বাংলা হান্ট ডেস্কঃ সম্প্রতি SIR এ দুর্নীতি হয়েছে, এমন অভিযোগে সরব রাজ্যের বিরোধী পার্টিগুলি। তবে শাসকদল অর্থাৎ বিজেপির দাবি এমন কিছুই হয়নি। এবার সভা মঞ্চ থেকে এই প্রসঙ্গে বেশ কিছু কথা বললেন পশ্চিমবঙ্গের বর্তমান মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী (CM Suvendu Adhikari)। কী কী বললেন? চলুন দেখে নেওয়া যাক।
বাধানসভা নির্বাচনে অনেকেই রিস্ক নেননি!
মঞ্চে মুখ্যমন্ত্রী বলেন, এবারে আর বিধানসভা নির্বাচনে রিস্ক নেননি। অনেকেই রিক্স নেননি। বামপন্থীদের উদীয়মান নেতা যারা ইউটিব করে পোটা পোর্টাল চালিয়ে রোজগার করছেন। বিতর্কিত কথা বললে মানুষ বেশি দেখে। আমাকে ব্যক্তিগত আক্রমণ করেন। যন্ত্রণা হচ্ছে ভালো, তারাও রিস্ক নেননি। কারণ ১৯শে সেলিম সাহেব রায়গঞ্জে হেরেছেন, ২১শে চন্ডিতলাতে হেরেছেন। ২৪-এ মুর্শিদাবাদ লোকসভা কেন্দ্রে হেরেছেন। এবারে আর রিস্ক নেননি। তিনিও একই ভাষায় কথা বলেছেন।
এরপর তিনি আরও বলেন, আবার যারা টুকরে টুকরে গ্যাং তাঁরা ভারতবর্ষের স্বাধীনতা সংবিধানকে চ্যালেঞ্জ করেন। পাহেলগাঁও গণহত্যা হলে বলেন না। কিন্তু অপারেশন সুন্দর হলে পাকিস্তান কেন আক্রান্ত হলো? জবাব চাই, জবাব দাও বলেন। তাদের ভাষাতেও কালকে আমার কাছে দুবার হারা, নতুন পার্টির নতুন নেত্রী মমতা এআইটিসির যার ঘাসের উপর জোড়া ফুলও গেছে আবার তৃণমূল কংগ্রেসের এর ব্যানারও গেছে। তিনিও কালকে আজাদী স্লোগান দিয়েছেন শ্রীরামপুরের সভা থেকে।
আরও পড়ুনঃ ‘হামলাকারীরা বিজেপির কেও নন’, এসব তৃণমূল ও কংগ্রেসের রাজনীতি জানালেন শমীক ভট্টাচার্য
SIR এর সিদ্ধান্ত তিনজনের সর্বসম্মতি নিয়েই হয়েছিল
নির্বাচন কমিশনের একটি প্রেস কনফারেন্সের ছবি হাতে নিয়ে শুভেন্দু বলেন, এই গতকালের এই প্রেস কনফারেন্সের ছবিটা বলে দিয়েছে, এসআইআর এর সিদ্ধান্ত মুখ্য নির্বাচন কমিশনারের একার ছিল না। এটি তিনজন মিলে সর্বসম্মতিক্রমে নিয়েছেন। এসআইআরটা কেরালাতে খুব ভালো মিষ্টি। কংগ্রেস বলছে কেরালার এসআইআর না হলে সিপিএম থেকে যেত। কিন্তু এসআইআরটা পশ্চিমবঙ্গের ক্ষেত্রে তিতো। কারণ বহু কষ্টে কংগ্রেস কাটাকাটির সুযোগে ঢুকে তো পড়েছেন কতক্ষণ থাকবেন আমি জানিনা। এর আগেও সাগরদিঘিতে একজন জিতেছিলেন, বেশিদিন থাকেননি।
এরপর সিপিএম প্রসঙ্গে তিনি বলেন, সিপিএম এর কথা তো যত কম খরচ করা যায় ততই ভালো। ওতো সোশাল মিডিয়াতে আছে টকশোতে আছে। মহাজ্ঞানী বুদ্ধিমান, সমাজবাদ প্রতিষ্ঠা করার জন্য লড়াই চালিয়ে যাচ্ছেন। কেরালাতে এসআইআর ভালো বলছে কংগ্রেস, যদি কংগ্রেস জিতেছে। পশ্চিমবঙ্গে এসআই খারাপ। প্রথমতই তিনজন মিলে সর্বসম্মত সিদ্ধান্ত নিয়েছেন।
শেষে তিনি আরও বলেন, গতকাল আমাদের মাননীয় সাংসদ সর্বভারতীয় নেতৃত্ব রবিশংকর প্রসাদজি তিনি উল্লেখ করেছেন বিহারের এসআইআর এর সময় থেকে কংগ্রেস ও অন্যান্য রাজনৈতিক দলগুলো সুপ্রিম কোর্টে গেছে। বিহার থেকে শুরু করে পশ্চিমবঙ্গ নিয়ে একবার নয়, একাধিকবার বিভিন্নভাবে সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্ত হয়েছিল তৃণমূল কংগ্রেস। সুপ্রিম কোর্ট বিশেষ ক্ষমতা প্রয়োগ করে আর্টিকেল ১৪২ আরপিঅক্ট এবং সেটা নিয়ে তিনি ইয়ারওদের পাওয়ার তারা কেড়ে নিয়ে ডিস্ট্রিক্ট জাজেদের হাতে দিয়ে যায় ফর হিয়ারিং ওটা কোথায় লজিক্যাল ডিসক্রিপেন্সির কেসেস ক্ষেত্রে যেখানে ৬০ লক্ষ লজিক্যাল ডিসক্রিমেন্সি কেসের ক্ষেত্রে 27 লক্ষ কেস রিজেক্টেড বাই দি জুডিশিয়াল অফিসার।













