বাংলা হান্ট ডেস্কঃ শনিবার সকালে জানিয়েছিলেন রেজিনগর উপনির্বাচনে লড়বেন না। বেলা গড়াতে না গড়াতেই মতবদল মমতা সর্বভারতীয় তৃণমূল কংগ্রেস (Mamata TMC) প্রার্থী রবিউল আলম চৌধুরীর (Rabiul Alam Chowdhury)। তিনি জানিয়েছেন, দলনেত্রীর সঙ্গে কথা বলার পর সিদ্ধান্ত পুনর্বিবেচনা করেছেন। আজ থেকেই ভোট প্রচারে নেমে পড়বেন।
রেজিনগরে লড়ছেন রবিউল | (Rabiul Alam Chowdhury)
সংবাদমাধ্যমের মুখোমুখি হয়ে মমতা শিবিরের রেজিনগরের প্রার্থী বলেন, “প্রার্থীপদ প্রত্যাহার করার যে সিদ্ধান্ত আমি নিয়েছিলাম, দিদির সঙ্গে কথা বলার পর সেটা থেকে সরে দাঁড়িয়েছি। দিদি আমায় আশ্বাস দিয়েছেন। দিদির দল করি, উনি যা বলবেন, তেমনই করব।“
আরও পড়ুনঃ গ্রান্ট ইন এড-দের বকেয়া DA কবে দেবে সরকার? হাইকোর্টে মামলা পশ্চিমবঙ্গ প্রধান শিক্ষক সমিতির
আজ থেকেই আনুষ্ঠানিকভাবে আসন্ন উপনির্বাচনের প্রচার শুরু করবেন রবিউল। এর আগে তিনি জানিয়েছিলেন, দলের নতুন প্রতীক আসার কারণে সমস্যা হচ্ছে। এত অল্প সময়ের মধ্যে কর্মী-সমর্থকদের নতুন প্রতীক চেনানো অসম্ভব। পাশাপাশি কর্মী-সমর্থকদের ভয় দেখানোরও দাবি করেছিলেন তিনি।
রবিউলের মনোনয়ন প্রত্যাহারের পিছনে এই সিদ্ধান্তগুলিও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নিয়েছিল। যদিও পরবর্তীতে এই বিষয়ে জিজ্ঞেস করা হলে তিনি বলেন, “যা হবে, দেখা যাবে।“
এদিকে কালীঘাট সূত্রে জানা গিয়েছে, রবিউল প্রার্থীপদ প্রত্যাহার করতে চলেছেন একথা জানার পর খোদ মমতা তাঁকে ফোন করেন। মনোনয়ন প্রত্যাহার না করার অনুরোধ জানান তিনি। দীর্ঘদিন দু’জনের ফোনে কথা হয়। শেষমেষ তাঁকে রাজি করিয়ে ফেলেন দলনেত্রী।

আগামী ৬ অক্টোবর নন্দীগ্রাম ও রেজিনগরে উপনির্বাচন। মনোনয়ন প্রত্যাহারের শেষ দিন আজ। তার আগে গতকালই মমতা শিবিরের নন্দীগ্রামের প্রার্থী সঞ্চিতা প্রধান দে প্রার্থীপদ প্রত্যাহার করেছেন। পরবর্তীতে সাংবাদিক বৈঠকে মমতা জানান, ওই আসনে কংগ্রেস প্রার্থীকে সমর্থন করবেন তিনি। তবে রেজিনগর নিয়ে পরে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।
এরপর আজ সকালে রবিউল জানান, তিনি ভোটে লড়বেন না। মনোনয়ন প্রত্যাহারের জন্য বহরমপুরের উদ্দেশে রওনাও দিয়েছিলেন। তবে শেষ অবধি মমতার সঙ্গে কথা বলে নিজের সিদ্ধান্ত বদল করেন তিনি।












