গ্রান্ট ইন এড-দেরও বকেয়া DA দেওয়া হবে, হাইকোর্টে জানিয়ে দিল রাজ্য সরকার, স্বস্তি কর্মীমহলে

Published on:

Published on:

dearness allowance(323)
Follow

বাংলাহান্ট ডেস্ক: আগে একটি মামলায় বকেয়া ডিএ (Dearness Allowance) নিয়ে সিদ্ধান্ত নিতে রাজ্যকে সময়সীমা বেঁধে দিয়েছিল হাইকোর্ট (Calcutta High Court)। এরই মধ্যে রাজ্য সরকারি সহায়তা প্রাপ্ত বা সরকার পোষিত স্কুলসহ অন্য প্রতিষ্ঠানের কর্মচারীদের অর্থাৎ গ্রান্ট ইন এইড-দের বকেয়া মহার্ঘ ভাতা নিয়ে আদালতে অবস্থান স্পষ্ট করল রাজ্য সরকার। বিচারপতি অমৃতা সিনহার এজলাসে রাজ্য স্পষ্ট জানিয়ে দিল, একটু সময় লাগবে, তবে বাকি থাকা ডিএ দিয়ে দেওয়া হবে।

গ্রান্ট ইন এড-দের বকেয়া ডিএ নিয়ে ফিরল স্বস্তি | Dearness Allowance

বকেয়া ডিএ কি মিলবে? সরকার পোষিত বা সরকারি সাহায্যপ্রাপ্ত স্কুল, কলেজ, ইউনিভার্সিটির শিক্ষকদের আশঙ্কা দূর করে রাজ্যের তরফে এদিন জানানো হয়েছে একটু সময় লাগবে, তবে সরকারি সাহায্যপ্রাপ্ত শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের কর্মীরাও এ বার পঞ্চম পে কমিশনের আওতায় বকেয়া ডিএ পাবেন। যা বড় স্বস্তির খবর ‘গ্রান্ট ইন এড’ কর্মচারীদের জন্য।

dearness allowance(281)

বকেয়া ডিএ-র দাবি জানিয়ে হাইকোর্টে একাধিক মামলা দায়ের হয়েছে। সম্প্রতি ‘গ্রান্ট ইন এড’ কর্মচারীদের বকেয়া ডিএ আদায়ে হাইকোর্টের দ্বারস্থ হয় পশ্চিমবঙ্গ প্রধান শিক্ষক সমিতি। ২০০৮ থেকে ২০১৯ সাল পর্যন্ত বকেয়া ডিএ-র দাবিতে মামলা হয়েছিল। বুধবার সেই সংক্রান্ত এক মামলার বিচারপতি অমৃতা সিনহার এজলাসে শুনানি ছিল।

মামলাকারীদের দাবি ছিল, রাজ্য সরকারের আইনজীবী যখন সুপ্রিম কোর্টে হিসেব পেশ করেছিলেন, তখন সরকারি কর্মচারী এবং ‘গ্রান্ট ইন এড’ এই দুই ক্ষেত্রেরই কর্মী সংখ্যা উল্লেখ করা হয়েছিল। সমস্ত কর্মী মিলিয়েই হিসেব করে ৪৪ হাজার কোটি টাকা ব্যয় বরাদ্দের কথা জানানো হয়েছিল। তাহলে এখনও কেন তাদের ডিএ নিয়ে পদক্ষেপ করা হচ্ছে না?

dearness allowance(316)

আরও পড়ুন: সরকারি কর্মীদের অপেক্ষার দাম! ফের DA বৃদ্ধির পথে রাজ্য সরকার, এবার ৩ শতাংশ বাড়ানোর ইঙ্গিত

রাজ্য সরকারের আইনজীবী আদালতে জানান, বকেয়া ডিএ-র টাকা পাবেন গ্রান্ট ইন এইড-রাও। তবে একটু সময় লাগবে দিতে। কত সময় তা অবশ্য উল্লেখ করা হয়নি বলে জানা গিয়েছে। উল্লেখ্য, সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশ মতো সরকারি স্কুলের শিক্ষকরা মহার্ঘভাতার কিছু অংশ পেলেও সরকারপোষিত এবং সরকারি সাহায্যপ্রাপ্ত স্কুলের শিক্ষকরা এতদিন বঞ্চিত ছিলেন। এবার সরকারের অবস্থান স্পষ্ট হওয়ায় কিছুটা হলেও স্বস্তিতে তাঁরা।