বাংলাহান্ট ডেস্ক : একের পর এক জনস্বার্থ মামলা দায়ের হচ্ছে। এদিকে নেই যথেষ্ট তথ্য প্রমাণ। বিষয়টি নিয়ে রীতিমতো বিরক্তি প্রকাশ করল কলকাতা হাইকোর্ট (Calcutta High Court)। বুধবার হাইকোর্টের প্রধান বিচারপতি রবীন্দ্র বি ঘুগে এবং বিচারপতি ওম নারায়ণ রাইয়ের ডিভিশন বেঞ্চ বলেন, এই ধরণের তথ্যহীন মামলার জন্য জনস্বার্থের মূল উদ্দেশ্য ব্যাহত হচ্ছে। এদিন পরপর বেশ কয়েকটি মামলা খারিজও করে দিয়েছে হাইকোর্ট। সেইসঙ্গে আদালতের তরফে স্পষ্ট জানানো হয়েছে, নিয়ম ভেঙে মামলা করলে এবার থেকে ১০ লক্ষ টাকা পর্যন্ত জরিমানা করা হবে।
জনস্বার্থ মামলা নিয়ে বিরক্ত কলকাতা হাইকোর্ট (Calcutta High Court)
আদালতের ডিভিশন বেঞ্চের কড়া পর্যবেক্ষণ, জনস্বার্থ মামলা মানেই খামখেয়ালিপনা নয়। এই ধরণের মামলা দায়ের করার ক্ষেত্রে রয়েছে নির্দিষ্ট নিয়ম এবং আইনি পরিকাঠামো। যেকোনো তুচ্ছ বিষয়কে কেন্দ্র করে জনস্বার্থ মামলা দায়ের করা যায় না। এতে যেমন আদালতের সময় নষ্ট হয়, তেমনই আসল জরুরি জনস্বার্থ মামলার শুনানি পিছিয়ে দেয়।

কী বললেন প্রধান বিচারপতি: হাইকোর্টের প্রধান বিচারপতির কড়া মন্তব্য, এমন ভিত্তিহীন মামলা রুখতে এবার থেকে আদালত জরিমানা করতে বাধ্য হবে। এই জরিমানা থেকে যে অর্থ আদায় হবে তা সোজা লাইব্রেরিতে চলে যাবে, কেনা হবে নতুন আইনি বই। আইনজীবীদের (Calcutta High Court) উদ্দেশেও স্পষ্ট বার্তা দেন, আইনজীবীরা যদি এই ধরণের তথ্যহীন মামলা আদালতে টিকিয়ে রাখতে চান, তবে লাইব্রেরির জন্য বই কেনার খরচ জোগাতেও তাঁদের প্রস্তুত থাকতে হবে।
আরও পড়ুন : সময়ানুবর্তিতায় সেরা রিপোর্ট, নতুন পালক পূর্ব রেলের সাফল্যের মুকুটে
তথ্য না থাকলে জরিমানা: এদিন এক আইনজীবীকে ব্যক্তিগত স্তরে পরামর্শ দেন প্রধান বিচারপতি। ওই মামলার কার্যকারিতা নিয়ে তিনি প্রশ্ন তোলেন, ‘এই ধরণের অপ্রয়োজনীয় মামলার পেছনে কেন দৌড়াচ্ছেন? নিজের এবং আদালতের মূল্যবান সময় কেন নষ্ট করছেন?’
আরও পড়ুন : পাল্লা-বাটখারায় নয়, থালায় বিকোয় খাঁটি পদ্মার ইলিশ, দাম কত জানেন?
ওয়াকিবহাল মহলের মতে, হাইকোর্টের এই কঠোর বার্তায় আগামী দিনে যত্রতত্র জনস্বার্থ মামলা করার প্রবণতাকে কম করবে।













