্চিতা প্রধান দে (Sanchita Pradhan Dey)।
ভোটের লড়াই থেকে সরে দাঁড়ালেন সঞ্চিতা | (Sanchita Pradhan Dey)
আসন্ন উপনির্বাচনের মনোনয়ন প্রত্যাহার করার শেষ দিন ছিল শনিবার। তার আগে আজ দুপুর ১টা নাগাদ স্বামীকে নিয়ে মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর সঙ্গে দেখা করেন মমতা শিবিরের প্রার্থী সঞ্চিতা। এরপর নন্দীগ্রামের লড়াই থেকে সরে দাঁড়ান তিনি।
আরও পড়ুনঃ ধোপে টিকল না রেলের যুক্তি! ৮ লাখ টাকা ক্ষতিপূরণ দেওয়ার নির্দেশ হাইকোর্টের, কোন মামলায়?
সূত্র মারফত জানা গিয়েছে, এদিন অত্যন্ত গোপনে মুখ্যমন্ত্রীর সঙ্গে বৈঠক সারেন সঞ্চিতা। তিনি কোথায় যাচ্ছেন, তাঁর কী পরিকল্পনা সেটা আগে থেকে কাউকে জানতে দেননি। সকালে নন্দীগ্রাম থেকে রওনা দেওয়ার সময়ও তিনি কিছু বলেননি। পরবর্তীতে জানা যায়, মুখ্যমন্ত্রীর সঙ্গে দেখা করেছেন।
সেই সময় ঘনিষ্ঠ সূত্রে জানা গিয়েছিল, শুভেন্দুর আশীর্বাদ নিতে গিয়েছেন সঞ্চিতা। তবে সেই সাক্ষাতের কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই হলদিয়ায় মহকুমাশাসকের দফতরে এসে নিজের মনোনয়নপত্র প্রত্যাহার করে নেন তিনি।

আসন্ন উপনির্বাচনে নন্দীগ্রামে মমতা শিবিরের প্রার্থী কে হবে এই নিয়ে বিস্তর কানাঘুষো শোনা গিয়েছিল। প্রথমে শোনা যায়, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় নিজে এই কেন্দ্র থেকে দাঁড়াবেন। জেলার অভিজ্ঞ নেতা তথা প্রাক্তন মন্ত্রী অখিল গিরির নামও প্রার্থী হিসেবে উঠে এসেছিল। তবে শেষমেষ শিক্ষিকা সঞ্চিতাকে টিকিট দেয় দল। এবার তিনিই ভোটের লড়াই থেকে সরে দাঁড়ালেন।
সঞ্চিতার এই সিদ্ধান্তের পর সাংবাদিক বৈঠকে মমতা জানান, নন্দীগ্রামে কংগ্রেস প্রার্থীকে তাঁরা সমর্থন করবেন। তিনি বলেন, “নন্দীগ্রামে আমরা কংগ্রেসকে সমর্থন করব, ইন্ডিয়া জোটে লড়ব।“













