বাংলা হান্ট ডেস্ক : অন্নপূর্ণা যোজনার (Annapurna Yojana) সুবিধা নিয়ে অভিযোগ জানাতে এবার সরাসরি বিজেপির দ্বারস্থ হওয়ার আহ্বান দেওয়া হচ্ছে মহিলাদের। উত্তর শহরতলি জেলা বিজেপির তরফে সমাজমাধ্যমে জানানো হয়েছে, প্রকল্পের টাকা এখনও যাঁদের অ্যাকাউন্টে পৌঁছয়নি, তাঁরা প্রয়োজনীয় কাগজপত্র নিয়ে দলের সঙ্গে যোগাযোগ করতে পারেন।
অন্নপূর্ণা যোজনার (Annapurna Yojana) টাকা পেতে কী পরামর্শ?
সরকার বদলের পর বিজেপি দ্রুত অন্নপূর্ণা যোজনা প্রকল্পটি কার্যকর করে। একইসঙ্গে শুরু হয় আবেদনকারীদের যোগ্যতা যাচাইয়ের প্রক্রিয়া। সেই যাচাই শেষ হওয়ার পরেও শহরতলির একাধিক পুরসভা এলাকায় ক্ষুব্ধ মহিলারা টাকা না পাওয়ার অভিযোগ করেছেন।
সেই সমস্যা সমাধানে বিজেপির পক্ষ থেকে যে তথ্য চাওয়া হচ্ছে, তার মধ্যে রয়েছে নাম, ফোন নম্বর, আধার কার্ড এবং ব্যাংকের পাশবইয়ের প্রথম পাতার ফটোকপি। কেউ আগে অন্নপূর্ণা ভাণ্ডারের জন্য আবেদন করে থাকলে সেই আবেদনের সিরিয়াল নম্বর ও অন্যান্য সংশ্লিষ্ট তথ্যও জমা দিতে বলা হয়েছে। উত্তর শহরতলির বিভিন্ন বিজেপি নেতানেত্রী নিজেদের সমাজমাধ্যমের অ্যাকাউন্টে এই বার্তা ছড়িয়ে দিচ্ছেন। ইতিমধ্যেই বেশ কয়েকটি এলাকায় দলীয় কর্মীরা শিবির করে নথি নেওয়ার কাজ শুরু করেছেন বলে জানা যাচ্ছে।
এই উদ্যোগের পিছনে বিজেপি নেতৃত্বের যুক্তি, প্রকল্পের সুবিধা পাওয়ার ক্ষেত্রে যাঁরা সমস্যায় পড়েছেন, তাঁদের তথ্য প্রশাসনের নজরে আনা হবে। কিন্তু বিরোধীদের প্রশ্ন, সরকারি প্রকল্পের সুবিধা পাওয়ার জন্য উপভোক্তাদের রাজনৈতিক দলের অফিসে গিয়ে নথি জমা দেওয়ার প্রয়োজন পড়ছে কেন? বিষয়টি নিয়ে ইতিমধ্যেই রাজনৈতিক চাপানউতোর শুরু হয়েছে শহরতলিতে।

আরও পড়ুন :বিনা পয়সায় ডাক্তার দেখানোর সুযোগ! বাংলায় শুরু নতুন উদ্যোগ, কারা পাবেন ফ্রি চিকিৎসা?
দলের এই উদ্যোগকে অবশ্য স্বাভাবিক রাজনৈতিক দায়িত্ব হিসেবেই দেখছেন বিজেপির উত্তর শহরতলি জেলা সভাপতি চণ্ডীচরণ রায়। তাঁর বক্তব্য, “সাধারণ মানুষকে পরিষেবা পেতে সহায়তা করা রাজনৈতিক দলের কাজ। দলের তরফে অন্নপূর্ণা যোজনা না পাওয়া মহিলাদের তথ্য-প্রমাণ তালিকাবদ্ধ করে প্রশাসনের হাতে তুলে দিলে সমস্যা কোথায়?” পুরভোটের আগে অন্নপূর্ণা ভাণ্ডার তাই শহরতলির রাজনীতিতে আরও বড় ইস্যু হয়ে উঠেছে।













