সরকারি কর্মীদের আরও একটি সুখবর দিল নবান্ন, পুজোর মাস থেকে চালু নয়া সুবিধা

Published on:

Published on:

West Bengal government
Follow

বাংলা হান্ট ডেস্কঃ রাজ্য সরকারি কর্মচারী (Government Employees) এবং পেনশনভোগীদের জন্য নয়া সুবিধা আনল রাজ্য সরকার (Government Of West Bengal)। যোগ‌্যতার শর্ত শেষ হওয়ার পর যাঁরা পশ্চিমবঙ্গ স্বাস্থ্য স্কিম (West Bengal Health Scheme) এর বাইরে চলে গিয়েছেন, সেই সমস্ত সরকারি কর্মীদের পুত্র ও কন‌্যাদের জন্য বড় সুরাহা। নির্দিষ্ট শর্ত পূরণ করলেই এবার তারা সরকারি রেটে স্কিমের অধীন থাকা হাসপাতালে চিকিৎসা করাতে পারবেন।

স্বাস্থ্য স্কিম-এ নয়া সুবিধা শুরু করল পশ্চিমবঙ্গ সরকার | Government Of West Bengal

সম্প্রতি পশ্চিমবঙ্গ সরকারের অর্থ দপ্তরের মেডিক্যাল সেল থেকে বিজ্ঞপ্তি জারি করে পশ্চিমবঙ্গ স্বাস্থ্য স্কিম নিয়ে এই গুরুত্বপূর্ণ ঘোষণা করা হয়েছে। এই নিয়ম অনুযায়ী, এই বিশেষ সুবিধায় তাঁরা স্কিমের তালিকাভুক্ত বেসরকারি হাসপাতালে চিকিৎসা করাতে পারবেন রাজ্য সরকার নির্ধারিত নির্দিষ্ট স্বাস্থ্য স্কিমের রেট অনুযায়ীই। এক্ষেত্রে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ অতিরিক্ত বিল চার্জ করতে পারবে না।

এই সুবিধার ফলে সরকারি কর্মীদের পুত্র ও কন‌্যাদের সরকারের উদ্যোগের মাধ্যমে অনেক কম খরচে চিকিৎসা করা সম্ভব হবে। তবে শর্তও রাখা হয়েছে। বলা হয়েছে, এক্ষেত্রে চিকিৎসার পুরো খরচ নিজেকেই বহন করতে হবে। এক্ষেত্রে স্বাস্থ্যপ্রকল্পে “Non-Pecuniary Beneficiary” নামে নয়া ক্যাটাগরি আনা হয়েছে।

রাজ্য সরকার তরফে এই সুবিধা আনা হচ্ছে সরকারি কর্মচারীদের জন্য। ১১.০৯.২০২৬ তে দেওয়া এই নির্দেশ অনুযায়ী এই সুবিধা কার্যকর হবে ১ অক্টোবর, ২০২৬ থেকে। উল্লেখ্য, পশ্চিমবঙ্গ হেলথ স্কিম-র নিয়ম অনুযায়ী ছেলে ২৫ বছর বয়স পার হলে বা আর্থিকভাবে স্বাবলম্বী হলে স্কিম থেকে বাদ যায়। মেয়ের ক্ষেত্রে বিয়ে হলে বা আর্থিকভাবে স্বাবলম্বী হলে নাম বাদ পরে।

West Bengal Government provided government jobs in this sector for the first time

যে সমস্ত সন্তানদের দীর্ঘমেয়াদী বা জটিল কোনও রোগের চিকিৎসা চলছিল, বয়সের বা অন্য শর্তে নাম কাটা গেলে তারা ‘ওয়েস্ট বেঙ্গল হেলথ স্কিম’-এর সমস্ত প্যানেলভুক্ত হাসপাতালে সস্তায় চিকিৎসা করতে পারতেন না। সাধারণ বাণিজ্যিক রেটে অনেক বেশি টাকা খরচ করে চিকিৎসা করতে হত। দীর্ঘদিন WBHS-এর সুবিধা পাওয়ার পর হঠাৎ করে তাঁদের বেসরকারি হাসপাতালের চড়া খরচ বহন করতে হচ্ছিল। অনেক ক্ষেত্রে চিকিৎসার ধারাবাহিকতাও নষ্ট হচ্ছিল। সেই সমস্যার কথা মাথায় রেখেই এই নয়া সুবিধা আনা হয়েছে।

আরও পড়ুন: ১০০ বা ২০০ টাকা নয়, এবার গুনতে হবে মোটা অঙ্কের জরিমানা! ডেঙ্গি রোধে কড়া হুঁশিয়ারি অগ্নিমিত্রার

জানিয়ে রাখি, এই নয়া সুবিধায় নয়া ক্যাটাগরির অধীনে তালিকাভুক্ত হওয়ার বিষয়টা সম্পূর্ণ ঐচ্ছিক এবং তা কেবল সংশ্লিষ্ট সরকারি কর্মচারী বা পেনশনভোগীরা অনুরোধের করলে করা হবে। সরকারি কর্মচারী বা পেনশনার নিজে থেকে আবেদন করলেই এর আওতায় সুবিধা মিলবে।