বাংলাহান্ট ডেস্ক: সুপ্রিম কোর্টের (Supreme Court) নির্দেশ মাথায় রেখে অবসরপ্রাপ্তদের বকেয়া ডিএ-র (Dearness Allowance) অংশ মিটিয়ে দিয়েছে সরকার। সম্প্রতি কর্মরত সরকারি কর্মীদের ২০০৮ সালের ১ এপ্রিল থেকে ২০১৫ সালের ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত সময়কালের বকেয়া সম্পূর্ণ ডিএ এক কিস্তিতেই পরিশোধ করার বিজ্ঞপ্তি জারি করেছে রাজ্য। তবে উল্লেখ নেই রাজ্য সরকারি সহায়তা প্রাপ্ত বা সরকার পোষিত স্কুলসহ অন্য প্রতিষ্ঠানের কর্মচারীদের অর্থাৎ গ্রান্ট ইন এইড-দের বকেয়া মহার্ঘ (DA Arrear) ভাতার প্রসঙ্গ।
গ্রান্ট ইন এড-দের বকেয়া ডিএ দিতে সময় চায় রাজ্য | Dearness Allowance
পঞ্চম পে কমিশনের বকেয়া ডিএ সংক্রান্ত এক মামলায় আদালতে রাজ্য সরকার জানিয়েছে, সরকার পোষিত কর্মচারীরাও এ বার পঞ্চম পে কমিশনের আওতায় বকেয়া ডিএ পাবেন। তবে তা মেটাতে কিছুটা সময় লাগবে। আদালতে রাজ্য সরকার জানিয়েছে, একটু সময় লাগবে, তবে বাকি থাকা ডিএ দিয়ে দেওয়া হবে।
এদিকে পুজোর আগে একটা ইনস্টলমেন্টর টাকা অন্তত যাতে দিয়ে দেওয়া হয়, বারংবার সেই দাবি তুলে আসছেন গ্রান্ট ইন এইড-কর্মীরারা। বকেয়া ডিএ-র প্রাপকদের তালিকায় কেন গ্রান্ট ইন এইড-দের নাম নেই, কেন তারা বঞ্চিত, এই প্রশ্ন তুলে রাজ্যের মুখ্যসচিব মনোজকুমার অগ্রবালের কাছে ইতিমধ্যেই চিঠি দিয়েছে ‘বেঙ্গল টিচার্স অ্যান্ড এমপ্লয়িজ় অ্যাসোসিয়েশন’ (বিটিইএ)।
কেন গ্রান্ট ইন এইড-দের বকেয়া পেতে দেরি কেন?
এই বিষয়ে রাজ্যের তরফে আইনজীবী আদালতে জানান, সরকারি অনুদানপ্রাপ্ত সংস্থার কর্মীদের বকেয়া মহার্ঘ ভাতা দেওয়া হবে। তবে এই মুহূর্তে সরকারি কোষাগারে পর্যাপ্ত রাজস্ব না-থাকায় একটু দেরি হচ্ছে। হাইকোর্টের বিচারপতি অমৃতা সিনহার এজলাসে রাজ্য সরকার জানায়, একটু সময় লাগবে, তবে বাকি থাকা ডিএ দিয়ে দেওয়া হবে।

আরও পড়ুন: হাইকোর্টের ছাদে দুর্গাপুজোর অনুমতি মিলল না! জনস্বার্থ মামলার আবেদনই খারিজ করে দিল উচ্চ আদালত
সরকারি অনুদানপ্রাপ্ত প্রতিষ্ঠানের কর্মীদের নিয়ে রাজ্য সরকার অবস্থান জানালে পাল্টা রিপোর্ট চেয়েছে হাইকোর্ট। এই বিষয়ে ২৭ নভেম্বরের মধ্যে রাজ্যের রিপোর্ট তলব করেছেন বিচারপতি অমৃতা সিনহা।













